জামাল স্যার ব্লগ - Outsourcing Institute by Jamal Sir
Search for:

কিভাবে নিশ্চিতভাবে চাকরী পাবেন । 

 

প্রথমত নিশ্চয়তা দিচ্ছি এই লিখাটা পড়ার পর কোন মামা-চাচা-টাকা ছাড়াই আপনি চাকরী পাবেন ।

শুরু করছি ।  আমাদের দেশে একটা উদ্ভট রেওয়াজ আছে ছেলেরা পড়াশুনা শেষ করে চাকরী খুঁজে ! আরে এটাইতে স্বাভাবিক । এত পড়াশুনা করে চাকরী করব না ?

 

জ্বি অবশ্যই চাকরী করবেন । কিন্তু চাকরীর জন্য আপনার প্রস্তুতি কি ? 

উত্তর হল আমি খুব ভালভাবে পড়ুশুনা করেছি, জি.পি. এ ৫ পেয়েছি, ফাষ্ট ক্লাস ফাষ্ট হয়েছি ইত্যাদি ইত্যাদি । তো এখন তো আমি একটা ভাল চাকরী পেতেই পারি । 

অবশ্যই পেতে পারেন । কিন্তু আপনাকে নিয়ে কোন কোম্পানীর কি লাভ হবে ? আপনার এত ভাল রেজাল্ট দিয়ে কোম্পানী কি করবে ? তার দরকার প্র্যাকটিক্যাল কাজ , স্কীল । 

 

এখানেই আমদের দেশের শিক্ষিত ছেলে-মেয়েরা ভুল করে ।  শুধুমাত্র একাডেমিক পড়াশুনা এবং সার্টিফিকেটক থাকলেই নিজেকে চাকরী করার যোগ্য মনে করে । 

চাকরী পেতে 

একাডেমিক পড়াশুনার গুরুত্ব ৫০% 

আর দক্ষতার গুরুত্ব ৫০% । 

যদি আমি এই দুটিকে দুইটি সাবজেক্ট মনে করি তাহলে একটিতে যদি আপনি ফুল মার্কস পান এবং আরেকটাতে ফেল করেন তাহলে আপনি আলটিমেটলি ফেল । 

 

তো এখন কি করতে হবে ?

 

প্রথমত পড়াশুন শেষ করেই নিজেকে চাকরীর জন্য যোগ্য মনে করা যাবে না । পড়াশুনা চলাকালীন বা শেষ করে অবশ্যই আপনাকে স্কীল বা দক্ষতা অর্জন করতে হবে । যখন আপনি নিশ্চিত হবেন যে আপনি যে কোন একটা সেক্টরে বা আপনার পছন্দের সেক্টরে কাজ করার প্রয়োজনীয় স্কীল অর্জন করতে পেরেছেন তারপর কোমড় বেঁধে চাকরীতে এপ্লাই করুন । আপনার চাকরী পাওয়া কেউ ঠেকাতে পারবে । 

এবং আপাকে এন্ট্রি লেভেলের চাকরীতে এপ্লাই করতে হবে না । আপনি একদম শুরু থেকেই মিড লেভেল পজিশনে এপ্লাই করতে পারবে । 

 

তো কিভাবে স্কীল অর্জন করব :

১. মনে করুন আপনি একাউন্টিং এ পড়েন বা পড়াশুন শেষ করেছেন । ( আমি জাষ্ট বুঝার জন্য একাউন্টিং নিয়ে এক্সজাম্পল দিচ্ছি কিন্তু এটা যে কোন সেক্টরের জন্য প্রযোয্য )

 এখন প্রথমত আপনি সুর্নির্দিষ্টভাবে টার্গেট করুন আপনি কোন সেক্টরে আপনি একাউন্টিং জব করতে চান । ধরে নিলাম যে আপনি বড় কোন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানীতে জব করতে চান যেমন : ইউনিলিভার । 

 

২. এখন এই মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানীতে কিভাবে একাউন্টিং হয় সেটা গুগুল, ইউটিউবে সার্চ করে দেখুন, শিখুন, নোট করুন ।  

 

৩. সরাসরি বা অনলাইনে তাদের কিছু ফাইল সংগ্রহ করে স্টডি করুন । আসলে কোন পদ্ধতিতে বা কিভাবে তারা কাজ করে  ।

 

৩. এই সংক্রান্ত অনলাইনে বা অফলাইনে কোথায় ফ্রি সেমিনার বা পেইড সেমিনার হয় খুুঁজুন , করুন । 

 

 

৩.  লিংকড ইন এ সেই সকল কোম্পানীর উচ্চ পদস্ত ব্যাক্তিদের পাবেন তাদের সাথে কানেকশন তৈরী করুন । তাছাড়া লিংকড ইনে এই রকম বড় বড় বিদেশী কোম্পানীর কর্মকর্তাদের পাবেন । তাদের সাথে বন্ধুত্ব তৈরী করুন । ( এত সহজ ?  আসলেই সহজ, বড় কর্মকর্তারা কাজ পাগল মানুষ, কাজ নিয়ে যদি গঠনমূলক কথা বলেন খুব সহজেই বন্ধুত্ব হয়ে যাবে । 

 

৪.  কমপক্ষে একমাস বিনামূল্যে সেই সব প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সুযোগ খুঁজুন । 

 

৫. তাদের কোম্পানী, ম্যানেজমেন্ট, হিষ্টোরি, বিজনেস পলিসি, স্ট্রেটেজি মোটো, ইত্যাদি সম্পর্কে গভীরভাবে জানুন । অনুধাবন করুন, একাত্ন হোন, ধারণ করুন । 

 

৬. কখন তাদের জব সার্কুলার হবে সেজন্য অপেক্ষা না করে তাদের ওয়েব সাইটে সি.ভি ড্রপ করুন এবং নিয়মিত তাদের মেইলে মেইল করুন। 

 

৭. সি.ভি এর উপরে একটি চিঠি লিখবেন যে : আপনি যদি এই কোম্পানীতে চাকরী পান তবে কিভবে আপনি এই কোম্পানীকে ইমপ্রুভ করতে পারবেন । এখানে কোথায় কোথায় লেকিংস আছে, কি কি প্রবলেম আছে এবং আপনি কিভাবে সেগুলো সলভ করতে পারবেন ।  

 

৮.  আপনি  এর মধ্যে যা যা স্টাডি করেছেন যেগুলো খুব গুছিয়ে ফাইল তৈরী করে দিন । তারা যেন বুঝতে পারে যে আপনি শুধু টাকার জন্য চাকরী খুঁজছেন না । আপনি কাজপগল একজন মানুষ । 

 

৮.  একটি ইমোশন্যাল টিঠি লিখতে পারেন যে কিভাবে ছোটবেলা থেকে আপনি স্বপ্ন দেখেছেন এই কোম্পানীতে চাকরী করবেন এবং এজন্য আপানর কঠিন ও কষ্টকর জার্নি । লজিক্যাল এবং ইমোশনাল দুইদিকেই হিট করুন । কাজ হবেই হবে । 

এই রকম আপনি জাষ্ট ১০ টি কোম্পানীকে টার্গেট করুন । নিশ্চিতভাবেই চাকরী হবে । 

 

আসলে চাকরী প্রার্থীরা চাকরীদাতাদের সাইকোলজী বুঝে না । এই করণেই চাকরী পাই না । আপনার রেজাল্ট যাই হোক আপনি যদি উপরের পদ্ধতিগুলো এপ্লাই কররেন নিশ্চিতভবে ভাল বেতনে, ভাল পজিশনে চাকরী পাবেন । 

 

আর বড় কোন কোম্পানী কখনো ভাল রেজাল্ট হতে হবে এমন শর্ত দেয় না । এমনকি আপনার অনেক বড় ডিগ্রী থাকতে হবে সেটা শর্ত দেয় না । শর্ত একটাই নিজের কাজকে ভালবাসতে হবে, কোম্পানীকে ভালবাসতে হবে, হেডেক নিতে হবে, ইনোভেটিভ হতে হবে এবং কোম্পানীর লক্ষ ও আদর্শের সাথে একাত্ন হতে হবে । 

 

এখন কথা হল একটা চাকরীর জন্য এত কষ্ট করব ? যদি না হয় । একটাতে না হলে আরেকটাতে হবে  । আপনার চেয়ারটি অপেক্ষা করছে কিন্তু সে এখনই আপনাকে বসতে দিবে না । আপনাকে আগে পুড়ে পুড়ে খাঁটি সোনা হতে হবে । 

ধন্যবাদ 

 লেখক: মো: জামাল উদ্দিন । 

ফাউন্ডার, আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট 

ব্লগ লিংক:  https://outsourcinghelp.net/blog/

 

 

 

ফ্রিল্যান্সিং কি ভবিষ্যতে বন্ধ হয়ে যাবে ? 

 উত্তর:   আমাদের লাইফ আস্তে আস্তে অনলাইন হয়ে যাচ্ছে । যেমন আমাদের কেনাকাটা-ব্যাবসা, এডুকেশন, অফিস,  ট্রান্সপোর্ট, ফুড ইত্যাদি সবকিছুই  অনলাইনে হয়ে যাচ্ছে । 

আগে আমরা সরাসরি দোকানে গিয়ে জিনিস কিনতাম কিন্তু এখন বেশীরভাগ জিনিসই অনলাইনে কিনি। কারণ অনলাইনে কেনাকাটা করা সহজ, ঝামেলামুক্ত, সময় সাশ্রয়ী । এছাড়া আরো অনেক সুবিধা আছে । 

তাই ভবিষ্যতে দোকান বা মার্কেট নামে কোন কিছু থাকবে না । আমাদের সকল কেনাকাটা হবে শুধুমাত্র অনলাইনে । 

 

যতই আমাদের লাইফ অনলাইনে হচ্ছে ততই ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্ব বাড়ছে । কারণ একটা প্রতিষ্ঠান যখন অনলাইনে হয় তখন তার অনেকজন ডিজিটাল মার্কেটার প্রয়োজন হয় । 

উদাহরণ ‍দিচ্ছি: মনে করুন কাসেম ফ্যাশন হাউজ নামে একটি দোকান আছে । সেখানে ৫ জন কর্মচারী আছে যারা সরাসরি দোকানে সেলসম্যান হিসেবে কাজ করে । এখন কাসেম ফ্যাশন এর মালিক দোকানটি বন্ধ করে দিয়ে আরো বেশী বিক্রির জন্য  পুরোপুরি অনলাইনে চলে গেল । 

এখন অনলাইনে ব্যাবসা করলে তো সরাসরি সেলসম্যানের কোন দরকার নাই । তাই ঔই ৫ জন কর্মচারীর চাকরী চলে গেল । এখন তার নতুন করে ১০ জন ডিজিটাল মার্কেটার নিয়োগ দিতে হবে । যেমন: ১জন ফেসবুক মার্কেটার, ১ জন ইউটিউব মার্কেটার, ১ জন এস.ই.ও এক্সপার্ট, ১ জন ওয়েব সাইট মেনটেইন, ১ জন অনলাইনে অর্ডার কালেকশন, আরেকজন কাষ্টমারের সাথে চ্যাটিং করা, আরেকজন প্রোডাক্ট এর গ্রাফিক্স ও ভিডিও তৈরী করার জন্য । এইভাবে তার কমপক্ষে ১০ জন লোক প্রয়োজন হবে যারা সবাই কম্পিউটারে বসে কাজ করবে অথবা সহজ করে বললে ডিজিটাল মার্কেটিং করবে । 

 

মালিকের ইনকাম ও অবশ্য বেশী হবে । আগে সরাসরি দোকানে যদি সে দিনে ১লাখ টাকা সেলস করতে এখন স্বাভাবিকভাবে সে পুরো দেশে ১০ লাখ টাকা সেল করতে পারবে । 

 

এইভাবে একটা প্রতিষ্ঠান যখন অনলাইনে কনভার্ট হয় তখন অনেক জন ডিজিটাল মার্কেটারের প্রয়োজন হয় । বড় প্রতিষ্ঠানগুলোতে আরো অনেক বেশী অনলােইনে কাজ করার লোক প্রয়োজন হয় । 

 

যতই দিন যাচ্ছে ততই মানুষের এই অনলাইন নির্ভরতা বাড়ছে । আর এই অনলাইনে কাজ করাই হল : ”ফ্রিল্যান্সিং”

 

এখন আপনিই সিদ্ধান্ত নিন ভবিষ্যতে কি ফ্রিল্যান্সিং বাড়বে নাকি কমে যাবে । 

 

বাংলাদেশে চাকরী কম, বেকার বেশী । কিন্তু পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোতে ঠিক উল্টো অবস্থা, চাকরী বেশী কিন্তু সেই চাকরী করার জন্য প্রার্থী নাই । এটাকে সমাধান করেছে অনলাইন তথা ফ্রিল্যান্সিং। অনলাইনে কোন ন্যাশনাল বর্ডার নাই, কোন ভিসা-পাসপোর্ট লাগে না । খুব সহজেই আপনি দেশে বসে বিদেশী কোম্পানীতে এপ্লাই করতে পারেন, অনলাইনে ইন্টারভিউ দিতে পারেন, অনলাইনে কাজ করতে পারেন এবং সরাসরি আপনার ব্যাংক একাউন্টে সেলারী নিতে পারেন । 

 

উন্নত বিশ্বের সকল চাকরীই এখন অনলাইন হয়ে যাচেছ এটা আমাদের মত বেকার পূর্ণ দেশের জন্য একটা ব্লেসিং । ভবিষ্যতে চাকরী বলতেই আমরা বুঝবে অনলাইনে জব । 

আরেকটি মজার বিষয় হল অনলাইন জবে সেলারী দেয়া হয় ডলারে । যে চাকরীর জন্য বাংলাদেশে আপনি ২০ হাজার টাকা বেতন পাবেন ঠিক সেই চাকরীই আপনি বিদেশী কোন কোম্পানীতে অনলাইনে করলে পাবেন ২ হাজর ডলার । এই দুই হাজার ডলার তাদের জন্য খুবই কম কিন্তু আমাদের জন্য অনেক বেশী । বাংলা টাকায় কনভার্ট করলে যেটা হয় প্রায় ২ লাখ টাকা । তার মানে আপনি দেশে কাজ করে যা ইনকাম করেন সেই কাজ অনলাইনে বিদেশী কোন কোম্পনির জন্য করলে তার দশগুণ টাকা ইনকাম করা যাবে । 

 

আর অনলাইন জব অনেক সিকিউর । কারণ একটি চাকরী গেলে আপনি দিনে দিনে আরো ১০ টি চাকরী যোগার করতে পারবেন । সারা পৃথিবীর জব মার্কেট আপনার জন্য ওপেন । 

 

কিন্তু যতই চাকরী থাকুক আপনার খুশী হওয়ার কোন কারণ নাই  । এই চাকরীগুলো করতে হলে আপনাকে খুব ভালভাবে কাজগুলো শিখতে হবে এবং কাজগুলো বার বার করার মাধ্যমে স্কীল অর্জন করতে হবে । তাহলেই সারা পৃথিবী আপনার । 

 

পৃথিবী বদলে যাচ্ছে, সেই সাথে বদলে যাচ্ছে জব এর ধরণ । এই পরিবর্তনের সাথে যারা খাপ খাওয়াতে পারবে তারাই টিকে থাকবে । যারা নতুন টেকনোলজি এডোপ্ট করতে পারবে না তারা হারিয়ে যাবে ।  Survival for the fittest. 

ধন্যবাদ । 

 

 

যদি ফ্রিল্যান্সার বেড়ে যায় তাহলে কি কাজের রেইট কমে যাবে ?

 

উত্তর:  একটা কোম্পনী যদি অনলাইনে আসে তাহলে কয়েক হাজার এমপ্লয়মেন্ট তৈরী হয় । এই ভাবে পৃথিবীতে প্রতিদিন হাজার হাজার কোম্পানী অনলাইনে কনভার্ট হচ্ছে এবং প্রতিদিন লাখ লাখ জব পোষ্ট তৈরী হচ্ছে । 

 

কিন্তু সেই হারে কাজ জানা ফ্রিল্যান্সার তৈরী হচ্ছে না । কারণ মার্কেটপ্লেসে একটা একাউন্ট করলেই তাকে ফ্রিল্যান্সার বলে না ।  যে ৬ মাস ধরে কষ্ট করে  এডভান্সড লেভেলের কাজ শিখেছে তাকেই ফ্রিল্যান্সার বলে । কিন্তু ধৈর্য ধরে এডভান্সড লেভেলের কাজ শিখে এই রকম মানুষ খুবই কম । মানুষ বেশী শিখতে চায় না । ব্রেইনকে কষ্ট দিতে চায়না । কত কম শিখে কত বেশী ইনকাম করা যায় সেই চেষ্টাই করে সবসময় ।  এই কারণে কাজ জানা ফ্রিল্যান্সার খুবই খুবই কম । 

 

আচ্ছা  যদি বাংলাদেশের সকল মানুষ খুব ভালভাবে কাজ শিখে তখন কি হবে ? প্রথমত এটা সম্ভব নয় । কারণ ১০০ জন মানুষ যদি কাজ শিখার উদ্যোগ নেয় তবে ৯০ জনই ২য় মাস পর্যন্ত ধৈর্য ধরতে পারে না । ৬ মাস পর্যন্ত টিকে থাকবে বড়জোর ৫ জন এবং তারাই সফল ফ্রিল্যান্সার হবে । তাই বাংলাদেশের সকল মানুষ যদি পরিপূর্ণ উৎসাহ নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করে তবে মাত্র কয়েক লাখ শেষ রাউন্ড পর্যন্ত যেতে পারবে । 

 

আচ্ছ যদি অলৌকিকভবে বাংলাদেশের সকল মানুষ এক্সপার্ট ফ্রিল্যান্সার হয়ে যায় তখন কি হবে ? তখন কি কাজ কমে যাবে ? কম্পিটিশন বেড়ে যাবে ? কাজের রেইট কমে যাবে ?  উত্তর হচ্ছে : “না” । 

 

কারণ পৃথিবীর মাত্র কয়েকটি দেশ ফ্রিল্যান্সিং করে যেমন বাংলাদেশ ভারত পাকিস্থান, ফিলিফিন এবং নাইজেরিয়া । আর বাকী প্রায় ২০০ টা দেশে কাজ দেয় । যার ফলে এখানে চাকরী প্রার্থীর চাইতে চাকরী দাতা অর্থাৎ জব পোষ্ট অনেক অনেক গুণ বেশী । যার ফলে বাংলাদেশের সকল মানুষ ফ্রিল্যান্সিং করলেও তা ফ্রিল্যান্সিং জব মার্কেটের চাহিদা পূরণ করার জন্য যথেষ্ঠ না । 

 

গত ২ বছর আগে আমাদের স্টূডেন্টদের টার্গেট দেয়া হল ২য় মাসে কমপক্ষে ৫ হাজার টাকা ইনকাম কিন্তু এখন আমাদের স্টূডেন্টরা কোর্সের ২য় মাস ২০ হাজার প্লাস ইনকাম করতে পারে । আগে যেই কাজের ভ্যালু ছিল ১০ ডলার এখন সেই কাজের ভ্যালু ৫০ ডলার । কারণ যেই হারে চাকরী বাড়ছে সেই হারে দক্ষ ফ্রিল্যান্সার বাড়ছে না । তাই বায়াররা বেতন বাড়িয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে এবং বেশী বেতন দিয়েও ভাল ফ্রিল্যান্সার পাচ্ছে না কারণ ভাল কাজ জানা ফ্রিল্যান্সার খুুবই কম । 

আরেকটি কথা হল বায়াররা কম টাকা দিয়ে কাজ করাতে চায় না । তারা কোয়ালিটি চায় । আর কোয়ালিটি এনসিউর করার জন্য তারা বেশী বেতন দিতে রাজী থাকে । 

 

সুতরাং আপনি যদি ভালভাবে কাজ শিখেন তবে আপনার ক্যারিয়ার সিকিউরড ।

ফ্রিল্যান্সিংদের পরিচয় সঙ্কট ও সমাধান 

আমাদের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কারণে সাধারণ মানুষ ফ্রিল্যান্সিং মানেই বুঝে: পার্ট টাইম ইনকাম, ডাটা এন্ট্রি, ক্লিক করে আয় ইত্যাদি । আমাদের মিডিয়াগুলো পরিপূর্ণভাবে না জানার কারণে তারা ফ্রিল্যান্সিং কে জাষ্ট  এক্সট্রা ইনকামের একটা ওয়ে হিসেবে প্রচার করে । 

তাই যখনই কেউ শুনে যে আপনি ফ্রিল্যান্সিং করেন তখন ভেবে নেয় যে আপনি ডাটা এন্ট্রি বা এই রকম টুক টাক কিছু কাজ করে কোন রকমে কষ্টে বিষ্টে মাসে হাজার ১০/২০ হাজার টাকা ইনকাম করেন । 

 

কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং হল একটা পরিপূর্ণ প্রফেশন । লাইফটাইম প্রফেশন । ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ল’ইয়ার, সরকারী চাকরী ইত্যাদির মত একটি পরিপূর্ণ পেশা । একজন ফ্রিল্যান্সার অন্য পেশা বা চাকরীর  চাইতে অনেক অনেক বেশী  ইনকাম করতে পারে । একজন ভাল কাজ জানা ফ্রিল্যান্সার অনায়াসেই মাসে ৫/১০ লাখ টাকা ইনকাম করে । কিন্তু সামাজিক স্বীকৃতি নাই । বিয়ের বাজারে চৌধুরী সাহেব সহজে রাজী হতে চায় না । 

 

সমাধান কি ?

