ভর্তির আগে প্রশ্ন-উত্তর

প্রশ্ন: ভর্তি হওয়ার আগে বা টাকা পাঠানোর আগে কি স্যারের সাথে ফোনে কথা বলা যাবে ?
উত্তর:  ভর্তির আগে আমাদের সাথে ফোনে যোগাযোগ বা কথা বলার কোন সিস্টেম নেই । এই লিংকে ক্লিক করে লাইন বাই লাইন পড়লে  পানির মত সহজ করে আপনি সবকিছু বুঝতে পারবেন । সবাই আমাদের সাথে কথা না বলে এভাবেই ভর্তি হয় । লিংক: http://www.outsourcinghelp.net/course/

প্রশ্ন: ভর্তি ফি কিভাবে পাঠাবো । 
আমাদের ওয়েব সাইটে জামাল স্যারের প্রায় ১৪ টি বিকাশ, রকেট ও নগদ নাম্বার  এবং ২ টি ব্যাংক একাউন্ট দেয়া আছে ।  নাম্বারগুলো ১০০% সঠিক এবং সবগুলো জামাল স্যারের পারসোনাল বিকাশ নাম্বার । 

প্রশ্ন:  মানি রিসিপ্ট কি দিবেন ?
>  আমাদেরকে টাকা পাঠানোর পর বিকাশ মেসেজের স্ক্রীণশটটি ই আপনার মানি রিসিপ্ট । তাই  বিকাশ, রকেট, নগদ বা ব্যাংকে টাকা পাঠানোর পর স্ক্রীণশট বা ছবি সেইভ করে রাখবেন । তাছাড়া আপনার বিকাশ বা ব্যাংক স্টেটমেন্টে এটি স্থায়ীভাবে থাকবে । এটি দিয়ে আপনি যে কোন সময় ক্লেইম করতে পারবেন । 

প্রশ্ন: টাকা পাঠানোর পর কিভাবে ক্লাসে জয়েন করব ?
>  ওয়েব সাইটে উল্লেখিত বিকাশ বা ব্যাংকে পেমেন্ট করে ঐ স্ক্রীণশট বা ছবি সহ আমাদের এডমিশন ফরমটি ফিলাপ করতে হবে । ফিলাপ করার ৩ ঘন্টার মধ্যেই আপনি ইমেইল পাবেন । এই মেইলে ক্লাস জয়েনিং লিংক এবং ও সকল  নিয়ম বলা থাকবে । এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন: http://www.outsourcinghelp.net/course/

প্রশ্ন: আপনারা ফোনে কথা বলেন না কেন ? 
> আমরা পরিপূর্ণভাবে মনযোগ দিই আমাদের স্টূডেন্টদের সাকসেস এর দিকে । সেজন্য জামাল স্যার সহ সকল সাপোর্ট টীম মেম্বাররা আমাদের পেইড স্টূডেন্টদেরকে প্রতিদিন ১৪ ঘন্টা অনলাইনে সাপোর্ট দেন । সাপোর্ট এ আমরা এতটাই ব্যস্ত থাকি যে ফোনে কথা বলার সুযোগ হয় না । আর তাছাড়া আমরা চাইনা কাউকে বুঝিয়ে-শুনিয়ে ভর্তি করাতে । আমাদের সাথে কথা না বলেই গত ১০ বছর ধরে অসংখ্য স্টূডেন্ট ভর্তি হচ্ছে । 

প্রশ্ন: ক্লাস ও সাপোর্ট কিভাবে হয় ? কখন হয় ?
> শুধুমাত্র অনলাইনে আমাদের ক্লাস ও সাপোর্ট হয় । জামাল স্যার ক্লাস করান প্রতিদিন রাত ৯টা থেকে রাত ১২ পর্যন্ত এবং অনেকজন সাপোর্ট টীম মেম্বার পালাক্রমে সাপোর্ট দেন প্রতিদিন সকাল ১০ টাক থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত । সর্বমোট ১৪ ঘন্টা সাপোর্ট আর বাকী ১০ ঘন্টা গ্রূপ ডিসকাশন । 