প্রথমেই নিজের পরিচয় সঠিকভাবে দিন । মনে করুন ফ্রিল্যান্সিং নামে দুনিয়াতে কিছুই নেই ।  আপনি আসলে ফ্রিল্যান্সার না । আপনি একজন আই.টি প্রফেশনাল, অথবা গ্রাফিক ডিজাইনার , অথবা ওয়েব ডেভেলপার । আপনি কাজটি দেশের কোন কোম্পানীতে না করে আমেরিকার কোন কোম্পানীতে করছেন । 

খুব সিম্পলি নিজের পরিচয় দিন এইভাবে : 

”আমি আমেরিকান বা অমুক দেশের একটা কোম্পানীতে ডিজিটাল মার্কেটার হিসেবে জব করি । অনলাইনে ঘরে বসে কাজ করি এবং তারা আমাকে প্রতি মাসে আমার ব্যাংক একাউন্টে সেলারী ট্রান্সফার করে ।” 

ওয়ার্ক ফ্রম হোমের সাথে এখন সবাই পরিচিত । যার ফরে প্রশ্নকর্তা অনলাইন সম্পর্কে একদম অভিজ্ঞ না হলেও এটা বুঝবে যে অনলাইনের মাধ্যমে বিদেশী কোম্পানীতে কাজ করা যায় । 

 

এইভাবে সামাজিকভাবে আপনার পরিচয় বললে মানুষ খুব সহজে বুঝতে পারবে যে: 

 

১. আপনি যেহেতু বিদেশী কোম্পানীতে কাজ করেন তাই আপনি অবশ্যই অনেক বেশী যোগ্যতা সম্পন্ন । 

 

২. বিদেশী কোম্পানীতে ভাল সেলারী । স্বাভাবিকভাবে আপনার ইনকাম দেশের কোম্পানীতে চাকরী করা ছেলেদের চেয়ে বেশী । 

 

৩. আপনি বাংলাদেশের আরো দশটা ছেলের চাইতে অনেক বেশী চৌকশ ও মেধাবী । 

 

৪. আপনি আপনার এলাকার একজন আইকনিক ফিগারে পরিণত হতে পারবেন এবং সবাই আপনার এক্সজাম্পল দিবে । 

 

সত্যিকার অর্থেই আমরা ফ্রিল্যান্সিং করি না ।  ফ্রিল্যান্সিং হল ইচ্ছা হলে করলাম ইচ্ছা হলে করলাম না । তার মানে খুব সিরিয়াস না ।  কিন্তু আমরা খুবই সিরিয়াস 

 কিন্তু আমরা এটাকে পরিপূর্ণ পেশা হিসেবে বিদেশী কোন কোম্পীতে স্থায়ী চাকরী করি । 

এমনকি বিদেশী কোন বায়ারকে যদি আপনি পরিচয় দেন যে আপনি ”ফ্রিল্যান্সার” তবে সে আপনার উপর স্বাভাবিকভাবেই আস্থা রাখতে পারবে না । কারণ সে মনে করবে আপনি তার কাজটি খুব গুরুত্বের সাথে করবেন না  ।

 

সুতারং নিজেকে পরিচয় দিন আমি ডিজিটাল মার্কেটোর বা গ্রাফিক ডিজাইনার বা ওয়েব ডেভেলপার বা অন্যান্য । এবং বলুন যে আপনি বিদেশী কোম্পানীতে চাকরী করেন। এটা ১০০% সত্য । ফাইভার , আপওয়ার্ক, আমেরিকা বা ইউরোপের বড় বড় কোম্পনী সবাই বিদেশী কোম্পানী । 

সুতরাং এতদিন আপনি যদি নিজেকে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকেন  এটা ভুল ছিল ।  এখন থেকে সঠিকভাবে নিজের পরিচয় ‍দিন । চৌধুরী সাহেবরা আপনার পিছনে লাইন ধরবে । 

 

লেখক: মো: জামাল উদ্দিন

সি. ই. ও

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট 

ফ্রিল্যান্সিং সহজ নাকি কঠিন ?

 

শিখলে খুব খুব সহজ । আর ভালভাবে না শিখে করতে গেলে খুবই কঠিন এবং অসম্ভব । আপনার শিখাটা হবে যত কঠিনভাবে অর্থাৎ বিস্তারিতভাবে কাজ করাটা তত সহজ হবে । আর শিখাটা যত সংক্ষিপ্ত হবে কাজ করাটা তত জটিল হবে । আপনি প্রতি পদে পদে আটকে যাবেন । 

 

যে ছেলে প্রতি মাসে ৫ লাখ টাকা ইনকাম করে তাকে বলতে শুনবেন যে ফ্রিল্যান্সিং খুবই সহজ জিনিস । আর যে এখনো তেমন কোন ইনকাম করতে পারে নাই সে বলবে- এটার মত কঠিন জিনিস দুনিয়াতে নাই । আসলে কোনটা সত্যি । আসলে দুটাই সত্যি । প্রথমজন এত ভালভাবে প্রস্তুতি নিয়েছে যে সে অন্ধকারেও হাঁটতে পারবে । আর দ্বিতীজন মনে করেছে পথ চলা টা খুব সহজ । তাই কোন রকম প্রস্তুতি না নিয়েই, পথের সমস্যাগুলো না বুঝে, সমাধান না শিখে হাঁটা শুরু করেছে । যা হবার তাই হবে । হোঁচট খেয়ে পড়ে যাবে । 

একবার হোঁচট খেয়ে ব্যাথা পেলে সে মনে করবে পথটাই খারাপ । আসলে পথ ঠিকই আছে । একই পথে হেঁটে অনেকেই পর্বতের চূড়ায় উঠছে । 

 

জাষ্ট নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন । ফ্রিল্যান্সিং আপনার কাছে পানির মত সহজ হয়ে যাবে এবং আপনি নিশ্চিতভাবে প্রথম মাস থেকে ইনকাম শুরু করতে পারবেন : 

১.  প্রথমে খুব সহজ কিছু কাজ শিখুন যেমন: ফেসবুক ফ্রি মার্কেটিং, ভার্চুয়াল এসিসটেন্ট, ডাটা এন্ট্রি, লিডস জেনারেশন, ফেসবুক বিজনেস পেইজ ক্রিয়েট, ইউটিউব চ্যানেল তৈরী ইত্যদি । এর মধ্য থেকে যে কোন ৪/৫ টি কাজ খুব ভালভাবে শিখুন । 

 

২. কয়েকবার টিউটোরিয়াল দেখলে আপনি কাজটি শিখতে পারবেন কিন্তুু সেই শিখা কোন কাজে আসবে না । আপনাকে দক্ষতা অর্জন করতে হবে । আর দক্ষতা অর্জনের জন্য একই কাজ কমপক্ষে ১০/১২ বার করতে হবে  ।

৩. প্রবলেম সলিউশন:  কাজটি করতে গিয়ে আপনি অনেক জায়গায় আটকে যাবেন । যেখানে আটকে যাবেন সেখানে ফোকাস করুন । সমস্যার গভীরে যান । গুগল ও ইউটিউব সার্চ করে সমস্যার সমাধান করুন । আপনি আমাদের পেইড স্টূডেন্ট হলে সকাল ১০ টা থেকে রাত ৩ টা পর্যন্ত মোট ১৬ ঘন্টা আমাদের সাপোর্ট টীম এই রকম সমস্যাগুলো সমাধান করে । তাছাড়া আমাদের টিউটোরিয়ালের মধ্যেও প্রতিটা পয়েন্টে বলা থাকে আপনি কোথায় কোথায় প্রবলেম এ পড়তে পারেন এবং সেটার সমাধান কি হবে । যাহোক প্রবলেম সলিউশন ক্যাপাবিলিটি তৈরী হলেই আপনি পরিপূর্ণ প্রফেশনাল । তখন আপনি সাবলীলভাবে কাজ করতে পারবেন । এবং অনেক বেশী সেলারী পাবেন । 

একটা উদাহরণ দিই : মনে করুন একটা ব্যাংকে ম্যানেজার এবং জুনিয়র অফিসার দুজনই এম.বি. এ পাশ কিন্তু একজন সেলারী পায় ২লাখ টাকা আর আরেকজন পায় মাত্র ২০ হাজার টাকা। পার্থক্য কি ? দুজনের তো সেইম কোয়ালিফিকেশন ! পার্থক্য হলে প্রবলেম সলিউশন ক্যাপাবিলিটি । জুনিয়র অফিসারকে যেভাবে কাজ শিখানো হবে সেইভাবে করতে পারবে আর ম্যানেজার ঐ কাজের মধ্যে যত রকম প্রবলেম হবে সকল প্রবলেম সলিউশন দিতে পারবেন । তাই আপনি যদি প্রবলেম সলভ করতে পারেন তবে আপনি সাধারণ থেকে অসাধারণ হবেন । 

 

এখন কিভাবে প্রবলেম সলিউশন স্কীল বাড়াব ? কাজের মধ্যে ডুবে থাকুন । সমস্যা আসলে ভয় না পেয়ে লেগে থাকুন । নিশ্চিতভাবে আপনি সেটার সমাধান করতে পারবেন । আর যতি সমাধান করবেন তত আপনার দক্ষতা বাড়তে থাকবে সাথে বাড়বে আপনার কনফিডেন্স । 

 

৪. কাজ শিখার পর খুব ভালভাবে স্যাম্পল তৈরী করুন । শুধু স্যম্পল তৈরী করলেই হবে না খুবই প্রফেশনাল মানের স্যাম্পল হতে হবে । আপনাকে কাজ দেয়ার আগে আপনার কাজের মান যাচাই করার জন্য বায়ার আপনার স্যাম্পল দেখতে চাইবে । ভাল স্যাম্পল দেখাতে পারলে নিশ্চিতভাবে কাজ পাবেন, বেশী সেলারীতে কাজ পাবেন । প্রতিটি কাজের জন্য কিভাবে স্যাম্পল তৈরী করবেন তা নিয়ে আমাদের প্রচুর ভিডিও আছে । 

 

৫. খুব ভাল মানের প্রফেশনাল গিগ তৈরী করতে হবে । 

 

৭. বায়ার রিকোয়েষ্ট রিপ্লাই এবং বায়ারের সাথে ইন্টারভিউ করা শিখতে হবে  । এই সংক্রান্ত আমাদের প্রচুর ভিডিও ক্লাস পাবেন ইউটিউবে । 

 

উপরের সাতটি ধাপ ফলো করতে আপনার বড়জোড় একমাস সময় লাগবে । প্রতিদিন যদি আপনি ১২ ঘন্টা করে সময় দেন তবে মোট ৩৬০ ঘন্টা । এই ৩৬০ ঘন্টা উপরের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রস্তুতি নিলে আপনি নিশ্চিতভাবে ১ম মাস থেকে ইনকাম শুরু করতে পারবেন । এবং নিশ্চিতভাবে প্রতি মাসে ৩০ হাজার প্লাস ইনাকম করতে পাবেন জাষ্ট এক মাসের প্রস্তুতি দিয়ে । এর পর আপনি যত এডভান্সড লেভেলের কাজ শিখবেন তত ইনকাম বাড়তে থাকবে । 

 

আপনার কাজ আরে সহজ করার জন্য আমি উপরের বর্ণনা অনুযায়ী সবগুলো টিউটোরিয়াল সাজিয়ে আমাদের ফ্রি কোর্স তৈরী করেছি । আপনি জাষ্ট এই লিংকটা ফলো করলে ৪০ টা টিউটোরিয়াল পাবেন, এগুলো ধারাবাহিকভাবে দেখুন ।  একদম সহজভাবে এবং ধারাবাহিকভাবে সবকিছু বুঝতে পারবেন এবং কারো সহযোগিতা ছাড়া ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন । প্রতি শনিবার রাত ৮ টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত ফ্রি স্টূডেন্টদের জন্য ফ্রি সাপোর্ট দেয়া হয় ।

 

আমাদের ফ্রি কোর্স লিংক: https://outsourcinghelp.net/freecourse/

 

ধন্যবাদ

লেখক: মো: জামাল উদ্দিন

সি. ই. ও 

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট

 

যারা এখনো ভালভাবে কম্পিউটার, ইন্টারনেট বা ইংলিশ জানেন না তারা কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন ?

আপনি যদি একদম নতুন হয়ে থাকেন অর্থাৎ কম্পিউটার, ইন্টারনেট, ইংলিশ এ একদম জিরো হয়ে থাকেন এবং ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে তেমন কিছু না জানেন তবে আপনার জন্য কোন কাজটি উপযুক্ত হবে । কিভাবে, কোন কাজ দিয়ে আপনি প্রথম মাস থেকে ইনকাম শুরু করবেন ।  বুঝিয়ে বলছি । 

১.  কম্পিউটার ও ইন্টারনেট:

একদমই যদি কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহার করতে না পারেন তবে আমাদের বেসিক কম্পিউটার ও বেসিক ইন্টারনেটের ভিডিও টিউটোরিয়াল আছে । শুধুমাত্র আমাদের এই টিউটোরিয়াল গুলো দেখেই পরিপূর্ণভাবে কম্পিউটার ও ইন্টারনেট শিখতে পারবেন । কোন কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার থেকে ৩ মাসে যা শিখবেন তার চাইতে ভালভাবে শিখতে পারবেন আমাদের এই টিউটোরিয়াল গুলো দেখে । একদমই ফ্রি ।  ভিডিওগুলো পেতে এই লিংকটি ওপেন করে : ১ নং ও ২নং এ বেসিক কম্পিটার ও বেসিক ইন্টারনেটের ভিডিওগুলো পাবেন:  https://outsourcinghelp.net/freecourse/

এগুলো আগে ভালভাবে দেখুন, শিখুন তারপর আপনি ফ্রিল্যান্সিং এর মূল কোর্স শুরু কতে পারবেন । 

২. ইংলিশ: 

অনেকেই টেনশন করেন যে ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে বায়াররের সাথে ভিডিও কলে কথা বলতে হবে । না, একদমই না । বায়াররা কখনো ভিডিও কলে কথা বলে না । সবসময় লিখে লিখে কথা বলে । কারণ কাজের বিষয়গুলো লিখে বুঝানো যত সহজ মুখে কথা বলে বুঝানে অনেক কঠিন । তাই বায়ার রা শুধুমাত্র লিখে লিখে কথা বলে । আপনি বন্ধুর সাথে যেভাবে ফেসবুকে চ্যাট করেন ঠিক সেইভাবে বন্ধুর মত বায়ার আপনার সাথে লিখে লিখে  চ্যাট করবে । যাহোক ইংলিশ নিয়ে ভয়ের কিছু নাই । 

তবে আপনি ইংলিশে যত ভাল বা যত খারাপ হোন না কেন আপনাকে ফ্রিল্যান্সিং এর উপযোগী করে ইংলিশ শিখতে হবে । জেনারেল ইংলিশ একরকম আবার ফ্রিল্যান্সিং ইংলিশ একটু ভিন্ন রকম । ফ্রিল্যান্সিং ইংলিশ হল টেকনিক্যাল ইংলিশ । কোন ইংলিশ ট্রেনিং সেন্টার ফ্রিল্যান্সিং এর উপযোগী টেকনিক্যাল ইংলিশ শেখায় না । ফ্রিল্যান্সিং ইংলিশ নিয়ে আমাদের একটা ভিডিও ক্লাস আছে । জাষ্ট এটা দেখেই আপনি পরিপূর্ণভাবে ফ্রিল্যান্সিং ইংলিশ শিখতে পারবেন ।

আমাদের ইংলিশ টিউটোরিয়াল লিংক: https://www.youtube.com/watch?v=Vr9c_1WOoxs&t=2602s

৩. উপরের লিংকগুলোর টিউটোরিয়াল দেখে বেসিক কম্পিউটার, বেসিক ইন্টারনেট এবং ইংলিশ শিখা হয়ে গেলে এখন আপনি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য প্রস্তুত । তো এখন কি করবেন: 

ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য সহজ কাজ: 

ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য সহজ কাজগুলো হল:  ফেসবুক ফ্রি মার্কেটিং, লিডস জেনারেশন, ডাটা এন্ট্রি, ভার্চুয়াল এসিসটেন্ট, ক্লাসিফাইড পোষ্টিং, লিংক বিল্ডিং, ফেসবুক বিজনেস পেইজ তৈরী, ইউটিউব চ্যানেল তৈরী ইত্যাদি । এই কাজগুলো থেকে যে কোন ৩টি কাজ খুব ভালভাবে শিখুন । কোন তিনটি শিখবেন ? যেগুলো আপনার কাছে সহজ লাগে সেগুলো শিখবেন  । 

কাজ শিখার পর ঐ কাজের জন্য গিগ তৈরী করবেন ।  েভালভাবে গিগ তৈরী করলে বিভিন্ন বায়াররা আপনার গিগ অর্থাৎ আপনার কাজের বিবরণ দেখে আপনাকে রিকোয়েষ্ট পাঠাবে । আপনার সাথে চ্যাট করবে এবং হায়ার করবে । 

পাশাপাশি আপনি ফাইভারের বাইরে বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়াতে আপনার গিগটি অর্থাৎ আপনার সার্ভিস অফারটি শেয়ার করবেন । 

মোট সময় কতদিন লাগবে:

 ৩টা কাজ শিখতে ৬ দিন, ৩ টা গিগ তৈরী করতে ৩ দিন= মোট ৯দিন ।  তারপর এপ্লাই করা, কাজ করা, জমা দেয়া, পেমেন্ট ট্রান্সফার এই সবকিছু মিলে আনুমানিক ১৫ দিন । 

তার মানে আপনি যদি আজ ডিটারমাইন্ড হয়ে বসে যান যে আপনি এক মাসের মধ্যে ইনকাম শুরু করবেন  এবং প্রতিদিন ১২ ঘন্টা করে সময় দেয়ার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন তাহলে ১০০% নিশ্চিত যে আপনি ১ম মাস থেকে ইনকাম শুরু করতে পারবেন । 

আর যদি কোন রকম চেষ্টা করেন তাহলে বছরের পর বছর চলে যাবে কিন্তু সফল হওয়া যাবে না । 

কিভাবে এগুলো শিখব:

আপনাকে এগুলো শিখার জন্য এক টাকাও খরচ করতে হবে না । জাষ্ট আমাদের ওয়েব সাইটের ফ্রি কোর্স বাটনে  সবকিছু খুব সুন্দরভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে দেয়া আছে । কাজ, গিগ তৈরী, স্যাম্পল তৈরী, বায়াররের সাথে ইন্টারভিউ ইত্যাদি সবকিছু খুব সুন্দরভাবে গুছিয়ে দেয়া আছে । আপনি শুধুমাত্র ১ নং ভিডিও থেকে ৪০ নং ভিডিও পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে দেখে যাবেন । 

ভিডিও ক্লাস দেখবেন এবং ভিডিও ক্লাসে যা শিখানো হয়েছে তা শিখবেন, যেভাবে প্র্যাকটিস করতে বলা হয়েছে সেভাবে প্র্যাকটিস করবেন । কোথাও কোন প্রবলেম হলে প্রতি শনিবার রাত ৮টায় আমাদের ফ্রি সাপোর্ট এ আসবেন ।  

শুধুমাত্র এই ৩টি কাজ দিয়েই আপনি প্রতি মাসে ২০/৩০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন । তারপর এডভান্সড লেভেলের কাজগুলো শিখাতে প্রতিদিন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল থেকে প্রতিদিনের এডভান্সড ক্লাসগুলো দেখে কঠিন কাজগুলো শিখুনা । যত কঠিন কাজ শিখবেন তত ইনকাম বাড়াতে থাকবে । ক্রমান্বয়ে আপনি মাসে ৭০/৮০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন ।


এখন দুনিয়ার সবকিছু বাদ দিয়ে জাষ্ট এই লিংকে ক্লিক করে ধারাবাহিকভাবে ভিডিওগুলো দেখুন এবং প্র্যাকটিস করুন । ভিডিও গুলো নতুনদের জন্য উপযোগী তাই আপনার বুঝতে বিন্দুমাত্র সমস্যা হবে না। 

ফ্রি কোর্স লিংক:  https://outsourcinghelp.net/freecourse/

কোথায় সহজে ফ্রিল্যান্সিং জব পাবেন ?

 

মূলত কয়েক ভাবে ফ্রিল্যান্সিং কাজ পাওয়া যায়:

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস থেকে:

অনেকগুলো ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস আছে যেমন : Fiverr, Upwork, People per hour, Freelancer.com, Microworkers  ইত্যাদি । এই সকল মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট খুলতে হবে, সেখানে খুব সুন্দরভাবে প্রোফাইল তৈরী করে এপ্লাই করতে হবে । তবে একাউন্ট খোলার আগে অবশ্যই অবশ্যই আপনাকে ভালভাবে কাজ শিখতে হবে । কাজ না শিখে এপ্লাই করলে আপনার একাউন্ট সাসপেন্ড হয়ে যাবে ।

সোস্যাল মিডিয়া:

ফেসবুকের বিভিন্ন বায়ার গ্রুপ, বা জব গ্রুপ যেমন: Digital marketing group, Graphic design group, web development group. এই রকম বিভিন্ন কাজ সংক্রান্ত গ্রুপে  প্রচুর বায়ার কানেক্ট থাকে । আপনি কি কি কারতে পারবেন তা বিস্তারিত লিখে একটি সুন্দর ব্যানর সহ পোষ্ট করলে প্রচুর বায়ার আপনাকে নক করবে । খুব সহজেই আপনি কাজ পাবেন ।

ফেসবুক ছাড়াও ইন্সটাগ্রাম, টুইটার, লিংকডইন ইত্যাদি । তবে সবচাইতে ইফেক্টিভ হল লিংকড ইন । বায়ারের খনি বলা হয় লিংকড ইনকে ।

ট্রেডিশনাল জব সাইট:

বাংলাদেশের একটি ট্রেডিশনাল জব সাইট হল bdjobs.com,  বাংলাদেশে এই রকম আরো অনেকগুলো জব সাইট আছে যেখানে সকল ধরনের চাকরী পাওয়ার যায় । এগুলো ফ্রিল্যান্সিং জব সাইট না, সাধারণ জব সাইট । কিন্তু এই সাধারণ জব সাইটে আপনি আপনার চাকরী খুঁজতে পারবেন । যেমন আপনি এই সকল জব সাইটে ” Digital Marketing, Grphic design, web development, ইত্যাদি লিখে সার্চ করলে প্রচুর চাকরী পাবেন । এই চাকরীগুলো আপনি চাইলে তাদের অফিসে গিয়ে করতে পারবেন আবার চাইলে নিজের ঘরে বসেও করতে পারবেন ।

ঠিক এই রকম পৃথিবীর প্রত্যেক দেশে এক বা একাধিক ট্রেডিশনাল জব সাইট আছে । দেশের নাম দিয়ে গুগলে সার্চ করলেই পাবেন । যেমন: job site in Zermany, Job site in india, Job site in Italy  ইত্যাদি । এই ভাবে সারা বিশ্বব্যাপী প্রত্যেক দেশে আপনি জব সার্চ করতে পারবেন । কোম্পানী যে দেশেরই হোক না কেন আপনি নিজের ঘরে বসে কাজ করতে পারবেন । কোম্পানী আপনার ব্যাংক একাউন্টে টাকা জমা দিবে ।

ক্রেইগলিষ্ট:

সারা পৃথিবীর সবচাইতে বড় চাকরীদাতা সাইট হল আমেরিকার Craigslist.com  আপনি ক্রেগলিষ্ট এর মাধ্যমে আমেরিকার ৫০ টি স্টেটে জব সার্চ করতে পারবেন ।  প্রচুর চাকরী আপনি এইভানে পাবেন । মনের সুখে এপ্লাই করতে থাকুন ।

সরাসরি বায়ার:

মনে করুন আপনি বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যালস সেক্টরে চাকরী পেতে চাচ্ছেন । তাহলে আপনি গুগলে সার্চ করুন: Pharmaceuticals Company Bangladesh List   এইভাবে বাংলাদেশের সবগুলো ঔষধ কোম্পানীর ওয়েবসাইট পাবেন । এখন এই প্রত্যেক কোম্পানীর কন্টাক্ট অপশনে যান – সেই কোম্পানীর ইমেইল পাবেন । এখন আপনি তাদেরকে আপনির সিভি মেইল করতে পারেন ।

তবে শুধু সিভি মেইল করলে কোন লাভ হবে না । খুব সুন্দভাবে গুছিয়ে লিখতে হবে আপনি কেন তাদের কোম্পানীতে কাজ করতে চান, আপনি তাদেরকে কি কি বেনিফিট দিতে পারবেন বা তাদের কি কি সমস্যা সমাধান করতে পারবেন ।

এইভাবে আপনি সারাপৃথিবীর যে কোন দেশের যে কোন সেক্টরেরর সকল কোম্পানীকে খুঁজে বের করতে পারবেন এবং সেই সকল কোম্পানীতে জব এপ্লাই করতে পারবেন । আপানর এক টাকাও খরচ হবে না  ।

সুতরাং বুঝতেই পারছেন সারা বিশ্বব্যাপী আপনি এপ্লাই করতে পারবেন । আপনি শুধু বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে সীমাবন্ধ নয় । সবচাইতে মজার বিষয় হল যতই এপ্লাই করেন আপনার এক টাকাও খরচ হবে না । এপ্লাই করবে অনলাইনে , সিভি পাঠাবেন অনলাইনে, ইন্টারভিউ, কাজ করা, জমা দেয়া, পেমেন্ট নেয়া সবকিছুই অনলাইনে । আপনার অতিরিক্ত কোন খরচ হবে না । কোন ব্যাংক ড্রাফট বা চালন বা পরীক্ষার ফিস লাগবে না ।

আরো মজার বিষয় হল সারা বিশ্বব্যাপী চাকরী প্রার্থী খুবই কম কিন্তু চাকরী দাতা অনেক বেশী । সুতরাং চাকরীর কোন অভাব নাই । এখন দরকার শুধু খুব ভালভাবে কাজ শিখা ।

লেখক মো: জামাল উদ্দিন

সি. ই. ও

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট ।

আপনাদের জন্য এই সংক্রান্ত দুইটি ভিডিও বানিয়েছি । দেখুন:

১.  https://www.youtube.com/watch?v=O41KHdEiktM

২.  https://www.youtube.com/watch?v=vFCbqu3gKJw&t=13s

 

 

ফ্রিল্যান্সিং করতে কি রকম কম্পিউটার লাগবে ?

ল্যাপটপ নাকি ডেক্সটপ:

ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য অবশ্যই ল্যাপটপ ভাল হবে । কারণ এটি পোর্টেবল, যেখানে ইচ্ছা সেখানে নিয়ে যেতে পারবেন এবং ইলেকট্রিসিটি চলে গেলেও ব্যাটারী ব্যাকআপ পাবেন । তাছাড়া ল্যাপটপের সাথে মাইক্রোফোন, ওয়েব ক্যাম এবং ওয়াই ফাই ডিভাইস ইত্যাদি প্রয়োজনীয় সকল কম্পোনেন্ট লাগানো থাকে যেগুলো ডেক্সটপে থাকে না । যার ফলে সবদিকের বিবেচনায় ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য ল্যাপটপই বেষ্ট । 

কিন্তু যদি আপনার আগে থেকে ডেক্সটপ থেকে থাকে তাহলে ওইটা দিয়েই কাজ চালাতে পারবেন জাষ্ট ইলেকট্রিসিটি বেকাপ এর জন্য একটি ইউ.পি. এস কিনতে পারেন । 

কি রকম কনফিগারেশন লাগবে:

৪ জি.বি র‌্যাম, ২৫৬ জিবি হার্ডডিক্স, ১৪ ইঞ্চি মনিটর, Core i3 প্রসেসর । এতটুকু হলেই অনেক ভালভাবে ফ্রিল্যান্সিং করা যাবে । এটা হল মিনিমাম কনফিগারেশন  তবে এর চাইতে বেশী হলে কোন সমস্যা নাই । 

নতুন নাকি পুরাতন:

নতুন বা পুরাতন কোন ব্যাপার না । কাজ হলেই হবে । আমাদের বেশীরভাগ স্টূডেন্ট পুরাতন ল্যাপটপ দিয়েই শুরু করে এবং ২/৩ মাস পর ফ্রিল্যান্সিং এর ইনকাম দিয়েই নতুন ল্যাপটপ কেনে । 

ধন্যবাদ

মো: জামাল উদ্দিন

সি. ই. ও 

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট

Website: https://outsourcinghelp.net/

লোডশেডিং এর সময় কিভাবে ওয়াই ফাই  চালাবেন ?

 

ইলেকট্রিসিটি চলে গেলেই ওয়াই-ফাই বন্ধ হয়ে যায় । আসলে আপনার ইন্টারনেট সেবা ঠিকই চালু থাকে জাষ্ট আপনার রাউটার বন্ধ হয়ে যায় । কোন ভাবে বিকল্প পাওয়ার সোর্স দিয়ে যদি আপনার রাউটারটি চালু রাখতে পারেন তবে আপনি লোড শেডিং এর মধ্যেও নিরবিছিন্ন ইন্টারনেট সেবা পাবেন । 

এটার জন্য জাষ্ট আপনার ওয়াই ফাই রাউটারের সাথে একটি মিনি ইউ.পি. এস লাগিয়ে ফেলুন । এই মিনি ইউ.পি. এস  বিদ্যুত না থাকলেও ৮ ঘন্টা আপনার রাউটারকে চালু রাখবে । এটার সাইজ হল একটি মোবাইল ফোনের সমান । 

 যেকোন অনলাইন শপ বা সরাসরি কম্পিউটারের দোকনে পাবেন । ডিভাইসটির আনুমানিক মূল্য ১,৫০০ টাকা । 

জাষ্ট গুগলে সার্চ করুন: “mini ups for router price in bangladesh”

ধন্যবাদ

মো: জামাল উদ্দিন, 

CEO, 

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট

https://outsourcinghelp.net/

 

 

কিভাবে প্রথম মাস থেকে ফ্রিল্যান্সিং ইনকাম শুরু করবেন ?

 

ধরে নিচিছ ফ্রিল্যান্সিং সংক্রান্ত আপনার তেমন কোন আইডিয়া নাই আর কম্পিউটার, ইন্টারনেট এবং ইংলিশের স্কিল একদম বেসিক লেভেলের । তাহলে এখান থেকে শুরু করে কিভাবে আপনি প্রথম মাস থেকে ইনকাম শুরু করবেন তার শর্টকাট টেকনিকগুলো বলছি:

১.  খুব সহজ কাজ দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করুন । যেমন: ফেসবুক ফ্রি মার্কেটিং, লিডস জেনারেশন, লিংক বিল্ডিং, ভার্চুয়াল এসিসটেন্ট, ক্লাসিফাইড পোষ্টিং, ফেসবুক বিজনেস পেইড ক্রিয়েট এবং ইউটিউব চ্যানেল তৈরী ইত্যাদি । কঠিন কাজ দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করলে ৬ মাসের আগে ইনকাম ইনকাম করা খুব কঠিন হবে তাই শুরুতে এই সহজ কাজগুলো দিয়ে শুরু করুন । তারপর ক্রমান্বয়ে কঠিন কাজগুলো শিখুন । যত বেশী এডভান্সড লেভেলের কাজ শিখবেন তত ইনকাম বাড়তে থাকবে । 

 

২.  আপনি যে ভাল কাজ পারেন তার প্রমাণ হিসেব খুব ভাল মানের স্যাম্পল তৈরী করুন । কাজ দেয়ার আগে বায়ার আপনার স্যাম্পল দেখতে চাইবে । স্যাম্পল যদি ভাল হয় তাহলে সে আপনাকে নিশ্চিতভাবে কাজ দিবে এবং বেশী রেইটে কাজ দিবে । ভাল স্যাম্পলের মাধ্যমে অনেক ফ্রিল্যান্সারের ভিড়ে আপনি নিজের যোগ্যতা তুলে ধরতে পারবেন । 

 

৩.  প্রফেশনাল মানের গিগ তৈরী করুন যেন বায়ার আপনার গিগটি দেখেই মুগ্ধ হয় এবং আপনার জ্ঞনের গভীরতা অনুধাবন করতে পারে । 

 

৪.  গিগ পাবলিশ করার পর অনেক বায়ার আপনাকে রিকোয়েষ্ট পাঠাবে ।  ভালভাবে বায়ার রিকোয়েষ্ট রিপ্লাই করা শিখুন । অনেকেই মনে করে জাষ্ট ২/৪ লাইনে বায়ার রিকোয়েষ্ট রিপ্লাই করলেই হয় । একদমই না । এটা একটা টেকনিক্যাল বিষয় । কাজের প্রতিটা সেনসেটিভ পয়েন্ট যে আপনি কোয়লিটি দিয়ে করতে পারবেন তা বুঝাতে হবে ।  খুব ভালভাবে বায়ার রিকোয়েষ্ট রিপ্লাই এর হিডেন সিক্রেট বিষয়গুলো আপনাকে শিখতে হবে  ।

 

৫.  আপনার রিপ্লাই বায়ারের পছন্দ হলে সে আপনার সাথে ইন্টারভিউ অর্থাৎ লিখে লিখে চ্যাট করবে । ইন্টারভিউ করার সময় আপনি কত ভালভাবে তার জন্য কাজটি করতে পারবেন, আপনি কেন কাজটি করার জন্য যোগ্য তা ভালভাবে বুঝাবেন । সেলারী কম চাইলে বায়ার কখনো ইমপ্রেস হবে না বরং আপনাকে অযোগ্য মনে করবে । তাই যৌক্তিক সেলারী চাইবেন । আপনি যদি টেকনিকগুলো শিখেন তাহলে নিশ্চিতভাবে বায়ারকে কনভিন্সড করতে পারবেন এবং সে আপনাকে হায়ার করবে । তারপর কাজ করবেন জামা দিবেন এবং আপনার ব্যাংক একাউন্টে সেলারী জমা হবে । 

 

৬. ফাইভারের, আপওয়ার্ক ইত্যাদি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসের বাইরে ফেসবুক, টুইটার, ইন্সটাগ্রাম এবং লিংকড ইন থেকে প্রচুর কাজ পাওয়া যায় এবং বড় বড় বায়ার পাওয়া যায় । ফ্রিল্যান্সিং এর বেশীরভাগ কাজই এই সকল সোস্যাল মিডিয়াতে পাওয়া যায় । আপনাকে শিখতে হবে কিভাবে এই সোস্যাল মিডিয়াগুলো থেকে কিভাবে বায়ার পাবেন এবং তাদের সাথে যোগাযোগ করবেন । 

 

৭. আপনি বড় বড় বিদেশী কোম্পানীতে সরাসরি জব সিভি সাবমিট করে কাজ পাবেন । 

৮. Craigslist.com হল আমেরিকার সবচাইতে বড় চাকরিদাতা সাইট । এখানে খুব ভাল রেইটে অসংখ্য জব পাবেন  

 

৯.  বাংলাদেশের একটি ট্রেডিশনাল জব সাইট হল bdjobs.com  ঠিক তেমনি সারা পৃথিবীর প্রত্যেকটি দেখে এই রকম জবসাইট আছে । যে দেশে জব করতে চান সেই দেশের ট্রেডিশনাল জবসাইট খুঁজে বের করুন এবং সেখানে এপ্লাই করুন । 

কাজ পাওয়ার এতগুলো ওয়ে দেখে টেনশনের কিছু নাই । যে কোন একটাতে কাজ পেলে বাকীগুলো ট্রাই করতে হবে না ।  

 

পরিশেষে এটাই বলব আপনি যদি ভালভাবে কাজ শিখেন, প্রফেশনাল গিগ তৈরী করেন, হাই কোয়ালিটি স্যাম্পল তৈরী করেন, বায়ার রিকোয়েষ্ট রিপ্লাই ও ইন্টারভিউর টেকনিকগুলো শিখে এবং  কাজ পাওয়ার জন্য যতগুলো মাধ্যম উপরে বললাম সবগুলো মাধ্যমে যদি কাজ পাওয়ার ট্রাই করেন তাহলে নিশ্চিতভাবে আপনি প্রথম মাস থেকে ইনকাম শুরু করতে পারবেন ইনশাল্লাহ । 

 

অনেকেই সফল হয় না না সঠিকভাবে না জানার কারণে বা ভুল গাইডলাইনের কারণে ।  এখন আপনি উপরের সবকিছু ভুলে গিয়ে জাষ্ট আমাদের এই ফ্রি কোর্সের লিংকটি ফলো করুন । এখানে আমি উপরের বর্ণনা অনুযায়ী সবগুলো টিউটোরিয়াল সাজিয়ে দিয়েছি । আপনি শুধুমাত্র প্রতিদিন ১২ ঘন্টা সময় দিবেন এবং ভিডিওগুলো দেখবেন, শিখবেন, প্র্যাকটিস করবেন, এপ্লাই করবেন । ইনশাল্লাহ আপনি সফল হবেনই হবেন । 

লেখক

মো: জামাল উদ্দিন

CEO

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট

আমাদের ফ্রি কোর্স লিংক:  ফ্রি কোর্স লিংক: https://outsourcinghelp.net/freecourse/

 

 

কোন কোন উপায়ে অনলাইন থেকে আয় করা যায় অর্থাৎ ফ্রিল্যান্সিং করা যায় ?