প্রশ্ন: কোর্স ফি কত ?
>  ৩৫০০০ টাকা । সম্পূর্ণ টাকা একসাথে পেমেন্ট করে ভর্তি হতে হবে । কিন্তু এখন একটা অফার আছে – কেউ চাইলে ১২৫০০ টাকা দিয়ে ভর্তি হতে পারবে এবং বাকী টাকা প্রতি মাসে ২ হাজার টাকা করে এক বছরের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে । এই অফারটি যে কোন সময় বন্ধ হয়ে যাবে ।

প্রশ্ন: আমি কি ফ্রি’তে শিখতে পারব ?
 > নিশ্চিতভাবেই পারবেন । হাজার হাজার স্টূডেন্ট আমাদের এখানে ভর্তি না হয়ে সম্পূর্ণ ফ্রি’তে শিখে অনেক ভাল ইনকাম করছে । একদম নতুনদের জন্য আমাদের সাজানো-গোছানো টিউটোরিয়াল ও ডিভিডি লিংক দেয়া আছে  আমাদের ওয়েব সাইটে । এগুলো ধারাবাহিকভাবে শিখে ইনকাম শুরু করতে পারবেন  এবং আমরা আন্তরিকভাবে এটাই চাই । বিদ্র : ফ্রি কোর্সে কোনভাবেই সাপোর্ট দেয়া সম্ভব হয় না । ফ্রি কোর্স লিংক: http://www.outsourcinghelp.net/classnotes/

প্রশ্ন: কোর্স ফি কি কিছু কম রাখা যাবে ?
> কোনভাবেই কোর্স ফি কম রাখার সুযোগ নেই । প্রতিদিন জামাল স্যারের ৩ ঘন্টা ক্লাস ও সাপোর্ট টীমের ১৪ ঘন্টা সাপোর্ট সহ আমরা যে সকল সুযোগ সুবধা দিয়ে থাকি তার মূল্য কমপক্ষে ৩ লাখ টাকা হওয়া উচিত । আমাদের দৃষ্টিতে সুযোগ সুবিধার তুলনায় আমাদের কোর্স ফি একদমই কম । 

কোর্সের মেয়াদ কত দিন ?

>  একবার ভর্তি হওয়ার পর আনলিমিটেড টাইম ক্লাস করা যাবে ও সাপোর্ট নেয়া যাবে । কিন্তু একটানা ৩ মাস ক্লাসে অনুপস্থিত থাকলে ভর্তি বাতিল হবে  ।

প্রশ্ন: কি রকম কম্পিউটার লাগবে ?
> যতদিন কোম্পানী আপনাকে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা বেতন দিবে ততদিন আপনাকে অতি সাধারণ কাজ গুলো করতে হবে । এগুলে করতে ২০ বছরের পুরাতন কম্পিউটার হলেও সমস্যা নেই । সুতারাং ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য কম্পিউটারের কনফিগারেশন নিয়ে একদমই ভাবতে হবে না ।  মাত্র ৪ থেকে ৫ টাকা দিয়ে পুরাতন কম্পিউটারের দোকানে বা বিক্রয় ডট কমে সেকেন্ড হ্যান্ড ডেক্সটপ কম্পিউটার পাওয়া যায় আবার ১০/১২ হাজার টাকায় পুরাতন ল্যাপটপ পাওয়া যায় । এগুলো দিয়েই অনেক ভালভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা যাবে । 

প্রশ্ন: মোবাইল দিয়ে কি ফ্রিল্যান্সিং করা যাবে ?
>  ফ্রিল্যান্সিং মানে অফিসিয়াল কাজ আর এটি কোনভাবে মোবাইলে সম্ভাব না ।

প্রশ্ন: কি রকম ইংলিশ লাগবে ?
>  ক্লাস এইট লেভেলের ইংলিশ দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা যাবে । বাকীটা আমরা কোর্সের মধ্যে শিখাই । 

প্রশ্ন: ইনকাম শুরু হতে কতদিন সময় লাগবে ? 
> প্রতিদিন যদি ১২ ঘন্টা করে আমাদের গাইডলাইন অনুযায়ী সময় দেন তবে এক মাস আর যদি ৬ ঘন্টা করে সময় দেন তবে ২ মাসের মধ্যে ইনকাম শুরু হবে । 