 

অনেক অনেক ভাবে অনলাইন থেকে আয় করা যায় অর্থাৎ ফ্রিল্যান্সিং করা যায় । সবগুলো ইনকাম সোর্স সম্পর্কে জানাটা খুব জরুরী । কারণ একটাতে না হলে আরেকটাতে নিশ্চিতভাবে সফলতা পাবেন । 

ফ্রিল্যান্সিং ইনকামের সোর্সগুলো কি কি:

 

১. মার্কেটপ্লেস থেকে আয়:

Fiverr, Upwork, Freelancer dot com, People per Hour, Get a Coder ইত্যাদি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটিপ্লেসে বায়ারের কাজ করা । সাধারণত সবাই মনে করে এটাই একমাত্র ফ্রিল্যান্সিং ! কিন্তু এটি ফ্রিল্যান্সিং এর একটি শাখা মাত্র । 

 

২.  ইউটিউব চ্যানেল তৈরী করে ইনকাম: 

খুব সহজে একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরী করে সেখানে  ভিডিও আপলোড করে আয় করতে হবে । আপনার ভিডিওতে ইউটিউব বিভিন্ন কোম্পানীর বিজ্ঞাপন দেখাবে । ইউটিউবের বিজ্ঞাপন থেকে যা আয় হবে তার ৫০% আপনাকে দিবে । মোটামেটি এক লাখ সাবসক্রাইবার আছে এই রকম চ্যানেল থেকে মাসে আনুমানিক ৩০- ৫০ হাজার টাকা এবং ৫ লাখের বেশী সাবসক্রাইযুক্ত চ্যানেল থেকে আনুমানিক মাসে ২ লাখ টাকার বেশী ইনকাম হয়  । প্রতি মাসের ২৫ তারিখ ইউটিউব সরাসরি আপনার ব্যাংক একাউন্টে টাকা জমা করে দিবে । 

 

৩.  ফেসবুক পেইজ থেকে ইনকাম:

একটি ফেসবুক পেইজ তৈরী করে সেখানে প্রতিদিন বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তথ্যভিত্তিক বা মানুষের কাজে লাগে এমন পোষ্ট বা ভিডিও দিতে হবে । আপনার সেই সকল কন্টেন্ট যখন মানুষ দেখবে তথন ফেসবুক সেগুলোর উপর বিভিন্ন কোম্পানীর বিজ্ঞাপন দেখাবে । এতে ফেসবুকের বিজ্ঞাপন থেকে যে আয় হবে তার ৫০% আপনাকে দিবে । সেইম ইউটিউবের মত । 

 

৪. এমাজন এফিলিয়েটস মার্কেটিং:

আপনি এমাজনের এক বা একাধিক পণ্যের লিংক নিয়ে ফেসবুক, ইউটিউব  এবং গুগলে প্রচার চালাতে পারেন । আপনার এই এফিলিয়েট লিংকে ক্লিক করে কেউ এমাজন থেকে ঐ প্রোডাক্ট কিনলে তারা আপনাকে ৫%-৩০% কমিশন দিবে । 

 

৬.  টি শার্ট ডিজাইন বাই টি-স্প্রীং:

TeeSpring নামের একটি কোম্পানী আছে যেখানে আপনি টি শার্টে প্রিন্ট করার জন্য বিভিন্ন ডিজাইন জমা রাখতে পারবেন । যত বেশী মানুষ আপনার ডিজাইনটি কিনতে তার একটা পারসেন্টেজ আপনাকে তারা দিবে । অর্থাৎ আপনার তৈরী করা ডিজাইনটি তারা টি শার্টে প্রিন্ট করে কাষ্টমারকে ডেলিভারী করবে । একটি ট্রেন্ডি ডিজািইন তৈরী করলে একটা ডিজাইনই হাজার হাজার বিক্রি হয় এবং জাষ্ট একটি থেকেই ৫/৭ লাখ টাকা আয় হয় ।

 

৭.  অনলাইনে টিউশন: 

আপনি যদি বাংলাদেশ টিউশনী করে থাকেন তাহলে খুব সহজে আপনি জুমের মাধ্যমে ইউরোপ আমেরিকাতে প্রাইভেট টিউটর হিসেবে কাজ করতে পারবেন । একটি টিউশনীতে মিনিমাম সেলারী ১০০০ ডলার মানে প্রায় এক লাখ টাকা । অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি । কারণ ১০০০ ডলার তাদের জন্য খুবই সামান্য একটা এমাউন্ট । 

 

৮.  ফটোগ্রাফি:

আপনি যদি ফটো তুলতে পছন্দ করেন তাহলে আপনার সেই ফটোগুলো Shutter Stock  এ রেখে বিক্রি করতে পারেন । এই ফটোগুলো অনেক মানুষ কিনবে । আপনি তার ৫০% পেমেন্ট পাবেন । 

 

৯. CPA মার্কেটিং:  

আপনি বিভিন্ন কোম্পানীর লিংক ও ল্যান্ডিং পেইজ প্রমেট করে ইনকাম করতে পারেন । তবে আমার এটিকে না করার পরামর্শ দিই । কারণ এতে পুরোপুরি ইথিক্যাল নয় এবং পরিশ্রম বেশী সেই তুলনায় টাকা কম । 

 

আমার মনে হয় আপনি পড়তে পড়তে ক্লাস হয়ে গিয়েছেন । আরো অনেক পদ্ধতি আছে সেগুলো আরেক পোষ্টে বলব । 

তবে একটি বিষয় মনে রাখবেন যদি কখনো আপনাকে কোথাও টাকা ইনভেষ্ট করতে বলে নিশ্চিত হবেন সেটা ভুয়া ।  ফ্রিল্যান্সিং কোন ব্যবসা নয় । এখানে টাকা কামাতে হবে শুধুমাত্র মাথা দিয়ে । 

 

উপরোক্ত বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের  পরিপূর্ণ টিউটোরিয়াল নিচে দেয়া হল । এগুলো স্টাডি করে আপনি কোন খরচ না করেই ইনকাম শুরু করতে পারবেন । 

 

অনলাইনে টিউশন কিভাবে করবেন: https://www.youtube.com/watch?v=mIUrAwovjo0&t=1s

এফিলিয়েটস মার্কেটিং : https://www.youtube.com/watch?v=SI4GR11v5Hc

কোন কাজ শিখে সহজে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা যাবে:  https://www.youtube.com/watch?v=ug_g1PMBZ80&t=74s

 

ফটো ‍তুলে আয়:

https://www.youtube.com/watch?v=3cbkAcwCC88

ইউটিউব চ্যানেল তৈরী করে কিভাবে আয় করবেন : https://www.youtube.com/watch?v=_VRLduDiSP8&t=28s

ফেসবুক পেইজ তৈরী : https://www.youtube.com/watch?v=jep3HPgNLqE&t=31s

 

ধন্যবাদ

লেখক: মো: জামাল উদ্দিন

CEO

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউ

 

 

ফ্রিল্যান্সিং এর ইনকাম কিভাবে হাতে পাবেন ?

 

বিভিন্ন রকম ফ্রিল্যান্সিং ইনকাম বিভিন্ন মাধ্যমে আসে  । নিচে বিস্তারিত বলা হল:

১. মার্কেটপ্লেস এর ইনকাম:

আপনি যদি ফাইভার, আপওয়ার্ক বা অন্য কোন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ করেন তবে এই টাকা আপনাকে মর্কেটেপ্লেস থেকে আপনার Payoneer একাউন্টে নিয়ে আসতে হবে । তারপর এখান থেকে সরাসরি আপনার ব্যাংক একাউন্ট বা বিকাশে ট্রান্সফার দিতে পারবেন । টোটাল সময় লাগবে ২ দিন । 

 

২. সরাসরি বায়ারের সেলারী ট্রান্সফার:

মার্কেটপ্লেসে কাজ না করে আপনি যদি সরাসরি বায়ারের সাথে মাসিক বেতন ভিত্তিতে স্থায়ী চাকরী করলে তার দেয়া বেতন সরাসরি আপনার ব্যাংক একাউন্টে নিতে পারবেন । যদি বায়ার ব্যাংকের মাধ্যমে দিতে না চায় তবে আপনার Payoneer একাউন্টে ট্রান্সফার নিতে পারবেন । তাছাড়া সে চাইলে Western Union, Ria, Money Gram ইত্যাদির মাধ্যমে পাঠাতে পারে । 

 

৩.  ফেসবুক ও ইউটিউবের ও এমাজনের ইনকাম ট্রান্সফার:

আপনার ব্যাংক একাউন্ট যুক্ত করে রাখলে অটোমেটিক প্রতি মাসের ২৫ তারিখ আপনার ব্যাংক একাউন্টে টাকা জমা হবে  ।

https://outsourcinghelp.net/

 

৪. পেপ্যল:

সারা বিশ্বব্যাপী টাকা ট্রান্সফারের সবচাইতে জনপ্রিয় মাধ্যম হলে Paypal.  কিন্তু বাংলাদেশ থেকে এটি ব্যবহার করা যায় না ।  পেপ্যাল ছাড়াই আমরা প্রায় ২ যুগ ধরে সুখে-শান্তিতে ফ্রিল্যান্সিং করে আসছি । কিন্তু যদি আপনাকে কোন কারণে পেপ্যাল ব্যবহার করতেই হয় তাহলে বাংলাদেশ থেকে পেপ্যাল একাউন্ট খোলার চেষ্টা করবেন না । আপনার বিদেশে থাকা কোন বন্ধু , আত্নীয় বা কোন পরিচিতজনকে বলবেন একটি পেপ্যাল একাউন্টে খুলে নিতে । সে মাত্র ৫ মিনিট তার মোবাইল থেকে পেপ্যাল একাউন্ট খুলতে পারবে । তারপর তার পেপ্যাল একাউন্টটি আপনি বায়ারকে দিবেন এবং বায়ার  পেপ্যাল নাম্বারে টাকা পাঠিয়ে দিবে । বিদেশে থাকা আপনার আত্নীয় নরমালি টাকা তুরে আপনাকে পাঠাবে । 

 

এভাবে বিকল্প উপায়ে পেমেন্ট ট্রান্সফার করতে পারবেন । 

 

লেখক: মো: জামাল উদ্দিন

CEO, আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউ

ওয়েবসাইট: https://outsourcinghelp.net/ 

 একদম নতুনরা যে ৩টি কাজ শিখে ১ম মাস থেকেই ফ্রিল্যান্সিং ইনকাম শুরু করতে পারবেন ?

আপনি যদি খুব দ্রুত অর্থাৎ প্রথম মাস থেকে ইনকাম শুরু করতে চান তাহলে প্রথম মসে খুব সহজ ৩টি কাজ শিখুন, সেই তিনটা কাজের জন্য সম্পল তৈরী করুন, এবং খুব ভাল মানের গিগ তৈরী করুন । এই ভাবে প্রতিটি কাজ শিখতে বড়জোড় ২ দিন লাগবে কারণ কাজগুলো খুব সহজ । এইভাবে ১৫ দিনের মধ্যে আপনি পরিপূর্ণ প্রস্তুতি নিতে পারবেন । ১৫ দিন পর থেকেই আপনি কাজ পাবেন এবং ইনকাম শুরু হবে ইনশাল্লাহ ।

 

শুধুমাত্র ৩ টা সহজ কাজ শিখেই আপনি প্রথম মাস থেকে ইনকাম শুরু করতে পারবেন এবং নিশ্চিতভাবেই প্রতি মাসে ২০/৩০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন ।  তবে মনে রাখবেন এটা করার জন্য আপনাকে অবশ্যই প্রথম ১৫ দিন দৈনিক ১২ ঘন্টা করে সময় দিতে হবে কাজ শিখা এবং প্র্যাকটিস করার জন্য । 

 

কি কি কাজ শিখব:

১০ টা কাজের নাম বলছি । এর মধ্য থেকে আপনার পছন্দমত যে কোন ৩ টা শিখলেই হবে । কোন ৩টা শিখব ? যেটা আপনার ভাল লাগে সেটা শিখুন । একটি কঠিন মনে হলে আরেকটি শিখুন । 

সহজ কাজগুলো হল:

ফেবুক ফ্রি মার্কেটিং

ক্লাসিফাইড পোষ্টিং

লিংক বিল্ডিং

লিডস জেনারেশন

ফেসবুক বিজনেস পেইজ তৈরী

ইউটিউব চ্যালেল তৈরী

ডাটা এন্ট্রি

ভার্চুয়াল এসিসটেন্ট

ওয়েব রিসার্চ

 

কিভাবে শিখব:

পরিপূর্ণ প্রফেশনালভাবে কাজগুলো শিখা, স্যাম্পল ও গিগ তৈরী করা এই সবকিছু নিয়ে আমার টিউটোরিয়াল আছে । এগুলো একদমই ফ্রি । আমাদের এই ফ্রি কোর্সের লিংকে আপনি সাজানো গোছানো অবস্থায় সবকিছু পাবেন । আপনাকে এক টাকাও খরচ করতে হবে না ।

আমাদের ফ্রি কোর্স লিংক:  https://outsourcinghelp.net/freecourse/

 

এডভান্সড লেভেলের কাজগুলো কিভাবে শিখব:

যখন আপনি সুখে শান্তিতে মাসে ২০/৩০ হাজার টাকা ইনকাম করতে থাকবেন তারপর এডভান্সড লেভেলের কাজগুলো শিখুন । যত বেশী এডভান্সড লেভেলের কাজগুলো শিখবেন ততই ইনকাম বাড়তে থাকবে । আমাদের এই লিংকে সবগুলো এডভান্সড কাজের টিউটোরিয়াল সাজিয়ে দেয়া আছে ।

এডভান্সড কাজের লিংক: https://outsourcinghelp.net/class-record/

এখানে আমরা অনেকগুলো এডভান্সড লেভেলের কাজ শিখিয়েছি ।  এখান থেকে জাষ্ট ২ টা কাজ ভালভাবে শিখলে ইনশাল্লাহ প্রতি মাসে ৭০/৮০ হাজার টাকা করে ইনকাম করা যাবে । 

 

প্রবলেম হলে কি করব:

ফ্রি স্টূডেন্টদেরকে আমরা সাপোর্ট দিয়ে থাকি প্রতি শনিবার রাত ৮টা থেকে ১১ টা । ( বিদ্র: পেইড স্টূডেন্টদেরকে সাপোর্ট দেয়া হয় সপ্তাহে প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে রাত ৩টা = প্রতিদিন ১৬ ঘন্টা ।)

ফ্রি সাপোর্ট এর লিংক দেয়া হয় আমাদের ফেসবুক পেইজে প্রতি শনিবার রাত ৮টায় । 

 

সকল টেনশন, চিন্তা, হতাশাকে ছুটি দিয়ে জাষ্ট একমাসের জন্য কম্পিউটারের সামনে বসে যান । ইনশাল্লাহ নিশ্চিতভাবে আগামী মাস থেকেই নিশ্চিতভাবে ইনকাম শুরু হবে । 

ধন্যবাদ

লেখক: মো: জামাল উদ্দিন

CEO

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট

 সরকারী চাকরীর চাইতে ফ্রিল্যান্সিং কেন ভাল ?

আমার এই কথা শুনে কিছু মানুষ হাসবে কারণ তাদের মতে সরকারী চাকরীর সাথে ফ্রিল্যান্সিং এর তুলনাই হতে পারে না । কোথায় কি !

যাহোক যারা এইভাবে চিন্তা করছেন তারা ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে কতটুকু জানেন ? খুব বেশী না । জাষ্ট এতটুকু ধারণা আছে যে ফ্রিল্যান্সিং করে ডাটা টাইপ করে টুকটাক কিছু ইনকাম করা যায় । এর বেশী কিছু তারা জানেন না । তাই স্বাভাবিকভাবেই তারা হাসবে । 

যাহোক তারা হাসতে থাকুক । তবে যারা ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার সম্পর্কে ভালভাবে জানেন শুধুমাত্র তারাই নিচের তুলনাগুলো পড়ুন:

১. সরকারী চাকরী পেতে কয়েক বছর প্রিপারেশন নিতে হয় । কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং ইনকাম শুরু করতে মাত্র কয়েক মাসের পড়াশুনাই যথেষ্ঠ । 

২. সরকারী চাকরী পেতে মামা-চাচা ধরতে হয় কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে এগুলোর কিছুই লাগে না  ।

৩. সরকারী চাকরী পাওয়ার সম্ভাবনা ১ % এর ও কম । কারণ একটা পদের বিপরীতে কয়েকশত জন এপ্লাই করে । কিন্তু আপনি আন্তরিকভাবে চেষ্টা করলে ফ্রিল্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা ১০০%

৩. চাকরী পাওয়ার পর বেতন হয় আনুমানিক ৩০/৪০ হাজার । কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং করে ৬ মাস পর থেকেই নিশ্চিতভাবে ৫০ হাজার টাকার বেশী ইনকাম করা যায় ।

৪. দুই বছর পর সরকারী চাকরীজীবীর বেতন হয় আনুমানিক ৫০ হাজার আর ফ্রিল্যান্সারের আয় হতে থাকে প্রতি মাসে ২ লাখ টাকার বেশী । আর এই ইনকাম ক্রমান্বয়ে বাড়তেই থাকে । 

৫.  একজন সরকারী চাকরীজীবী সারা জীবন যা আয় করে একজন ফ্রিল্যান্সার মাত্র কয়েক বছরেই  তা করতে পারে । 

৬.  স. চাকরী চলে যাওয়ার ভয় থাকে কিন্তু ফ্রিল্যান্সার এর চাকরী যাওয়ার কোন ভয় নাই । কারণ আজকে একটি চাকরী ছাড়লে আজকেই আরো ৩টি চাকরি ম্যানেজ করতে পারবে । 

৭.  একজন ফ্রিল্যান্সার আরো দশ জনকে চাকরী দিতে পারে কিন্তু স. চাকরীজীবীরা সেটা পারে না । ফ্রিল্যান্সাররা দেশের বেকার সমস্যা দূরীকরণে ভূমিকা রাখতে পারছে । 

৮.  ফ্রিল্যান্সাররা দেশর বাইরে থেকে ফরেন কারেন্সি এনে দেশের রিজার্ভ সমৃদ্ধ করছে যেট দিয়ে সরকার দেশের জন্য খাদ্য কিনতে পারে । কিন্তু একজন চাকরীজীবী যতই বেতন পাক না কেন তাতে বাইরে থেকে এক পয়সাও আসছে না । 

৯. সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ হল একজন ফ্রিল্যান্সার বুকে হাত দিয়ে অনুভব করতে পারবে তার প্রতিটি পয়সা হালাল । এখানে বিন্দুমাত্র অনৈতিকতা নেই । নিজের বিবেকের কাছে দায়বদ্ধ হতে হয় না ।


১০ এখানে কোন অফিস পলিটিক্স নেই । বসকে অয়েলিং করার ও কোন প্রয়োজন হয় না ।


পরিশেষে এটাই বলব আপনার যদি  আন্তরিকভাবে দেশের সেবা করতে চান তাহলে অবশ্যই সরকারী চাকরী ভাল । আর যদি খুব দ্রুত নিজের ক্যারিয়ার ডেভেলপ করতে চান তাহলে ফ্রিল্যান্সিং হাজার গুণে বেটার । 

দু:খের বিষয় হল একটা ছেলে পড়াশুনা শেষ করার পর কমপক্ষে ২ বছর সরকারী চাকরীর পেছনে দৌড়ায়, চাকরীর জন্য প্রচুর পড়াশুনা করে । তারপর ১০০ জনের মধ্যে মাত্র ১ জন চাকরী পায় আর ৯৯ জন সারা জীবনের জন্য ডিপ্রেশনে চলে যায় । এটা অমানবিক । 

কিন্তু মজার বিষয় হল যে দুই বছর সে সরকরী চাকরী খুঁজবে তার থেকে মাত্র ৬ মাস যদি সে ফ্রিল্যান্সিং এর স্কীল বিল্ড করত তাহলে সে সরকারী চাকরীর দশগুণ ইনকাম করতে পারত । 

ধন্যবাদ

লেখক: মো: জামাল উদ্দিন

ফাউন্ডার

আউটসোসিং ইন্সটিটিউট 

ওয়েবসাইট: https://outsourcinghelp.net/

 

 ডাটা এন্ট্রি কাজ করে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করা যাবে কিনা ?

 

মজার একটা বিষয় হল নতুন যারা ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চায় তারা চিন্তা করে প্রথমে ডাটা এন্ট্রি দিয়ে আমি টুক টাক ইনকাম করব । কিন্তু আসলে বাস্তবতা হল – ডাটা এন্ট্রি কাজটাই সবচাইতে কঠিন । নতুনদের জন্য এই কাজ একদম উপযুক্ত নয় । কেন ?

১. নতুনদের কল্পনায় থাকে বায়ার আমাকে হাতে লিখে কিছু ডকুমেন্ট ইমেইল বা হোয়াটস এপে  দিবে আর আমি মনের সুখে সেগুলো টাইপ করে বায়ারকে ইমেইল করব । কত্ত সোজা । হা হা । আসলে এই কাজগুলো সফটওয়্যার দিয়ে করানো যায় । বাস্তবে এই রকম কোন কাজ কোন বায়ার দেয় না । 

 

২. কিন্তু মার্কেটপ্লেসে তো ডাটা এন্ট্রি লিখে সার্চ করলে অনেক কাজ পাওয়া যায় !! ওকে পাওয়া যায় কিন্তু সেগুলো সবচাইতে কঠিন কাজ । কেন কঠিন ? কারণ আপনাকে সেই কাজগুলো করার জন্য অনেক অনেক কিছু জানতে হবে এবং বুঝতে হবে । যেমন: ডাটা স্ক্রপিং, ডাটা মাইনিং, ডাটা রিসার্চ, প্রাইমারী ডাটা এন্টি, সেকেন্ডারী ডাটা এন্ট্রি, ওয়েবসাইটে এন্ট্রি, ই. আর . পি সফটওয়্যারে ডাটা এন্টি…… ইত্যাদি ইত্যাদি আরো অনেক কিছু । 

 

৩. এই সামান্য কাজটা করতে এত কিছু জানতে হবে কেন । শুধু A B C D টাইপ করতে পাররেই তো পারার কথা !! Ok,  মনে করুন আপনার এলাকায় যে কম্পিউটারের দোকাকে টাইপিং এর কাজ করে অর্থাৎ ডাটা এন্ট্রি করে তাকে অনেক কিছু জানতে হয় যেমন: বিভিন্ন দলিল ফরমেট তৈরী, চুক্তি নামা ফরমেট,  এই রকম আরো শত রকম ডকুমেন্ট তৈরী সম্পর্কে তার নলেজ থাকতে হবে ।  না থাকলে শুধুমাত্র টাইপিং এর নলেজ নিয়ে সে কখনো কম্পিউটার কম্পোজের দোকানে চাকরী করতে পারবে না । 

৪. তো এই সাধারণ একটি দোকনে কাজ করা লোক কে যদি এত কিছু জানতে হয় তাহলে ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানীতে ডাটা এন্ট্রি করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক কিছু জানতে হবে । এটাই স্বাভাবিক । 

 

৫. তাই ফ্রিল্যান্সিং এ ডাটা এন্ট্রির কাজ আছে । কিন্তু সেগুলো অনেক জটিল এবং এই কাজে সবচাইতে বেশী সেলারী দেয়া হয় । কিন্তু এই মুহুর্তে আপনি সেই কাজগুলো করতে পারবেন না । অনেকদিন ফ্রিল্যান্সিং করার পর অভিজ্ঞতা হলে পারবেন । 

 

৬. ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য সবচাইতে সহজ কাজ হল : ফেসবুক ফ্রি মার্কেটিং, ক্লাসিফাইড পোষ্টিং, লিডস জেনারেশন, লিংক বিল্ডিং, ভার্চুয়াল এসিসটেন্ট, ওয়েব রিসার্চ ইত্যাদি । কাজগুলো এতই সহজ যে আপনি মাত্র এক দিনে একটি কাজ শিখতে পারবেন । 

 এই লিংকে আমি সবগুলো কাজের টিউটোরিয়াল সাজিয়ে গুছিয়ে রেখেছি । জাষ্ট এগুলো দেখেই খুব সহজে এক মাসের মধ্যে ফ্রিল্যান্সিং ইনকাম শুরু করতে পারবেন । সহজ কাজের লিংক:  https://outsourcinghelp.net/freecourse/

 

ধন্যবাদ

লেখক: মো: জামাল উদ্দিন

ফাউন্ডার

আউটসোসিং ইন্সটিটিউট 

ওয়েবসাইট: https://outsourcinghelp.net/

 

 

 সরকারী ফ্রিল্যান্সিং সার্টিফিকেট কিভাবে পাবেন, এটি দিয়ে কি লাভ হবে ?

 

প্রথমত বলব এটি কি কাজে লাগবে:

১. পেশা হিসেবে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি

২. এটি থাকলে আপনাকে কোন ইনকাম ট্যাক্স দিতে হবে না 

৩. সবচাইতে বড় সুবিধা হল আপনার ফ্রিল্যান্সিং ইনকামের উপর ১০% ইনসেনটিভ পাবেন । অর্থাৎ আপনি যদি এক লাখ টাকা ইনকাম করেন তাহলে সরকার আপনাকে ১০ হাজার টাকা বোনাস দিবে । 

 

৪. ব্যাংক একাউন্ট খুলতে ইনকামের প্রমাণ হিসেব

৫. ব্যাংক লোন পেতে

৬.  বাচ্চাকে স্কুলে ভর্তি করাতে

৭. যে কোন অথরিটির কাছে নিজের পরিচয় সহজে উপাস্থাপন করার জন্য ।

 

এটা পাওয়ার শর্ত:

১. আপনার এক বছরের মধ্যে ১০০০ ডলার ইনকাম হতে হবে । সেটা যে কোন মাধ্যম থেকে হতে পারে । যেমন: আপওয়ার্ক, ফাইভার, সরাসরি বায়ারের সাথে কাজ করে,  ইউটিউব এডসেন্স, ফেসবুক, এমাজন, আলি এক্সপ্রেস, নিজের তৈরী এপস থেকে ইত্যাদি । 

২. আপনি যে আসলেই ইনকাম করেছেন তার প্রমাণ হিসেবে ঐ সকল সাইটের পেমেন্ট এর স্ক্রীণশট বা ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা যে কোন প্রমাণ সাবমিট করতে হবে । 

কিভাবে পাবেন:

এটি পাওয়ার জন্য জাষ্ট এই সরকারী ওয়েব সাইটে রেজিষ্ট্রেশন করে এপ্লাই করুন, ২৪ ঘন্টার মধ্যেই পাবেন । ওয়েবসাইট :  https://freelancers.gov.bd/

 

এই সংক্রান্ত আরো বিস্তারিতভাবে জানতে ভিজিট করুন: https://freelancers.gov.bd/how-freelancers-id-works/

 

ধন্যবাদ

লেখক: মো: জামাল উদ্দিন

ফাউন্ডার

আউটসোসিং ইন্সটিটিউট 

ওয়েবসাইট: https://outsourcinghelp.net/

 

 

আমাদের আপটুডেট ভিডিওগুলো কিভাবে পাবেন ?

 

আমাদের ক্লাস চলছে গত ১০ বছরে ধরে । বেশীরভাগ ক্লাস আমরা সম্পূর্ণ ফ্রি’তে ইউটিউবে দিয়ে থাকি । একই ক্লাস কিছুদিন পর পর বিভিন্ন ব্যাচের জন্য হয় । মনে করুন এখন একটি ব্যাচের জন্য ওয়ার্ডপ্রেস ক্লাস চলছে । কয়েক মাস পর আরেকটি ব্যাচের জন্য আবার এই ওয়ার্ডপ্রেস ক্লাসটি হবে । এই ভাবে কয়েক মাস পর পর আমাদের সবগুলো ক্লাস রিপিট হয় । সবগুলোই ইউটিউবে আছে । 

 

কিভাবে খুঁজে পাবেন:

ইউটিউবে কাজের নাম এবং আমার নাম লিখে সার্চ করুন । যেমন : wordpress by Jamal sir, Data entry by jamal sir,  Leads generation by jamal sir ইত্যাদি ।  এইভাবে সার্চ করলে একদম শুরুতে আমার লেটেষ্ট ভিডিওগুলো পাবেন এবং এর নিচে আগের ক্লাসগুলো পাবেন । 

 

কোন ভিডিওগুলো দেখবেন ? নতুন নাকি পুরাতন:

আসলে সবগুলো ভিডিও সেইম । পার্থক্য খুবই সামান্য । তাই পুরাতন ভিডিও দেখেও কাজ করতে সমস্যা হবে না  । তবে নতুন ভিডিওতে সাম্প্রতিক আপডেটগুলো দেয়া হয়েছে । 

 

ধন্যবাদ

লেখক: মো: জামাল উদ্দিন

ফাউন্ডার

আউটসোসিং ইন্সটিটিউট 

ওয়েবসাইট: https://outsourcinghelp.net/

 

দেশে ২০/৩০ হাজার টাকার চাকরী পেতে কষ্ট হয় কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং করে কিভাবে লাখ টাকার বেশী সহজে ইনকাম করা যায় ?

 

বেশীরভাগ মানুষের যুক্তিতে আসে না যে একজন এস. এস. সি বা ইন্টারপাশ ছেলে কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং করে মাসে লাখ টাকা ইনকাম করে যেখানে একজন মাষ্টার্স পাশ ছেলে ২০/৩০ হাজার টাকার চাকরী পেতে স্ট্রাগল করে । 

বিষয়টি খুব সহজ । আমরা যখন ফ্রিল্যান্সিং করি তখন আমেরিকা বা ইউরোপের কোন কোম্পানীতে আমরা জব করি । বেতন হয় ডলার বা ইউরোতে । দৈনিক ৮ ঘন্টা চাকরীর জন্য তাদের দেশের একজন অতি সাধারণ এমপ্লয়ীকে তারা বেতন দেয়  ৩ থেকে ৪ হাজার ডলার ।  আর সেইম কাজের জন্য আমাদেরকে নতুন অবস্থায় বেতন দেয় এক থেকে দেড় হাজার ডলার ।  তারপর কাজের কোয়ালিটি ভাল হলে আস্তে আস্তে বেতন বাড়ে । 

 

এখন এই  এক থেকে দেড় হাজার ডলার তাদের জন্য একেবারেই কম একটি এমাউন্ট কিন্তু সেই টাকা যখন বাংলাদেশী টাকায় কনভার্ট হয় তখন সেটি হয়ে যায় এক লাখ টাকার বেশী ।

 

আরেকটি উদাহরণ দিই । মনে করুন আপনি ওয়ার্ডপ্রেস সাইট তৈরীর কাজ করেন । একটা ওয়েব সাইট তৈরীর সর্বনিন্ম সেলারী হল ৩০০ ডলার যেটি করতে আপনার মাত্র এক দিনই যথেষ্ঠ । এখন মাসে যদি আপনি মাত্র ৫ টি কাজ পান তাহলে আপনার ইনকাম হবে প্রায় দেড় হাজার ডলার বা দেড় লাখ টাকা । মাসে ৫টি অর্ডার এটা একেবারেই নগণ্য ।  সিরিয়াসলি কাজ করল মাসে ২০ টির বেশী অর্ডার পাওয়াটাই স্বাভাবিক । 

 

আসলে মানুষ পার্থক্যটা বুঝে না । আপনি যখন দেশের যে কোন কেম্পানীতে চাকরী করছেন তখন আপনি বাংলাদেশের ইকোনোমিতে আছেন । আর যখন আপনি ফ্রিল্যান্সিং করছেন তখন আপনি ইউরোপ আমেরিকার ইকোনোমিতে কাজ করছেন । আর সেই সকল দেশে মাসে  এক হাজার ডলার ইনকাম একটা অতি অতি নগণ্য এবং অপমানজনক ব্যাপার । কিন্তু সেই এক হাজার ডলার বাংলাদেশী টাকাতে কনভার্ট হলে এটা আমাদের এক্সপেক্টেশনের চাইতে বেশী এবং অতি সম্মান জনক । 

 

আমি ‍বুঝি না ঘরে বসে বিদেশী কোম্পানীতে চাকরী করার এত সহজ সিষ্টেম পাওয়ার পরও কেন মানুষ দেশে সামান্য একটা চাকরীর জন্য রক্ত পানি করে ! আরো মজার বিষয় হল এই ফ্রিল্যান্সিং শিখতে, চাকরী পেতে আপনাকে একটি টাকাও খরচ করতে হবে না, কোন মামা চাচার সুপারিশ ও লাগবে না ।  জাষ্ট নিজেকে ৩ মাসের জন্য চেয়ারের সাথে বেঁধে ফেলতে হবে । 

শুধুমাত্র আমাদের ফ্রি কোর্স করেই  এক টাকাও খরচ না করে আপনি প্রথম মাস থেকে ইনকাম শুরু করতে পারবেন । এবং পর্যায়ক্রমে ফ্রি’তেই  এডভান্সড কাজগুলো শিখে মাসে এক লাখ টাকার বেশী ইনকাম করতে পারবে । 

 

ফ্রি কোর্স লিংক:  https://outsourcinghelp.net/freecourse/

 

লেখক:

মো: জামাল উদ্দিন

ব্লগ:  https://outsourcinghelp.net/blog

 

ফাউন্ডার

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট

 

 

 

 ফ্রিল্যান্সিং এ কাজ পাওয়ার নিশ্চয়তা কতটুকু

 

আসুন আমরা বিষয়টি যৌক্তিকভাবে বুঝি:

১.  ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরের আসল চিত্র:

সারা বিশ্বব্যাপী প্রায় ২০০ টি দেশ ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ দেয় আর কাজ করে প্রধানত ৫টি দেশের মানুষ । বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্থান, নাইজেরিয়া এবং ফিলিফিন । যার ফলে যেই পরিমাণ কাজ প্রতিদিন পোষ্ট হয় তার অর্ধেকের অর্ধেক ও ফ্রিল্যান্সার নাই । 

 

কিন্তু এতে খুশি হওয়ার কোন কারণ নাই । কারণ সেই কাজগুলো করার জন্য অবশ্যই যোগ্য হতে হবে । যোগ্য লোক না পেলে বায়ার প্রয়োজনে কাজ করাবে না কিন্তু সে কখনো অযোগ্য লোককে কাজ দিবে না । 

সুতরাং এই সেক্টরে যারা ভালভাবে কাজ পারে তার প্রচুর প্রচুর কাজ পায় । বায়াররা নিজ থেকে তাদেরকে কাজ করার জন্য রিকোয়েষ্ট করে কিন্তু অনেক সময় তারা কাজ নিতে পারে না । আর অন্যদিকে যারা ভালভাবে কাজ না শিখে এপ্লাই করে বায়ার তাদেরকে কাজ তো দেয় না উল্টো তাদের বিরুদ্ধে মার্কেটপ্লেসে কমপ্লেইন করে যার ফলে তাদের  একাউন্ট সাসপেন্ড হয়ে যায় । 

যার ফলে যে কাজ পারে সে খুব সহজে মাসে ২/৩ লাখ টাকা ইনকাম করে আর যে পারে না সে এক টাকাও ইনকাম করতে পারে না । 

 

২.  প্রকৃত ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা কত:

এখন কাজ পারে এমন লোক কি পরিমাণ আছে ? খুবই সামান্য । । বাংলাদেশে  সরকারী হিসাব মতে ৫ লাখ  ফ্রিল্যান্সিং একাউন্ট আছে কিন্তু তার মধ্যে বড়জোড় ১০ হাজার জনকে পাওয়া যাবে যারা ভালভাবে কাজ পারে । আর বাকীরা কোন প্রফেশনাল কাজ না শিখে এপ্লাই করতে থাকে । 

 

৩. কাজের পরিমাণ বাড়ছে: 

 ই-কমার্স, এফ- কমার্স এর যত প্রসার হচেছ ততই আমরা অনলাইন নির্ভর হয়ে যাচ্ছি । যার ফরে সারা পৃথিবীতে ব্যাবসা বানিজ্যের ডিজিটালাইজেশন হচ্ছে অর্থাৎ সবাই অনলাইনেই তাদের পণ্য বা সেবা বিক্রি করছে । তাই প্রতিনিয়ত অনলাইনে কাজ করার জন্য দক্ষ ডিজিটাল মার্কেটারের চাহিদা তৈরী হচ্ছে । কিন্তু যে পরিমাণ লোক দরকার দক্ষ লোক তার চাইতে অনেক অনেক কম । কারণ কোন স্কুল, কলেজ বা ইউনিভার্সিটিতে এই কাজগুলো শিখানো হয় না । 

যার ফলে  কাজের পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে কিন্তু সেই কাজগুলো করার জন্য যোগ্য এমপ্লয়ী সেই হারে বাড়ছে না । কারণ দীর্ঘ ৬ মাস কষ্ট করে কাজ শিখার পরই একজন যোগ্য লোক তৈরী হয় । কিন্তু বাস্তবে কাজ শিখার এই ধৈর্য খুবই কম মানুষের আছে । 

 

৪. বেতন বাড়ছে:

 এতে করে এই সেক্টরে একটা বিশাল ইমব্যালেন্স তৈরী হয়েছে । কাজ বেশী কিন্তু  যোগ্য প্রফেশনাল কম । যার ফলে কোম্পানীগুলো অনেক বেশী বেতন দিতে বাধ্য হচ্ছে । যেই কাজের ভ্যালু ছিল ১০০ ডলার এখন তারা ৩০০ ডলার অফার করেও উপযুক্ত লোক পাচ্ছে না । ফাইভার আপওয়ার্কে ঢুকলে প্রকৃত চিত্র দেখতে পাবেন 

 

সুতরাং উপসংহারে বলা যায় আপনি যদি খুব ভালভাবে কাজ শিখে তারপর ফ্রিল্যান্সিং এ আসেন আপনি রাজার মত সমাদর পাবেন । এখন আপনি রাজা হবেন নাকি অতি অসহায় প্রজা হবেন এটা আপনার ব্যাপার । তবে রাজা হতে হলে আপনাকে কষ্ট স্বীকার করতে হবে, শিখার কষ্ট । 

প্রফেশনাল লেভেলের কাজ শিখার জন্য এক টাকাও খরচ করতে হবে না । জাষ্ট আমাদের ফ্রি কোর্স করেই শিখতে পারবেন । 

ফ্রি কোর্স লিংক:  https://outsourcinghelp.net/freecourse/

 

লেখক:

মো: জামাল উদ্দিন

ব্লগ:  https://outsourcinghelp.net/blog

 

ফাউন্ডার

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট

 

 

সরকার ফ্রিল্যান্সিং এর প্রতি তে আগ্রহী কেন ?


১. বর্তমানে ফ্রিল্যান্সিং থেকে হাজার কোটি ডলার ফরেন রেমিটেন্স আসে । সরকার বুঝতে পেরেছে দেশের প্রচুর জনগণকে ফ্রিল্যানিং শিখাতে পারলে প্রতি বছর  লক্ষ কোটি ডলার দেশের রিজার্ভে জমা হবে । 


২. এতে করে প্রত্যেক মানুষ নিজেই নিজের কর্মসংস্থান করে ফেলতে পারবে । সরকারের উপর চাপ হবে না । 


৩. ফ্রিল্যান্সিং করতে বড় কোন অবকাঠামো লাগে না । জাষ্ট লাগে একটি মাথা । বাংলাদেশে কোটি কোটি মাথা । প্রতিটি মাথার দাম হাজার কোটি টাকা । একটি দেশের সবচাইতে বড় সম্পদ মানুষ । কিন্তু অদক্ষ জনগণ সম্পদ নয় বরং বোঝা কিন্তু দক্ষ মানুষ হাজার কোটি টাকার সম্পদ । এখন শুধুমাত্র এই ব্রেইগুলোকে  প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এমপাওয়ার করতে হবে । 


৪. এখন এত লোক ফ্রিল্যান্সিং শিখলে প্রতিযোগীতা বেড়ে যাবে কিনা ? একদমই না । সারা পৃথিবীতে প্রায় ২০০ টি দেশের মানুষ ফ্রিল্যন্সিং এর কাজ দেয় আর মাত্র বাংলাদেশ সহ ৫ টি দেশের মানুষ ফ্রিল্যান্সিং করে  । তাছাড়া যেই হারে সারা পৃথিবীর ব্যবসা বাণিজ্য ডিজিটালাইজ হচ্ছে, তাতে যেই হারে অনলাইন চাকরীর পোষ্ট তৈরী হচ্ছে তার অর্ধেকের অর্ধেকের অর্ধেকও দক্ষ ফ্রিল্যান্সার নাই । সুতরাং বাংলাদেশের সকল মানুষ যদি ফ্রিল্যান্সিং শিখে তারপরও বৈশ্বিক চাহিদার  ৫ শতাংশ ও পূরণ হবে না । 


বাংলাদেশ সরকার আমাদেরকে অনেক সুবিধা দিচ্ছে যেমন:

১. ফ্রিল্যান্সারদের ট্যাক্স মওকুফ করেছে

২. সরকারী আই.ডি কার্ড দিচ্ছে

৪. আমরা যেন খুব সহজেই সেলারী ট্রান্সফার করতে পারি সেজন্য বাংলাদেশ ব্যাংক অনেক ফেসিলিটিজ দিয়েছে ।

৫. সরকার প্রতি বছর – ”বেষ্ট ফ্রিল্যান্সিং এওয়ার্ড” দেয় ।


হ্যাপি ফ্রিল্যান্সিং

লেখক:

মো: জামাল উদ্দিন

Website: https://outsourcinghelp.net/

ফাউন্ডার

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট 

আমাদের ফ্রি সাপোর্ট কিভাবে পাবেন ? 

 

প্রতি শনিবার রাত ৮টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত ফ্রি সাপোর্ট দেয়া হয় । সরাসরি আমি ( মো: জামাল উদ্দিন ) এই সাপোর্ট দিয়ে থাকি । 

 

কাদের জন্য প্রযোয্য:

আমাদের ফ্রি স্টূডেন্টরা কাজ করার সময় যত প্রবলেম ফেস করে তা আমরা সরারসরি সমাধান দেয়া হয়  এই ফ্রি সাপোর্টে । এছাড়া যে কোন আগ্রহী ব্যাক্তি এই ফ্রি সাপোর্টে জয়েন হয়ে যে কোন প্রশ্ন করতে পারবেন এবং যে কোন সাপোর্ট পাবেন । 

 

কিভাবে সাপোর্ট দেয়া হয় :

আপনি জুুমের মাধ্যমে আমাদেরকে দেখবেন, আমরাও আপনাকে দেখব, আপনি আমাদের কথা শুনবেন এবং আমরাও আপনাকে শুনব । এবং আপনি চাইলে জুমের মাধ্যমে আমরা সরাসরি আপনার কম্পিউটারে ঢুকে আপনার সামনেই প্র্যাকটিক্যালি সেই প্রবলেগুলো সলভ করা হবে । 

 

জুম সফটওয়্যার কিভাবে ব্যাবহার করবেন:

আপনাদের জন্য আমরা একটি ভিডিও তৈরী করেছি এটা দেখে আপনি খুব সহজে বুঝতে পারবেন কিভাবে জুম সফটওয়্যার ইন্সটল করবেন এবং কিভাবে এটি দিয়ে আমাদের ক্লাসে জয়েন করবেন । ভিডিওটি পেতে ইউটিউবে সার্চ করুন: Zoom By Jamal sir

জুম টিউটোরিয়াল ভিডিও: https://www.youtube.com/watch?v=3B_MvuAqU7E

 

 

কি কি বিষয়ে সাপোর্ট দেয়া হয় : 

১. কাজ পাওয়া

২. বায়ারের সাথে ইন্টারভিউ করা 

৩. কাজ পাওয়ার পর কাজটি স্টেপ বাই স্টেপ করা

৪. কাজ জমা দেয়া

৫.  যে কোন সফটওয়্যার ও রিসোর্স সম্পূর্ণ ফ্রিতে প্রদান

৬.  প্রফেশনাল মানের স্যাম্পল তৈরী করা

৭. ফাইবার প্রোফাইল ও গিগ চেক ও কারেকশন করা

৯. ফ্রিল্যান্সিং সংক্রান্ত যে কোন হেল্প সাপোর্ট  

 

আমাদের ফ্রি কোর্স কিভাবে করবেন:

জানতে জাষ্ট এই লিংকে ক্লিক করে লাইন বাই লাইন পড়ুন:

https://outsourcinghelp.net/freecourse/

 

ধন্যবাদ:

মো: জামাল উদ্দিন

ফাউন্ডার,

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট

ওয়েবসাইট: https://outsourcinghelp.net/

 

ফ্রিল্যান্সিং এ সেলারী কম চাইলে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে কিনা ?