প্রশ্ন : যদি ১ মাস থেকে ইনকাম করতে না পরি ?
>   আমাদের গাইডলাইন অনুযায়ী প্রতিদিন ১২ ঘন্টা করে সময় দেয়ার পরও যদি আপনি সফল হতে না পারেন তবে আমরাই আপনাকে প্রতি মাসে ১২ হাজার টাকা ভাতা দিব । 

প্রশ্ন: নতুন ব্যাচ কখন শুরু হয় ?
উত্তর: প্রতি মাসের ১ তারিখ, ১০ তারিখ ও ২০ তারিখ  এ ৩ টি নতুন ব্যাচ শুরু হয় । যে কোন একটি ব্যাচে ভর্তি হয়ে একদম শুরু থেকেই ধারাবাহিকভাবে ক্লাস শুরু করতে পারবনে । 

প্রশ্ন: আমি কি পারব ?
বাংলাদেশের লাখ লাখ ছেলে পারছে । আপনার চাইতেও অনেক কম যোগ্যতাসম্পন্ন ছেলে মেয়ে ফ্রিল্যান্সিং করে অনেক ভাল আয় করছে । ভালভাবে কাজ শিখলে নিশ্চিতভাবে পারবেন না হলে নিশ্চিতভাবে পারবেন না । 

প্রশ্ন: এটাকে কি একমাত্র পেশা হিসেবে নেয়া যাবে ?
> ইয়েস ফ্রিল্যান্সিং একটি  লাইফটাইম প্রফেশন । দৈনিক ৮ ঘন্টা করে কাজ করলে মাসে নিশ্চিতভাবেই ৫০ হাজার টাকার উপর ইনকাম করা যায় । দ্রূত প্রমোশন হয় ও সেলারী বাড়ে । তাছাড়া এখানে কোন বেকার সমস্যা নেই । আর ভবিষ্যতে সকল চাকরীই অনলাইনে হয়ে যাবে । 

প্রশ্ন: চাকরীজীবী, স্টূডেন্ট বা গৃহিনীরা কি দৈনিক ২/৩ ঘন্টা পার্ট টাইম ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবে ?
> পারবেন । এখানে ফুল টাইম জব আবার পার্ট টাইম জব দুই রকমের চাকরী পাওয়া যায় । আপনি পার্ট টাইম জব এবং কন্ট্রক্ট বেসিসে কাজগুলো করতে পারবেন । কাজ নিয়ে আপনার সুবিধামত করে জমা দিলে পেমেন্ট পাবেন । 

প্রশ্ন:  এত সহজ হলে সবাই করছে না কেন ?
>  একজন মানুষ গ্রাজুয়েশন কম্পিলিট করার পর সরকারী-বেসরকারী চাকরীতে এপ্লাই করতে পারলেও ফ্রিল্যান্সিং জবে এপ্লাই করতে পারবেন না । ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার আগে অবশ্যই শূণ্য থেকে কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সংক্রান্ত সংশ্লিষ্ট  কাজগুলো  ভালভাবে প্রফেশনাল লেভেলে শিখতে হবে, পাশাপাশি বায়ার ম্যানেজম্যন্ট কাজ নেয়া – জমা দেয়া এগুলো ও শিখতে হবে । সঠিক গাইডলাইন মেনে ভালভাবে কাজ শিখলে খুবই অল্প সময়ের মধ্যে সফল হওয়া যায় । ফ্রিল্যান্সিং শিখতে অনেক কঠিন  কিন্তু শিখার পর  কাজ করতে সহজ ।  

প্রশ্ন: প্রতিদিন কতক্ষণ সময় ‍দিতে হবে ?
>  ফুল টাইম করলে ৮ থেকে ১২ ঘন্টা আর পার্ট টাইম করলে ২ থেকে ৩ ঘন্টা 