 

মানুষ স্বাভাবিকভাবেই কম খরচ করতে চায় । মনে করুন কোন বায়ার একটি কাজ যদি  ১ টাকায় করাতে পারে তবে কেন সে ৫ টাকা খরচ করবে ? কিন্তু মজার বিষয় হল যে ১ টাকা বেতন চাইবে বায়ার তাকে কখনোই কাজ দিবে না । বরং যে ৫ টাকা চাইবে তাকেই বায়ার নিশ্চিতভাবে কাজ দিবে । 

 

কেন এমন হবে :

বায়ার বাদ দিন আপনি নিজের ক্ষেত্রেই দেখুন । আপনি নিজেই কিন্তু বেশী টাকা দিয়েই কাজ করাবেন ।

 উদাহরণ দিচ্ছি: মনে করুন আপনার একটি মেজর অপারেশন করতে হবে । একজন এক্সপার্ট ডাক্তার বলল ২লাখ টাকা লাগবে । কিন্তু আপনার গ্রামের একজন হাতুড়ে ডাক্তার আপনাকে অফার করল যে তাকে মাত্র ২০০ টাকা দিলেই সে আপনার অপারেশনটি করে দিবে । এখন আপনি কি করবেন তাকে খুশি মনে ২০০ টাকা দিয়েই টেবিলে শুয়ে পড়বেন ? কখনোই না । কারণ আপনি জানেন যে ২০০ টাকা নিচ্ছে সে কখনো সেই কোয়ালিটি দিতে পারবে না যেট বড় ডাক্তার এনশিউর করতে পারবে । তাই হাড়ুড়ে ডাক্তার দিয়ে অল্প টাকায় অপারেশন করালে আপনার লাইফের সকল সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে !!! ( আপনি দুনিয়াতে না থাকলে তো আপানার কোন সমস্যাই থাকবে না , যা হোক একটু মজা করলাম )

 

তো এখন আপনি যদি আপনার জীবনকে ভালবাসেন তাহলে অবশ্যই আপনি বেশী টাকা খরচ করে বড় ডাক্তাকে দিয়ে অপারেশন করাবেন । 

 

যাহোক আমাদের নিজের জীবনকে যেমন আমরা যেভাবে কখনো কোন হাতুড়ে ডাক্তারের হাতে তুলি দিব না তেমন কোন বায়ারও তার ব্যবসাকে কোন হাঁটু ভাঙ্গা ফ্রিল্যান্সারের হাতে তুলে দিবে না । আশা করি বিষয়টি যৌক্তিভাবে বুঝতে পেরেছেন । 

 

সেলারী কম চাওয়া মানে নিজের পায়ে কুড়াল মারা:

কারণ কম চাইলে বায়ার মনে করবে আপনি অযোগ্য, কাজ পারেন না, কাজ পাচ্ছেন না এই রকম অনেক কিছু আপনার সম্পর্কে প্রিডিক্ট করবে এবং আপনাকে হায়ার করবে না । আর হায়ার করলেও সে সন্দিহান থাকবে ।  আর বেশী চাইলে শুরু থেকেই আপনার প্রতি একট পজিটিভ ধারণা পোষণ করবে । 

 

 

তাহলে সেলারী কত চাইব ?

খুব কম ও না আবার খুব বেশীও না । একটি কাজের যে যৌক্তিক রেইট হওয়ার কথা সেটাই চাইবেন । মনে করুন একটি ওয়েবসাইট তৈরী করার মূল্য ৫০০ ডলার । তাহলে আপনি কত চাইবেন । এটা ডিপেন্ড করে আপনি কি নতুন নাকি এক্সপার্ট তার উপর । যেমন আপনি যদি একদম নতুন হয়ে থাকেন তাহলে ৩০০- ৫০০ ডলার চাইবেন । আর যদি পুরতান ফ্রিল্যান্সার হয়ে থাকেন তাহলে ৬০০-৭০০ ডলার চাইবেন । যত বেশী অভিজ্ঞ হবেন তত বেশী সেলারী আপনাকে চাইতেই হবে না হলে আপনাকে বায়ার মূল্যায়ন করবে না । 

 

সেলারী নাকি কোয়ালিটি বায়াররা কোনটি চায় ?

বায়ারদের প্রথম ও শেষ চাওয়া হচ্চে কোয়ালিটি । সে যে কাজ করাতে চাচ্ছে তা সঠিকভাবে এবং কোয়ালিটিফুলভাবে কে করতে পারবে সেটাই তাদের বিবেচ্য । কে কম চাচ্ছে বা কে বেশী চাচ্ছে সেটা নিয়ে তারা ভাবে না বরং তাদের মাইন্ডসেট থাকে যে কোয়ালিটিফুল এমপ্লয়ী নিতে হলে আমাকে বেশী খরচ করতে হবে । 

 

কাজের কোয়ালিটি কিভাবে বাড়াব:

১. খুব ভালভাবে খুঁটিনাটিসহ বিস্তারিতভাবে কাজটি শিখতে হবে । 

২. সেটি ১০/১৫ বার করে করে প্র্যাকটিস করতে হবে  । অর্থাৎ একবার করবেন আবার মুছবেন, আবার করবেন এইভাবে 

৩. কিভাবে করলে বায়ার সর্বোচ্ছ বেনিফিট পাবে সেটা নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে হবে । 

 

আশা করি বিষয়টি পনির মত সহজ করে বুঝতে পেরেছেন ।

 

ধন্যবাদ:

মো: জামাল উদ্দিন

ফাউন্ডার,

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট

ওয়েবসাইট: https://outsourcinghelp.net/

 

মোবাইল এপস থেকে কি ইনকাম করা যায় ? বিষয়টি কতটুকু সঠিক ?

 

একদমই সঠিক না । কোন এপস থেকে ইনকাম করা যায় না । এপসগুলো তৈরী হয়েছে তাদের নিজেদের ব্যবসা করার জন্য  । আপনাকে ইনকাম করিয়ে দেয়ার জন্য নয় । 

খুব সহজ বিষয় হল আপনাকে ইনকাম করতে হলে খুব ভালভাবে কাজ শিখতে হবে । তারপর যখন আপনি সেই কাজটি কোন বায়ারের জন্য করবেন তখন সেই বায়ার আপনাকে সেলারী দিবে । 

তাহলে অনেককে কেন বলতে শুনি যে অমুক এপস থেকে ইনকাম করেছে । আসলে সেই ইনকামগুলো শুধুমাত্র মোবাইল স্ক্রীণেই দেখা যায় বাস্তবে হাতে পাওয়া যায় না । এই সকল এপস এক পর্যায়ে বলবে যে আপনার দশ হাজার ডলার জমা হয়েছে এখন এই টাকা তুলতে আপনাকে ৫০০০ টাকা পাঠাতে হবে । এইভাবে তারা মানুষের সাথে প্রতারণা করে । 

 

একটা কথা মনে রাখতে হবে যখন কোন কোম্পানী আপনাকে অফার দিবে যে আপনাকে কোন কাজ শিখতে হবে না,  তেমন কিছুই করতে হবে না শুধু তাদের এপস দিনে কয়েকবার খুলে কয়েকটি ক্লিক করলেই  তারাই আপনাকে লাখপতি-কোটিপতি বানিয়ে দিবে ! সেটা যুক্তিসঙ্গতভাবে বিশ্বাস করার কোন কারণ নাই । 

 

ফ্রিল্যান্সিং জাষ্ট একটা ইনকাম না । এটা একটা লাইফটাইম প্রফেশন । ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, লইয়ার ইত্যাদি যে রকম পেশা ঠিক তেমনি ফ্রিল্যান্সিং ও সেই রকম একটি পেশা  । আপনাকে অবশ্যই শিখতে হবে । ভালভাবে কাজ শিখলে আপনি সুন্দর একটি জীবন পাবেন । 

 

 

লেখক:

মো: জামাল উদ্দিন

ফাউন্ডার

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট

ওয়েবসাইট: https://outsourcinghelp.net/

  

অনলাইন ক্লাস কেন সরাসরি ক্লাসের চাইতে ভাল ?

 

প্রায় এক যুগ ধরে আমরা ফ্রিল্যান্সিং শিখাচ্ছি । প্রথম দিকে আমরা শুধুমাত্র আমাদের অফিসে ক্লাস করাতাম এবং সাপোর্ট দিতাম । কিন্তু সরাসরি ক্লাসের কিছু সীমাবদ্ধতা এবং অসুবিধা আছে যেটা অনলাইন ক্লাসে নাই  ।  তাই আমরা বর্তমানে শুধুমাত্র অনলাইনেই ক্লাস করাই । সরাসরি অফিসে কোন ক্লাস বা সাপোর্ট হয় না । 

 

মজার বিষয় হল অনেকেই মনে করেন অনলাইন ক্লাস মানে টিভি দেখা, বা ফেসুবুকে লাইভ দেখার মত । এইরকম একদমই না । অসলে অনলাইন ক্লাস হল সম্পূর্ণ ইন্টারেকটিভ, টু ওয়ে কমিউনিকেশন । ক্লাস করার সময় আপনার মনে হবে আপনি ক্লাসরুমে বসেই ক্লাস করছেন । 

 

আমাদের অনলাইন ক্লাস কেন সরাসরি ক্লাসের চাইতে ভাল:

 

১. প্রিমিয়াম জুম সফটওয়্যারের মাধ্যমে আমাদের অনলাইন ক্লাস ও সাপোর্ট হয় ।

২. অনলাইন ক্লাসে আমরা আপনাকে দেখব এবং আপনিও আামদের কে দেখবেন 

৩. সরাসরি ক্লাসের মতই ক্লাস চলাকালীন কিছু না বুঝলে হাত তুলে প্রশ্ন করতে পারবেন

 

৪.  আমরা জুমের মাধ্যমে সরাসারি আপনার কম্পিউটার ঢুকে নিজের হাতে প্র্যাকটিক্যালি প্রবলেম সলভ করে দিই । 

 

 

৫.  সকাল ১০ থেকে রাত ৩ টা পর্য়ন্ত মোট ১৬ ঘন্টা আমাদের সাপোর্ট টীম অনলাইনে সাপোর্ট দিয়ে থাকে ।  কিন্তু সরাসরি অফিসে এত রাত পর্যন্ত সাপোর্ট দেয়া সম্ভব না  । এই সাপোর্টে এ সর্বপ্রকার সমস্যা প্র্যাকটিক্যালি সমাধান করা হয় । 

 

৬. বেশীরভাগ বায়ার আসে রাত ৯টা থেকে রাত ১ টার মধ্যে । বায়ারের সাথে ইন্টাভিউ চলাকালীন আপনি সরাসরি আমাদের জুম লাইভে সংযুক্ত হতে পারবেন এবং তাৎক্ষণিক সাপোর্ট পাবেন । কিন্তু সরাসরি অফিসে আসতে আসতেই বায়ার চলে যাবে । 

 

৭.  যতবার ইচ্ছা ততবার আপনি অনলাইন সাপোর্ট এ জয়েন হতে পারবেন কিন্তু   সরাসরি অফিসে আপনার পক্ষে  ডেইলি ১০/১২ বার আসা সম্ভব নয় ।  

 

৮ .  আমাদের অনলাইন ক্লাস হয় রাত ৮.৩০ টা থেকে ১০.৩০ টা পর্যন্ত । তাই আপনি যত ব্যস্তই হোন না কেন ক্লাসে জয়েন করতে কোন প্রবলেম হবে না । 

 

৯. ল্যাপটপ, ডেক্সটপ এবং মোবাইল থেকে ক্লাসে জয়েন করা যায় । তাই আপনি বাসার বাইরে থাকলেও জাষ্ট মোবাইল দিয়েই ক্লাসে জয়েন হতে পারবেন । 

 

১০. সবগুলো ক্লাস রেকর্ড হয় এবং ইউটিউবে দেয়া হয় । তাই কোন ক্লাস মিস হলেও সেটা ইউটিউব থেকে দেখে নিতে পারবেন । ক্লাস চলাকালীন কোন নোট করতে হবে না, কিছু লিখতে হবে না  । জাষ্ট বুঝলেই হবে । 

 

১১.  কাজ পাওয়ার পর আমাদের ক্লাস রেকর্ডগুলো দেখে দেখেই আপনি কাজ করতে পারবেন । সমস্যা হলে সাথে সাথেই সাপোর্ট টীমের সাপোর্ট পাবেন ।  তাই কোন কিছু মুখস্ত রাখতে বা মনে রাখতে হবে না । 

 

১২. এই সকল কারণে সরাসরি ক্লাসের চাইতে অনলাইন ক্লাসে অনেক দ্রুত শিখা যায় এবং দ্রুত সফল হওয়া যায় । 

 

ধন্যবাদ

লেখক:

মো: জামাল উদ্দিন

ফাউন্ডার

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট

ওয়েবসাইট: https://outsourcinghelp.net/

 

 

বায়াররা পুরাতন ও এক্সপার্ট ফ্রিল্যান্সারদের রেখে কেন নতুন ফ্রিল্যান্সারদের চাকরী দিবে ?

 

নতুন অবস্থায় সবারই একটা টেনশন থাকে যে পুরাতন ও অভিজ্ঞ ফ্রিল্যান্সারদের চাকরী না দিয়ে কেন বায়ার আমাকে চাকরী দিবে । পুরাতনরা নিশ্চিতভাবেই ভাল কোয়ালিটির কাজ দিতে পারবে । তাহলেতো বায়াররা বেছে বেছে শুধুমাত্র অভিজ্ঞ ও এক্সপার্ট ফ্রিল্যান্সারদেরই কাজ দেয়ার কথা । 

 

নতুন অবস্থায় স্বাভাবিকভাবে আপনার কোন ফিডব্যাক নাই, কোন রিভিউ নাই, কোন জব হিষ্টোরি নাই, কোন অভিজ্ঞতা বা রিকমেন্ডশন কিচ্ছু  নাই ।  একদমই খালি প্রোফাইল । তো কেন বায়ার আপনাকে কাজ দিবে ?

 

ওকে সব বুঝলাম । আসুন আমরা বিষয়টি যৌক্তিকভাবে বুঝি । একটি উদহরণ দিই :  মনে করুন রাস্তায় বাস এবং সি. এন. জি দুইটাই আছে । বাসের প্যাসেঞ্জার বাসে যাবে আর সি.এন.জি র প্যাসেঞ্জার সি.এন জি তে যাবে । সি. এন. জি র প্যাসেঞ্জার চিন্তা করে না যে বাসে গেলে তো আমি ১০ টাকা দিয়ে যেতে পারব তাহলে কেন আমি সি. এন. জি তে ১০০ টাকা খরচ করব । এখানে বাস এবং সি. এন. জি কেউ কিন্তু কারো কাষ্টমার কেড়ে নিচ্ছে না । কেউ কারো প্রতিদ্বন্দী নয় । ঠিক  তেমনি ফ্রিল্যান্সিং এ নতুন এবং এক্সপার্ট টা কেউ কারো প্রতিদন্দ্বী নয় । 

 

যেই সকল বায়ার খুব হাই কোয়ালিটি এবং সেনসেটিভ কাজ করাবে তারা বেশী টাকা বেতন দিয়ে এক্সপার্ট কে হায়ার করবে, তারা নতুনদের কখানো নিবে না । 

 

আর যারা গরীব বায়ার বা খুব সিম্পল / সহজ কাজগুলো করাবে তারা কম বেতনে ফ্রিল্যান্সার খুঁজবে । কিন্তু কম বেতনে এক্সপার্টরা কখনোই কাজ করবে না । তাই সেই সকল বায়ারদের একমাত্র ভরসা নতুন ফ্রিল্যান্সার । 

 

যেই কাজ একজন নতুন ফ্রিল্যান্সার ১০০ ডলার দিয়ে করবে এক্সপার্টরা সেই কাজ ৫০০ ডলারের নিচে কখনোই করবে না । কারণ তাদের কাজের অভাব নাই । তারা কোন কাজের জন্য এপ্লাইও করে না । বায়ার নিজেই তাদেরকে কাজ করার জন্য রিকোয়েষ্ট করে । 

 

আশাকরি বুঝতে পেরেছেন যে এক্সপার্টদের বায়ার আলাদা এবং নতুনদের বায়ার আলাদা।  আশা করি আপনার মনের মধ্যে লুকিয়ে থাকা প্রশ্নের উত্তর পেয়েছেন । 

 

ধন্যবাদ

লেখক:

মো: জামাল উদ্দিন

ফাউন্ডার

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট

ওয়েবসাইট: https://outsourcinghelp.net/

 

 

সম্পূর্ণ নতুন অবস্থায় কোন অভিজ্ঞতা ছাড়া খুব সহজেই কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ পাবেন ?

যে যে সকল বায়ার কম টাকায় কাজ করাতে চায় তারাই নতুনদেরকে হায়ার করে। এখন কিভাবে করবে ? চোখ বন্ধ করে বা লটারী করে বাছাই করবে ? একদমই না । হায়ার করার আগে বায়ার যাচাই করবে আপনি আসলে কাজ পারেন কিনা এবং আপনার কাজের মান কত ভাল । তো কিভাবে যাচাই করবে ?

যাচাইয়ের মানদন্ডগুলো হল:

১. পোর্টফোলিও বা স্যাম্পল:

আপনাকে অবশ্যই সম্যাল তৈরী করতে হবে এবং কোন রকম স্যাম্পল হলে হবে না খুব ভাল মানের হতে হবে । ভাল স্যাম্পল দেখলে বায়ার বুঝবে যে আপনি ভাল মানের কাজ পারেন । আর স্যাম্পলগুলো অন্য কোথাও থেকে কালেকশন করা যাবে না । অবশ্যই অবশ্যই আপনাকেই তৈরী করতে হবে । কারণ এই স্যাম্পলের উপর বায়ার আপনাকে ইন্টারভিউতে বিভিন্ন প্রশ্ন করবে । ভাল স্যাম্পল দেখলে বায়ার নিশ্চিত হবে যে আপনি কাজ করেন নাই কিন্ত আপনি কাজ পারেন এবং কাজের মান ভাল । 

২. প্রফেশনাল মানের এবং নির্ভুল গিগ:

শুধু কোন রকম একটি গিগ তৈরী করলে কাজ পাবে না । চাকরী দেয়ার আগে বায়ার অনেক সময় নিয়ে আপনার গিগটি পড়বে । সুতরাং গিগটি যদি মানসম্মত না হয় তাহলে শুরুতেই আপনার প্রতি একটি নেগেটিভ ধারণা তৈরী হবে । 

৩.  আপনার প্রোফাইল:

অবশ্যই প্রফেশনাল মানের প্রোফাইল তৈরী করতে হবে এবং এটি  ১০০ % কমপ্লিট হতে হবে । প্রোফাইলে আপনি কিভাবে নিজেকে উপাস্থাপন করছেন, কিভাবে আপনার স্কিল এবং এক্সপার্টাইজগুলোকে ডেসক্রাইব করছেন এটা খুবই গুরুত্বর্ণ । যারা কাজ পারে না তারা স্বাভাবিকভাবে নিজের প্রোফাইলকে প্রফেশনাল লুক দিতে পারবে না  ।

৪. কয়টি টেষ্টে পাশ করেছেন:

প্রত্যেক মার্কেটপ্লেসে টেষ্ট এর ব্যাবস্থা আছে । আপনি যত বেশী টেষ্ট দিয়ে পাশ করবেন ততই আপনার গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে এবং ক্রাউডের মধ্যে আপনি আলাদাভাবে নিজের অস্তিত্ব জানান দিতে পারবেন । 

৫. বায়ার রিকোয়েষ্ট রিপ্লাই:

অনেকেই মনে করেন যেনতেন ভাবে ২/৩ লাইন রিপ্লাই লিখে দিলেই হয়ে যায় । একদমই না । আপনার রিপ্লাইগুলো অবশ্যই বায়ারের সবগুলো সেনসেটিভ পয়েন্টকে কাভার করতে হবে । একটি ভাল মানের রিপ্লাই কমপক্ষে ১০/১২ হওয়াটা স্বাভাবিক । বায়ার রিকোয়েষ্ট রিপ্লাই লিখা একটি টেকনিক্যালি বিষয় । অবশ্যই এটি ভালভাবে শিখতে হবে । আপনার রিপ্লাই পড়ার পর বায়ার ডিসাইড করবে আপনাকে নক করবে কি করবে না । 

৬.  বায়ারের সাথে ইন্টারভিউ:

আপনার রিপ্লাই পাওয়ার পর বায়ার যদি সেটা পছন্দ করে তবে আপনাকে ইন্টারভিউতে ডাকবে । ইন্টারভিউ মানে লিখে লিখে চ্যাট করবে । অবশ্যেই এই ইন্টারভিউর ম্যানারগুলো জানতে হবে এবং কিভাবে বায়ারকে ইন্টারভিউতে বিভিন্ন যুত্তি ও তথ্য দিয়ে ইমপ্রেস করবেন তা শিখতে হবে । 

৭. খুব ভালভাবে কাজ শিখতে হবে:

 সবচাইতে বড় কথা হল খুব ভালভাবে কাজ শিখতে হবে এবং একই কাজ বার বার করার মাধ্যমে স্কীল অর্জন করতে হবে । চাকরী পাওয়ার পর যদি কাজ করতে না পারেন তবে চাকরী এমনিতেই থাকবে না । 

আশা করি বুঝতে পেরেছেন কিভাবে আপনি নতুন অবস্থায় সহজেই চাকরী পাবেন এবং আরো বুঝতে পেরেছেন কেন অনেক ফ্রিল্যান্সার মাসের পর মাস এপ্লাই করেও কাজ পায় না । 

বিশ্বাস করুন ৯৫% ছেলে উপরোক্ত বিষয়গুলো জানে না বুঝে না । জাষ্ট একটা একাউন্ট খুলেই এপ্লাই করতে থাকে । কিন্তু আপনি যদি উপরোক্ত বিষয়গুলো ফলো করেও কাজ না পান তাহলে আপনাকে আমরা পুরষ্কার দিব ।

ধন্যবাদ

লেখক:

মো: জামাল উদ্দিন

ফাউন্ডার

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট

ওয়েবসাইট: https://outsourcinghelp.net/

আপনি কি ফ্রিল্যান্সিং এ সফল হতে পারবেন ?