প্রশ্ন:  মাসে কত টাকা ইনকাম করা যাবে ?
> ফুল টাইম জব করলে ৫০ হাজার টাকা প্লাস আর পার্ট টাইম জব করলে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা । তবে আপনি যদি কঠিন ও ক্রিটিক্যাল কাজগুলো শিখতে পারেন এবং তবে একই সময় দিলে আপনার ইনকাম ডাবল বা ট্রিপল হবে । তবে প্রথমে সহজ কাজ দিয়ে শুরু করতে হবে ক্রমান্বয়ে কঠিন কাজে যেতে পারবেন । 

প্রশ্ন: রাত জেগে কাজ করতে হবে কিনা ?
> আপনি কাজের অর্ডার নিয়ে আপনার সুবিধামত কাজ করবেন । রত-দিন যথন ইচ্ছা তখন কাজ করতে পারবেন কোন সমস্যা নেই । কাজটি করে যে কোন সময় জমা দিলেই অটোমেটিক্যালি আপনার একাউন্টে সেলারী চলে আসবে । সুতরাং ফ্রিল্যান্সিং মানেই রাত জেগে কাজ করা না । 

প্রশ্ন: এটা হালাল নাকি হারাম ?
> ১০০% হালাল । আপনি কাজ করবেন কোম্পানী আপনাকে বেতন দিবে । অবশ্যই হালাল । তবে কেউ  যদি বুঝে শুনে কোন হারাম কোম্পানীতে জব করে তবে তা অবশ্যই হারাম । এই রকম হারাম কোম্পানীতে কেউ জব করলে তার সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক থাকবে না । 

প্রশ্ন: কিভাব বুঝব আপনারা সঠিক নাকি ভূয়া ?
>  এটা বুঝানোর কোন ইচ্ছা আমাদের নেই । আমরা চাই সবাই ফ্রি’তে শিখুক সেজন্য আমাদের সকল টিউটোরিয়াল, রিসোর্স, ডিভিডি সবকিছু সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আমাদের ওয়েব সাইটে দিয়েছি । গত ১০ বছর ধরে হাজার হাজার ভিডিও আপলোড করা হচ্ছে । উদ্দেশ্য একটাই সবাইকে ফ্রি’তে শিখানো । আমাদের এই ফ্রি ভিডিওগুলো দেখে যদি প্রতি মাসে ২০/৩০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারেন তবে বুঝবেন আমরা সঠিক আর না পারলে নিশ্চিত হবেন আমরা ভুয়া ।
ফ্রি কোর্স লিংক:  http://www.outsourcinghelp.net/classnotes/

প্রশ্ন:  আপনাদের ফ্রি ও পেইড কোর্সের মধ্যে পার্থক্য কি ?
>  আমাদের ওয়েব সাইটে সকল ধারাবাহিক টিউটোরিয়াল, ডিভিডি ও রিসোর্স দেয়া আছে । এগুলো ডাউনলোড করে যে কেউ নিজে নিজে শিখে প্রতি মাসে ২০/৩০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবে । এটাই ফ্রি কোর্স । বিদ্র: ফ্রি ষ্টূডেন্টদেরকে কোন সাপোর্ট দেয়া হয় না । পক্ষান্তরে পেইড কোর্সের স্টূডেন্টদেরকে জামাল স্যার প্রতিদিন ৩ ঘন্টা ক্লাস নেন ও সাপোর্ট টীম টোটাল ১৪ ঘন্টা সাপোর্ট দেন । বিস্তারিত জানতে নিচের লিংক ‍দুটি দেখুন । যারা পকেট খরচ ইনকামের জন্য ফ্রিল্যান্সিং করবেন তারা ফ্রি ভিডিও দেখে ইনকাম করতে পারবেন আর যাদের লক্ষ্য ফ্রিল্যান্সিংকে স্থায়ী পেশা হিসেবে নিয়ে প্রতি মাসে এক লাখ টাকা ইনকাম করা শুধুমাত্র তাদের জন্যই পেইড কোর্স । 

ফ্রি কোর্স: http://www.outsourcinghelp.net/classnotes/
পেইড কোর্স: http://www.outsourcinghelp.net/course/