 

শুরুতে অনেকের মনে এই রকম প্রশ্ন আসে – আমি কি পারব ? 

 

১. আপনি পারবেন কিনা দুনিয়ার কেউ সেই ব্যাপারে গ্যারিন্টি দিতে পারবে না । সম্ভব না । আপনার গ্যারান্টি আপনাকেই দিতে হবে । আপনার স্ট্রেন্থ এবং উইকনেস কেবলমাত্র আপনিই জানেন । পাশাপাশি আপনি কতটুকু সময় দিতে পারবেন তাও শুধুমাত্র আপনিই বলতে পারবেন । 




২. যাদের মনে এই প্রশ্ন আসবে নিশ্চিতভাবেই বলা যায় যে তারা পারবে না । তারা ফ্রিল্যান্সিং এ না আসলেই ভাল হবে । কারণ যিনি এটা চিন্তা করছেন তার আত্নবিশ্বসের প্রচন্ড অভাব রয়েছে ।  ফ্রিল্যান্সিং হল শুধুমাত্র আত্নবিশ্বাসী মানুষদের জন্য । 



৩.  ফ্রিল্যান্সিং এ সফল হতে অনেক বেশী কম্পিউটার ও ইংলিশ জানতে হয় বা অনেক বড় বড় ডিগ্রী থাকতে হয়   তা মোটেও  না । আপনি এই মুহুর্তে কম্পিউটার ও ইংলিশ  ভালভাবে পারেন না তাতে কোন সমস্যা নেই ।  এখন চিন্তা করুন আপনি শিখার জন্য সময় দিতে পারবেন কিনা, কষ্ট করতে পারবেন কিনা ? খুব সহজ কথা – শিখলে পারবেন, না শিখলে পারবেন । প্রফেশনাল লেভেলে কাজ শিখে সঠিক গাইডলাইন অনুযায় অগ্রসরী হলে নিশ্চিতভাবেই সফল হবেন আর না হলে নিশ্চিতভাবেই বর্থ্য হবেন । 



৪. বাংলাদেশে লক্ষ লক্ষ ছেলে-মেয়ে ফ্রিল্যান্সিং করছে । আপনার চাইতে অনেক কম যোগ্যতাসম্পন্ন মানুষও অনেক ভাল ইনকাম করছে । তারা পারছে কিন্তু আপনি নাও পারতে পারেন । কারণ তারা যেভাবে চেষ্টা করেছে, যত কষ্ট স্বীকার করেছে, যেভাবে লেগে থেকেছে – তা আপনি পারবেন কিনা গভীরভাবে চিন্তা করুন ।  কোন কারণে প্রথম মাসে সফল না হলে দ্বিতীয় মাসে হবেন, দ্বিতীয় মাসে না হলে তৃতীয় মাসে হবেন । লেগে থাকলে নিশ্চিতভাবে সফলতা আসবে ।  যাদের  ধৈর্য নেই তাদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং না । 

 

৫. আমাদের হাজার হাজার স্টূডেন্ট টপ লেভেল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করছে । তারমধ্যে অনেকেই আছে যারা এখনো মাত্র স্কুলে পড়ছে কিন্তু বিদেশী অনেক বড় বড় কোম্পানীতে অনেক দায়িত্বশীল পদে কাজ করছেন । ইউটিউবে Jamal Sir লিখে সার্চ করলে এই রকম আমাদের হাজার হাজার ষ্টূডেন্টেদের সাপোর্ট এর ভিডিও রেকর্ড পাবেন । তাদেরকে দেখে আপনার উৎসাহিত হওয়ার কিছু নেই ।  প্রত্যেকটা স্টূডেন্টের সফলতার গল্প একটি ইতিহাস । কষ্টের ইতিহাস, লেগে থাকার ইতিহাস, হাল ছেড়ে না দেয়ার ইতিহাস । আজ যে মাসে ২/৩ লাখ টাকা ইনকাম করে শুরুতে সেও প্রচন্ড হতাশায় ভুগেছিল । কিন্তু তারা সেই হতাশা থেকে ওভারকাম করেই সফল হয়েছেন ।   আপনি চিন্তা করুন এই গুণগুলো আপনার আছে কিনা ?

 

৬. ফ্রিল্যান্সিং মানে অন্ধকার পথে পাহাড়ে উঠার চেষ্টা করা । আমরা সেই অন্ধকার পথে আলো ফেলে  হাত ধরে ধরে হাঁটায় । যাত্রা পথে যত রকম রিসোর্স দরকার তার সবকিছুই আমরাই প্রোভাইড করি । কারো  কষ্ট হলে আমরা তাকে সাপোর্ট দিয়ে হাঁটতে সাহায্য করি । কিভাবে কোন পথে হাঁটলে খুব সহজে পাহাড়ের চূড়ায় পৌঁছা যাবে সেই পথেই আমাদের সাথে নিয়ে যায় । টোটাল গাইডলাইন, টোটাল রেসপনসিবিলিটি । টোটাল সলিউশন ।  ঠিক এই কারণেই এক মাসের মধ্যেই আমাদের স্টূডেন্টরা সাকসেস হয় এবং কোর্স কোর্স চলাকালীন ইনকাম শুরু করতে পারে । উদ্দেশ্য ৬ মাস পর থেকে প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকার বেশী ইনকাম করা । মনে রাখতে হবে অন্য কেউ আপনাকে যতই হেল্প করুক, হাঁটতে হবে আপনাকেই । 

 

৭.  আমরা বেছে বেছে শুধুমাত্র তাদেরকেই ভর্তি করায় যারা নিজেদের ব্যাপারে প্রচন্ড আত্নবিশ্বাসী ও পরিশ্রমী । আর যারা মনে করবে শুধুমাত্র কোন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হলেই আকাশ থেকে টুপ টুপ ডলারের বস্তা পড়তে থাকবে তাদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং না । 

 

কোথাও ভর্তি না হয়ে, কোন টাকা খরচ না করে শুধুমাত্র আমাদের ফ্রি ভিডিওগুলো দেখে যদি প্রতি মাসে  কমপক্ষে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারেন তাহলে বুঝবেন আপনাকে দিয়ে হবে , আপনি পারবেন । আর যদি আমাদের এই ফ্রি ভিডিওগুলো দেখে  দশ হাজটার টাকাও  ইনকাম করতে না পারেন তবে বুঝবেন ফ্রিল্যান্সিং আপনার জন্য না । আপনি কোন ট্রেনিং সেন্টারে ভর্তি হলে শুধু শুধু আপনার টাকাটাই নষ্ট হবে । ধন্যবাদ । 

 

আমাদের ফ্রি কোর্সের লিংক:  http://www.outsourcinghelp.net/course/

ফ্রিল্যান্সিং কি বেকার সমস্যার সমাধান :

 

না । বেকারদের জন্য ফ্রিল্যান্সিং নয় ।  বেকার রা ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবে না । 

 

তাহলে পেপার বা টিভিতে কেন বলে যে এটি বেকারদের জন্য আশার আলো ?

 

আসলে প্রিন্টিং বা ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের এই সম্পর্কে গভীর জ্ঞান নাই । না থাকাটাই স্বাভাবিক । তারা প্রাথমিক বিষয়গুলো জেনেই রিপোর্ট লিখে এবং লক্ষ কোটি বেকারদেরকে মিথ্যা স্বপ্ন দেখায় । 

 

কেন বেকার রা ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবে না ?

 

১.  নিশ্চিত যে যারা নিজেদের বেকার বলে তাদের অনেক ভাল এডুকেশন কোয়ালিফিকেশন আছে । হয়ত বা অনেক ভাল রেজাল্টও আছে । কিন্তু কোন প্র্যাকটিক্যাল কাজের দক্ষতা নেই । যে কোন কাজ নিয়ে প্র্যাকটিক্যাল স্কীল আছে এমন কোন মানুষ বেকার থাকে না,  থাকতে পারে না । 

বেকাররা শুধুমাত্র সার্টিফিকেট এর উপর ভরসা করেই চাকরী খোঁজার চেষ্টা করে ।  আসলে তাদের কোন দোষ নেই আমাদের সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থাটাই থিউরিটিক্যাল , প্র্যাকটিক্যাল নয় । স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটি কোথাও আমাদেরকে স্কীল ডেভেলপের দিকে মনযোগ দেয় না । 

 

শুধুমাত্র সার্টিফিকেট বা ভাল রেজাল্ট দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করা যায় না ।   এখানে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ হল স্কীল । । যত ভাল কাজ পারবেন তত বেশী সেলারী পাবেন । এখানে আপনাকে কখনো সার্টিফিকেট দেখাতে হবে না । কোন বায়ার এডুকেশন কোয়ালিফিকেশন জিজ্ঞেস করবে না । তবে যে যত বেশী শিক্ষিত সে তত বড় দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে পারে এবং বেশী বুঝার ক্ষমতা থাকে  যার ফলে খুব কম সময়ের মধ্যে প্রমোশন পায় ও অনেক বেশী ইনকাম করতে পারে । আর  আপনি পড়াশুনা শেষ করেছেন নাকি এখনো স্টূডেন্ট তাতে কিছুই যায় আসে না । প্র্যাকটিক্যাল কাজ করতে পারেন কি পারেন না সেটাই মূল বিষয়



ফ্রিল্যান্সিং এ এডুকেশনের গুরুত্ব ২০% আর স্কীলের গুরুত্ব ৮০% ।  মজার ব্যাপার হল বাংলাদেশের ছেলেমেয়য়েরা এই অতি গুরুত্বপূর্ণ স্কীল ছাড়াই জব মার্কেটে ঢুকার চেষ্টা করে এবং বেশীরভাগই ব্যর্থ হয় । এটা আমাদের স্টূডেন্টেদের ব্যর্থতা না – এটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যর্থতা  ।




তাহলে কি বেকারদের পক্ষে ফ্রিল্যান্সিং করা কোনভাবেই সম্ভব না ?

 

অবশ্যই সম্ভব ।  প্রথমত নিজেকে বেকার ভাবা যাবে না । চিন্তা করতে হবে এইভাবে যে –  আমি এডুকেশন অর্জন করেছি কিন্তু আমার স্কীল নেই তাই এই মুহুর্তে আমি জব মার্কেটে ঢুকার চেষ্টা করব না ।  এখন আমাকে যে কোন একটা বিষয়ে প্র্যাকটিক্যাল কাজ শিখতে হবে ।  এ প্লাস পাওয়ার জন্য যেভাবে মনযোগ দিয়ে পড়াশুন করেছি ঠিক সেইভাবেই দক্ষতা অর্জনের জন্য পড়াশুনা করব । 

 

 যদি আপনি পড়াশুনা করার জন্য জীবনের ২৫/২৬ বছর পার করতে পারেন তবে যে কোন প্র্যাকটিক্যাল কাজ শিখার জন্য অবশ্যই আপনাকে ৬ মাস সকঠিন পড়াশুনা ও সাধনা করতে হবে ।  বেশীর ভাগ মানুষই সারা জীবন কঠিনভাবে পড়াশুনা করে খুব ভাল রেজাল্ট অর্জন  করে কিন্তু  দক্ষতা অর্জনের জন্য পড়াশুনা করতে চায় না এবং  এটাই যে সার্টিফিকেটের চাইতেও অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ণ সেটা উপলব্ধি করতে পারে না । সুতরাং স্কুল কলেজে যেভাবে মনযোগ দিয়ে পড়াশুন করেছেন তার চাইতেই বেশী মনযোগ দিয়ে প্র্যাকটিক্যাল ও প্রফেশনাল কাজ শিখতে হবে একদম শূণ্য থেকে। 



 

ফ্রিল্যান্সিং করতে কি শিখব ? কিসের উপর প্র্যাকটিক্যাল স্কীল ডেভেলপ করব ?

 

প্রথমত ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে আপনাকে অবশ্যই কম্পিউটার ও ইন্টারনেট সংক্রান্ত বেসিক কাজগুলো শিখতে হবে । 

 

দ্বিতীয়ত আপনি যে সাবজেক্টে অনার্স বা মাষ্টার্স করেছেন বা বর্তমানে যেই বিষয়ের উপর পড়াশুনা করছেন  সেই রিলেটেড জব সেক্টরে কি রকম স্কিল দরকার তা খোঁজ খবর নিন । যেমন আপনি যদি একাউন্টিং মেজর নিয়ে বিবিএ বা এম.বি এ করেছেন বা  এখনো স্টূডেন্ট তবে আপনি সিদ্ধান্ত নিন যে কোন ধরনের কোম্পানীতে আপনি একাউন্টিং জব করতে চান ।

 

 ধরে নিলাম আপনি রিয়েল এষ্টেট কোম্পানী তে জব করতে চান । তাহলে বিদেশী রিয়েল এষ্টেট বা হসপিটালে কিভাবে প্র্যাকটিক্যাল একাউন্টিং করা হয় তা শিখুন । ঐ সেক্টরে জব করছে এমন কারো কাছ থেকে শিখতে পারবেন ।  এমন কাউকে না পেলে Linked in এই রকম লাখ লাখ প্রফেশনাল পাবেন । তাছাড়া গুগল এবং ইউটিউবে হাজার হাজার ভিডিও ও টিউটোরিয়াল পাবেন যেগুলো দেখে আপনি প্র্যাকটিক্যাল নলেজ গ্রো করতে পারবেন । 



না আমি আমার সাবজেক্ট মেটার নিয়ে কাজ করতে চায় না । অন্য কিছু আরো সহজ কিছু নিজে কাজ করতে চায় এবং দ্রুত ইনকাম শুরু করতে চায়:

 

ভেরি গুড তাহলে নতুন অবস্থায় ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটে ঢুকার সবচাইতে সহজ কাজ হল – ডিজিটাল মার্কেটিং । খুব সহজ কাজ, কম সময়ে শিখা যায়, প্রত্যেক কোম্পানীকে এই কাজটা করাতেই হয় তাই এই কাজটাই সবচাইতে বেশী পরিমানে পাওয়া যায় । শুধুমাত্র এই কাজটি করেই আপনি প্রতি মাসে ৫০ হাজার বা তার বেশী ইনকাম করতে পারবেন । প্রতি মাসে কমপক্ষে ৩০ হাজার টাকা স্থায়ীভাবে ইনকাম হতে থাকলে তখন আপনি অন্যান্য রিটেটেড কাজেও স্কীল ডেভেলপ করতে পারবেন । শিখার জন্য সারা জীবন সময় আছে । আগে মূল কাজগুলো শিখে উপার্জন শুরু করতে হবে । 

 

সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজগুলো শিখে ইনকাম শুরু করতে এই লিংকটি ফলো করুন:  http://www.outsourcinghelp.net/classnotes/



ডিজিটাল মার্কেটিং থেকে কতভাবে ইনকাম করা যায় ?

 

ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ারের শুরুতে বেশীরভাগই মানুষই বুঝতে পারে না – কোন কাজ শিখবেন, কোন কাজের চাহিদা বেশী, কোনটি থেকে বেশী ইনকাম হবে এবং ঠিক কোন কাজটি আপনার জন্য উপযুক্ত । 

 

নতুন অবস্থায় আপনার জন্য সবচাইতে সহজ কাজ হবে ডিজিটাল মার্কেটিং  বা ভিন্ন নামে এস.ই.ও । 

কারণ এই কাজটি সবচাইতে বেশী পাওয়া যায়, সবচাইতে সহজ এবং কম সময়ের মধ্যে ইনকাম শুরু করা যায় । এই কাজটি করে প্রতি মাস ৩০- ৫০ হাজার টাকা প্রতি মাসে সহজেই ইনকাম করা যায় । এই কাজের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং প্রতি মাসে একটা নিশ্চিত ইনকাম সোর্স তৈরী হলে তখন আপনি অন্যান্য আরো এডভান্সড লেভেলের কাজ শিখতে পারবেন । শিখার সময় সারা জীবনই আছে । 

 

কাজটি আসলে কি ?