প্রশ্ন: আপনারা কি কোন গ্যারান্টি দিচ্ছেন ?
> আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে ইনকাম করতে পারবেন কি পারবেন না এই গ্যারান্টি দুনিয়ার কেউ দিতে পারবে না । আপনার গ্যারান্টি আপনাকেই দিতে হবে । যদি আপনি গ্যারান্টি দিতে পারেন যে প্রতিদিন ১২ ঘন্টা বা কমপক্ষে ৫ ঘন্টা সময় দিতে পারবেন এবং আরো নিশ্চিত করতে পারেন যে পরিপূর্ণ ভাবে আমাদের গাইডলাইন ফলো করেন তবে ইনশাল্লাহ ১০০% কনফার্ম যে আপনি সফল হবেন ।  এমন হতে পারে আপনি প্রথম মাসে সফল হলেন না তবে দ্বিতীয় মাসে হবেন, দ্বিতীয় মাসে না হলে তৃতীয় মাসে হবেন । হবেনই হবেন । শুধুমাত্র লেগে থাকতে হবে । যদি পরিপূর্ণভাবে আমাদের গাইডলাই ফলো করার পরও আপনি সফল না হন আমাদের ইন্সটিটিউট থেকে প্রতি মাসে ১২ হাজার টাকা ভাতা দেয়া হয় । 

প্রশ্ন: শুনলাম কেউ সফল না হলে আপনারা প্রতি মাসে ১২ হাজার টাকা দেন । 
> ইয়েস সত্য । আমাদের পরিপূর্ণ গাইডলাইন মেনে প্রতিদিন ১২ ঘন্টা করে সময় দেয়ার পরও যদি আপনি প্রথম মাস থেকে ইনকাম শুরু করতে না পারেন তবে যেই যেই মাসে আপনার ইনকাম হবে না সেই মাসে আমাদের ইন্সটিটিউট থেকে ১২ হাজার টাকা ভাতা দেয়া হবে । তবে প্রতিদিন ১২ ঘন্টা করে কোন সময় কি কি কাজ করেছেন তার লিষ্ট সাবমিট করতে হবে । 

প্রশ্ন: ফ্রিল্যান্সিং কি বন্ধ হয়ে যেতে পারে ?
>  বিদেশী কোম্পানীগুলো কম খরচে কাজ করানোর জন্যই ফ্রিল্যান্সিং উদ্ভাবন করেছে । যেই কাজের জন্য তাদের দেশের  এমপ্লয়ীকে ১০ টাকা বেতন দেয় সেই কাজের জন্য আমদেরকে সেলারী দেয় মাত্র ১ টাকা ।  ফ্রিল্যান্সিং বন্ধ হলে উন্নত বিশ্বের লাখ লাখ কোম্পানী বন্ধ হয়ে যাবে ।  তাছাড়া ভবিষ্যতের পৃথিবী হল অনলাইন চাকরী অর্থাৎ ফ্রিল্যান্সিং এর যুগ । আমাদের জীবন-যাপন, ব্যাবসা বানিজ্য, লেখাপড়া সবকিছুই অনলাইন হয়ে যাচ্ছে । সুতরাং অনলাইনে চাকরী করার সিষ্টেম বন্ধ হয়ে যাবে নাকি ভবিষ্যতে আরো বাড়বে তা নিজেই অনুমান করতে পারবেন ।

প্রশ্ন: কাজ করানোর পর যদি বায়ার বেতন না দেয় ?
>  বায়ার মার্কেটপ্লেসে আপনার বেতন পরিশোধ করার পরই আপনাকে হায়ার করতে পারবে এবং আপনি কাজ করে বায়ারকে জমা দিলে মার্কেটপ্লেসেই আপনাকে সেলারী পেমেন্ট করবে । সুতরাং সিষ্টেমের কারণে এটা সম্ভব হয় না  ।

প্রশ্ন: একাউন্ট যদি সাসপেন্ড হয়ে যায় ?
> আপনি সঠিক গাইডলাইন মেনে কাজ করলে কখনো একাউন্ট সাসপেন্ড হবে না । কিন্তু যদি তার পরও সাসপেন্ড হয়ে যায় তবে আপনার পরিবারের যে কোন সদস্যকে একটা একাউন্ট খুলে দিয়ে তার আই.ডি থেকে আপনি কাজ করতে পারবেন ।