এটি হল কোন কোম্পানীর পক্ষে তাদের প্রোডাক্ট বিক্রির জন্য অনলাইনে প্রচার করা । অর্থাৎ ভালভাবে গ্রাফিক্স, এনিমেশন, প্রোডাক্ট ডেসক্রিপশন সহকারে কোন কোম্পনীর পণ্য অনলাইনে উপস্থাপন করা এবং লাখ লাখ টার্গেটেড কাষ্টমারের কাছে প্রচার করা ।  উদ্দেশ্য কোম্পানীকে অনলাইনে বিক্রি করার ব্যাপারে সহায়তা করা । বর্তমানে ব্যবসা মানেই অনলাইনে প্রচার করতেই হবে । বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটারের সাহায্য ছাড়া কোন কোম্পানীর জন্য ব্যবসা বাণিজ্য করা অনেক কঠিন হবে । আমাদের কেনাকাটা থেকে শুরু করে সবকিছুইতেই অনলাইন নির্ভরতা বাড়ছে । সুতরাং এই কাজের ভবিষ্যত কি তা নিজেই অনুমান করুন । 



এই ডিজিটাল মার্কেটিং কাজটি ভালভাবে শিখে আপনি যতভাবে ইনকাম করতে পারবেন :

 

১. মার্কেটপ্লেসে ফ্রিল্যান্সিং করে  । যেমন আপওয়ার্ক, ফাইভার ও অন্যান্য মার্কেটপ্লেসে প্রতিদিন এই বিষয়ে অসংখ্য পাওয়া যায় ।

 

২. ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস ছাড়া সরাসরি বিদেশী বড় বড় কোম্পানীর সাথে সরাসরি কাজ করতে পারবেন ।  এই ভাবে আপনি একটি বা দুইটি কোম্পনীতে ফিক্সড হয়ে গেলে একটা কোম্পানী থেকেই আপনি লাখ টাকার বেশী সেলারী ড্র করতে পারবেন । ( তাদের দেশের স্যালার স্ট্যান্ডার্ড অনুযায় এটা খুবই কম বেতন) । আপনি যদি সিরিয়াসলি ফ্রিল্যান্সিং করেন তবে নিচের কোন কাজ করার প্রয়োজন হবে না আর সময় ও পাবেন না । 

 

৩.  যদি আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে না চান তবে বাংলাদেশী যে কোন ছোট -বড় কোম্পানীতে  ডিজিটাল মার্কেটার হিসেবে কাজ করতে পারবেন । কারণ বর্তমানে প্রত্যেকটা প্রতিষ্ঠানকেই ফেসবুক পেইজ, ইউটিউব চ্যানেল এবং ওয়েবসাইট মেনটেইন করতেই হয়  । এই ডিজিটাল পেইজগুলোর মাধ্যমেই তার লক্ষ কোটি টাকার প্রোডাক্ট সেল করে । তাই এগুলো পরিচালনার জন্য কোম্পানীগুলো ভাল বেতনে দক্ষ ডিজিটাল মার্কেটার নিয়োগ করে । বর্তমানে প্রতিটি দোকান থেকে শুরু করে ছোট বড় মাঝারী লাখ লাখ প্রতিষ্ঠানে এই ডিজিটাল মার্কেটিং কাজের জব অপরচুনিটি তৈরী হয়েছে । 

 

৪. আপনি চাইলে কোথাও চাকরী না করেও কমিশন বেসিসে অন্যান্য কোম্পানীর জন্য কাজ করতে পারবেন । যেমন আপনি কোন লিফট কোম্পানীর জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং করুন- সকল প্রচারণায় আপনার ফোন নাম্বার বা ইমেইল দিন । আপনার প্রচারণার ফলে কোম্পানীর যে পরিমাণ সেল হবে তার ১০ % বা ২০ % কোম্পানী আপনাকে দিবে । এই ব্যাপারে আগেই চুক্তি করুন । এইরকম কাজ করার জন্য হাজার হাজার প্রোডাক্ট পাবেন এবং যে কোন কোম্পানীকে অফার করলেই তারা একপায়ে রাজী হবে । আমি উদাহরণ হিসেবে লিফট দিলাম আপনি এর জায়গায় টিভি, ফ্রিজ, এসি, ফ্ল্যাট, জায়গা-জমি ইত্যাদি যে কোন প্রোডাক্ট বসাতে পারেন । 

 

৫. ব্যবসা করুন । যে প্রোডাক্ট সম্পর্কে আপনার আইডিয়া আছে সেটা কম দামে পাইকারী কিনে অনলাইনে খুচরা বিক্রি করুন । 

 

৬. ড্রপ শিপিং:  মনে করুন কোন লোক মৌ চাষ করে । এখন সে ২০০ টাক কেজি দরে পাইকারী মধু বিক্রি করে । ঠিক সেই মধুই আপনি অনলাইনে ৫০০ টাকায় বিক্রি করতে পারবেন । তার জন্য আপনি প্রচার করবেন, কন্টেন্ট তৈরী করবেন । অর্ডার আসলে কাষ্টমারের ফোন নাম্বারটি তাকে দিন । মৌ চাষীই কষ্টমারকে কুরিয়ার করবে এবং আপনি কোন মধু স্টক না রেখে, কোন উৎপাদন বা সংরক্ষণ না করে, পণ্য পরিবহনের কোন ঝামেলায় না জড়িয়ে, কোন রিস্ক না নিয়ে, কোন খরচ না করে শুধুমাত্র ঘরে বসে কাজ করেই – আপনি নিজেও লাভবান হতে পারবেন এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে লাভবান করে দিতে পারবেন । এই সিস্টেমের নাম হল ড্রপ শিপিং । 

 

৭. এই জগতে ঢুকলে আপনার সাথে হাজারো ব্যবসায়ীর সাথে পরিচয় হবে যার ফলে নিত্য  নতুন চাকরী, নতুন আইডিয়া, বিজনেস প্রপোজাল চলে আসবে  । শুধু দরকার লেগে থাকা । এই অনলাইন জগৎ একটি মজার জগৎ  । আসলে আমাদের বাস্তব জগৎটা খুবই ছোট আর অনলাইন জগৎ অসীম । ধন্যবাদ । 

 

ফ্রি’তে সম্পূর্ণ প্রফেফশনাল লেভেলে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে এই লিংকটি ফলো করুন: http://www.outsourcinghelp.net/classnotes/

 

পেপ্যাল কি  ? এটি ছাড়া কি ফ্রিল্যান্সিং করা যাবে না । পেপ্যাল ছাড়া আমাদের আদৌও কোন অসুবিধা হচ্ছে কিনা ?



বাংলাদেশে সবচাইতে জনপ্রিয় পেমেন্ট ট্রান্সফার মাধ্যম হল ”বিকাশ” । ঠিক তেমন বিশ্বব্যাপী সবচাইতে পপুলার পেমেন্ট ট্রান্সফার সিস্টেম হল “পেপ্যাল” । তাদের ওয়েব সাইট: www.Paypal.com

 

মনে করুন আপনার ব্যাংক একাউন্ট, বিকাশ, রকেট, নগদ সবকিছু আছে । এখন আপনি বাংলাদেশের অন্য শহরে থাকা কোন বন্ধুকে পাঁচ হাজার টাকা পাঠাবেন । এখন আপনার জন্য সবচাইতে সহজ হবে কোনটি – ব্যাংকে গিয়ে টাকা পাঠানো নাকি বিকাশে দেয়া । নিশ্চিত আপনি ব্যাংকে না গিয়ে বিকাশেই টাকা পাঠাতে পছন্দ করবেন । কথা হল শুধু বিকাশ কেন ? রকেট বা নগদ দিয়েও তো ইন্সট্যান্ট টাকা পাঠানো যায় ? কিন্তু সবার কাছে রকেট বা নগদ নাও থাকতে পারে । কিন্তু বিকাশ থাকবেই । 

 

তাই দূরের কারো কাছে টাকা পাঠানো বা টাকা নেয়ার প্রসঙ্গ উঠলেই আমাদের মাথায় আসসে বিকাশ এর কথা । ঠিক তেমনি ইউরোপ এবং আমেরিকাতে প্রত্যেক নাগরিকেরই পেপ্যাল একাউন্ট আছে এবং পেপ্যালে টাকা পাঠাতে তারা সবচাইতে কমফোর্ট ফিল করে । কারণ ব্যাংকে না গিয়ে মুহূর্তেই মোবাইলের মাধ্য যে কাউকে টাকা পাঠাতে পারে এবং টাকা রিসিভ করতে পারে । 

 

ফ্রিল্যান্সিং এ পেপ্যাল কেন গুরুত্বপূর্ণ:

৮০% বায়ার পেপ্যাল দিয়েই ফ্রিল্যান্সারদের সেলারী পরিশোধ করতে পছন্দ করে । এখন মনে করুন একটি বিদেশী প্রতিষ্ঠানে ১০ জন ফ্রিল্যান্সার কাজ করে । আপনিও তাদের একজন  । এখন বায়ার ৯জনকে পেপ্যালে পেমেন্ট করছে কিন্তু আপনাকে করতে পারছে না  । কারণ আপনার পেপ্যাল একাউন্ট নেই । তাহলে বায়ার বিরক্তিবোধ করবে এবং শুধুমাত্র আপনার জন্য সে ভিন্ন কোন পেমেন্ট সিষ্টেম ব্যবহার করতে চাইবে না ।  এতে আপনার পেমেন্ট পেতে অনেক অসুবিধার সম্মূখীন হতে পারেন । 

 

বাংলাদেশ থেকে পেপ্যাল ব্যবহার করা যায় না কেন ?

যেহেতু পেপ্যালের মাধ্যমে বিশাল অর্থনৈতিক লেনদেন হবে এবং এই লেনদেনদে সামান্য পরিমাণ হ্যাকিং হয়ে কোন বাংলাদেশের কোন গ্রাহক ক্ষতির সম্মূখীন হলে সারা বিশ্বব্যাপী তাদের সুনাম নষ্ট হবে ।  তারা মনে করে বাংলাদেশে এখনো ডিজিটাল সিকিউর লেনদেন এর  অবকাঠামো তৈরী হয়নি । যদিও বিষয়টি সত্য নয় তবু তারা ভয় পাচ্ছে এখানে তাদের সেবা চালু করতে । সরকার গত কয়েকবছর ধরেই চেষ্টা করে যাচ্ছে । আশা করি অচিরেই বাংলাদেশে পেপ্যাল চালু হবে । 

 

পেপ্যাল এর বিকল্প কি ?

বাংলাদেশে Paypal এর একটি সাবসিডিয়ারী কোম্পনীর সেবা চলু আছে যেটার মাধ্য পেপ্যালে পাঠানো টাকা রিসিভ করা যায় ।  এটির নাম Xoom .  ওয়েবসাইট www.Xoom.com অর্থাৎ কোন ব্যাক্তি যদি পেপ্যালের মাধ্যমে টাকা পাঠায় সেটা আপনি জুম থেকে রিসিভ করতে পারবেন । জুমে একটি একাউন্ট খুলুন এবং সেখানে আপনার যে কোন ব্যাংক একাউন্ট যুক্ত করুন । তাহলে পৃথিবীর যে কোন প্রান্ত থেকে যে কোন বায়ার আপনাকে পেপ্যাল এর মাধ্যমে পেমেন্ট করলে তা জুম এর মাধ্যমে সরাসরি আপনার ব্যাংক একাউন্টে জমা হয় ।  তবে জুমের মাধ্যমে অনেক বেশী টাকা পাঠানো যায় না । কিছু সীমাবদ্ধতা আছে যেটা পেপ্যালে নেই । 



পেপ্যাল ছাড়া বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে চলছে ?

 

১. আপনি যতদিন মার্কেটপ্লেসে কাজ করবেন ততদিন পেপ্যাল লাগবে না । ফাইভার, আপওয়ার্ক, ফ্রিল্যান্সার ডট কম সহ যে কোন মার্কেটপ্লেসে সরাসরি বাংলাদেশী ব্যাংক একাউন্ট যুক্ত করা যায় । খুব সহজে আপনার ইনকাম সরাসরি আপনার ব্যাংকে জমা হবে । সরকার এই টাকার উপর কোন ট্যাক্স নেয় না বরং ২% বোনাস দেয় ।  আপনি যদি ১০০ টাকা ইনকাম করেন ব্যাংক আপনাকে দিবে ১০২ টাকা  । ফ্রিল্যান্সিংকে উৎসাহিত করার জন্যই সরকার এই ইনসেটিভ দেয় । 

 

সুতরাং যতদিন আপনি মার্কেটপ্লেসে কাজ করবেন ততদিন পেপ্যাল কি জিনিস, খায় নাকি মাথায় দেয় তা আপনার না বুঝলেও চলবে । 

 

২. যদি আপনি ইউটিউব চ্যানেল থেকে ইনকাম করেন তাহলে ইউটিউবের সাথে (গুগল এডসেন্স) সরাসরি ব্যাংক একাউন্ট সংযুক্ত করতে পারবেন । প্রতি মাসের ১৫ থেকে ২০ তারিখের মধ্যে ইউটিউবের ইনকাম আপনার ব্যাংকে অটোম্যাটিক্যালি জমা হবে  ।

 

৩. যদি আপনি ফেসবুকের ভিডিও মনিটাইজ করে ইনকাম করেন বা এমাজনের সাথে এফিলিয়েটস মার্কেটিং করে ইনকাম করে তাহলে তারাও সরাসরি ব্যাংক একাউন্টে পেমেন্ট ট্রান্সফার করে । 

 

৪. এই রকম যত বড় বড় ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানী আছে সবার সাথে বাংলাদেশের ব্যাংক কানেকশন আছে । সবার কাছ থেকে আমরা ব্যাংকে পেমেন্ট নিতে পারি । 



তাহলে পেপ্যাল কেন লাগে ? কেন সবাই পেপ্যালের জন্য হাহাকার করে ?

 

যদি আপনি বিদেশী কোন কোম্পানীর সাথে বা কোন একক বায়ারের সাথে কাজ করেন তবে তারা ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে পছন্দ করে না । তাদের পছন্দ শুধুই পেপ্যাল । তবে  বড় কোম্পনীগুলোতে ব্যাংকের সিষ্টেম থাকে । 

 

তবে সেই সকল ছোট কোম্পানী ও ছোট বায়াদেরদের কাছ থেকে মার্কেটপ্লেসের মাধ্যমে পেমেন্ট নিতে পারবেন । অর্থাৎ আপনার টাকা তারা ফাইভার বা আপওয়ার্কে পে করবে এবং  সরাসরি আপনার ব্যাংকে ট্রান্সফার চলে আসবে  । কিন্তু এভাবে প্রায় মার্কেটপ্লেসগুলো আমাদের কাছ থেকে প্রায় ২০% পেমেন্ট কেটে নেয় ।  এটাই আমাদের লস  ।

 

অর্থাৎ বাংলাদেশে সরাসরি পেপ্যাল থাকলে আমাদেরকে এই অতিরিক্ত ২০% খরচ হত না  । বাংলাদেশে অফিসিয়্যালি পেপ্যাল চালু হলে আমাদের এটাই লাভ হবে  ।

পেপ্যাল চালু না থাকলেও কিভাবে আপনি বাংলাদেশে বসে পেপ্যালের সেবা নিবেন ?

 

 আপনার বিদেশে থাকা কোন আত্নীয় এর পেপ্যাল একাউন্ট ব্যবাহার করতে পারবেন  । বাংলাদেশী প্রবাসাীরা যে সকল দেশে থাকে তার প্রত্যেক দেশেই পেপ্যাল চালু আছে ।  বায়ারকে আপনার আত্নীয়ের পেপ্যাল একাউন্ট দিবেন এবং উনি তা সরাসরি আপনার ব্যাংক একাউন্টে রেমিটেন্স হিসেবে পাঠাবে । 




মাষ্টারকার্ড, ভিসা কার্ড  কার্ড এর মাধ্যমে কিভাবে পেমেন্ট নিবেন ?

 

প্রায় শতভাগ বিদেশী কোম্পানী মাষ্টারকার্ড বা ভিসা কার্ড ব্যবহার করে । সুতরাং আপনার যদি একটি ইন্টারন্যাশনাল ডুয়েল কারেন্সি মাষ্টারকার্ড বা ভিসা কার্ড থাকে তবে আপনি খুব সহজেই পেমেন্ট রিসিভ করতে পারবেন । বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য মাষ্টারকার্ড প্রোভাইড করে ব্যাংক এশিয়া । কার্ড এর নাম: স্বাধীন মাষ্টার কার্ড ।  তাছাড়া ইসলামী ব্যাংকের আছে ইন্টারন্যাশনাল ভিসা কার্ড । 

 

সিদ্ধান্ত:  পেপ্যাল যদি বাংলাদেশে কখনোই না আসে আমাদের কোথাও কোন প্রবলেম হবে না । ধন্যবাদ । 

 

সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ফ্রিল্যান্সিং শিখতে এই লিংকটি ফলো করুন  :   http://www.outsourcinghelp.net/course/

 

ডলারের দাম বাড়লে ফ্রিল্যান্সারদের কি কি সুবিধা হবে ?



সাম্প্রতিক যে হারে ডলারের দাম বাড়ছে তাতে সবাই দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং  এর সম্ভাব্য ইফেক্ট নিয়ে খুবই চিন্তিত কিন্তু মজার বিষয় হল ডলারের দাম যত বাড়বে আমাদের ইনকাম ও তত বাড়বে । যেমন আগে এক হাজার ডলার ফ্রিল্যান্সিং ইনকাম ব্যাংক ট্রান্সফার করলে আমরা পেতাম ৮০ হাজার টাকা । কিন্তু এখন আমরা পাচ্ছি এক লাখ টাকার বেশী । 

 

আপনি বাংলাদেশের যত বড় চাকরীই করেন না কেন, আপনার যত বেশী যোগ্যতাই থাকুন না কেন দেশের মধ্যে এক লাখ টাকা বেতন পাওয়া খুবই কঠিন । কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং করে এখন মাসে এক লাখ টাকা ইনকাম করা খুবই সহজ । কারণ মাত্র এক হাজার ডলার ইনকাম করতে পারলেই সেটা এক লাখ টাক হয়ে যাচেছ  । 

 

ইউরোপ আমেরিকার প্রেক্ষাপটে মাসে এক হাজার ডলার ইনকাম এটা খুবই খুবই সামান্য ব্যাপার । উন্নত দেশে যে কোন চাকরীর জন্য মাসে ৪/৫ হাজার ডলার সেলারী দেয় । সেই তুলনায় এক হাজার ডলার খুবই খুবই নগণ্য একটি এমাউন্ট । 

 

মনে করুন আপনি ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে  ওয়েবসাইট তৈরী করতে পারেন । একটি ওয়েবসাইট তৈরীর জন্য মিনিমাম সেলারী হল ৩০০ ডলার, কাজটি করতে সময় লাগবে মাত্র ১ দিন । এখন আপনি যদি পুরো মাসে মাত্র ৫ টি কাজ পান , মাত্র ৫ দিন খুব ভালভাবে কাজ করেন তাহলে আপনার দেড় হাজার ডলার অর্থৎ প্রায় দেড় লাখ টাকা ইনকাম হচ্ছে । অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে ?  ভালভাবে জানুন, বুঝুন, খোঁজ-খবর নিন । এখানে ওয়েবসাইট তৈরী জাষ্ট একটি উদহরণ এখানে যে কোন কাজ হতে পারে । 

 

সামনে ডলারের দাম যত বাড়বে আমাদের ইনকামও তত বাড়বে  । এখন সার্বিকভাবে বৈশ্বিক পরিস্তিতিতে প্রতীয়মান হচ্ছে ডলারের দাম আরো বাড়বে । 

যদিও আমরা এটা কখনো কামনা করি না কারণ ডলারের দাম বেড়ে গেলে এটা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য খুবই ক্ষতিকর । কিন্তু আমরা যাই কামনা করি না কেন ডলারের দাম ভবিষ্যতে আরো অনেক বাড়বে । যেটার উপর আমাদের কোন নিয়ন্ত্রণ নাই । 

 

তবে দেশের কয়েকলাখ ফ্রিল্যান্সার প্রতিদিন যে পরিমাণ ডলার বৈধভাবে ব্যাংকিং চ্যনেলে দেশে আনছেন তাতে দেশের বাজারে ডলারের দাম স্থিতিশীল থাকছে । কারণ ফ্রিল্যান্সাররা সরাসরি ডলার ইনকাম করে দেশের রিজার্ভ বাড়াচ্ছে । দেশের এই সঙ্কটময় মুহুর্তে ফ্রিল্যান্সাররা মুক্তিযোদ্ধার ভূমিকা পালন করছেন । হ্যাটস অফ । 

 

তাই আপনি যদি আসলেই দেশকে ভালবাসেন তাহলে যার যা আছে তাই নিয়ে যুদ্ধ শুরু করুন  । দেশকে বাঁচানোর যুদ্ধ । আমাদের অস্ত্র হল ল্যাপটপ এবং ইন্টারনেট । আমরা আপনার সাথে আছি সবসময় । 

 

আমাদের সম্পূর্ণ ফ্রি কোর্স করে আপনি নিশ্চিতভাবে  প্রথম মাস থেকে ইনকাম শুরু করতে পারবেন । 

ফ্রি কোর্স লিংক:  https://outsourcinghelp.net/




জেনারেল পড়াশুন বনাম আই.টি পড়াশুনা কোনটিতে স্টাবলিশ হওয়া সহজ ?



আপনি অবশ্যই জেনারেল পড়াশুনা করবেন । স্কুল, কলেজ, মাদ্রসায় পড়বেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্ছ ডিগ্রী নিবেন তাতে কোন সমস্যা নাই। কিন্তু আমরা সবচাইতে বড় যে ভুলটি করি তা হল- আমরা শুধু একটি সার্টিফিকেট অর্জনের চেষ্টা করি এবং সেই সার্টিফিকেট দিয়ে ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখে যেটি খুবই হাস্যকর । 

 

কেন হাস্যকর হবে ? সবাই তো এটাই করে । আর ভাল রেজাল্ট না করলে ভাল চাকরী পাবে কি করে ? ওকে লেটস এক্সপ্লেইন । 

 

১. একাডেমিক পড়াশুনার উদ্দেশ্য হল নিজেকে ডেভেলপ করা, সভ্য ও সুশীল হওয়া । জংলী মানুষ এবং আধুনিক সভ্য মানুষ – দুজইন মানুষ । দুজনের মধ্যে পার্থক্য হলে পড়ালেখা । যত বেশী পড়ালেখা করবেন ততই আপনার মানবিক বোধগুলো জাগ্রত হবে এবং আপনি ততই সমাজে গ্রহণযোগ্য হবেন । 

 

কিন্তু এই পড়াশুনার সাথে সরাসরি ইনকামের কোন সম্পর্ক নাই । আপনি খেয়াল করবেন স্কূল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা যা কিছু শিখি সেখানে সরারসরি টাকা ইনকাম কিভাবে করতে হবে সেই রিটেটেড কোন কিছু নাই । তো বুঝতেই পারছেন টাকা ইনকাম করাটা পড়াশুনার উদ্দেশ্য না । 

 

২. মনে করুন মিষ্টার আবুল বাংলা সিনেমার নায়কের মত ফার্ষ্ট ক্লাস ফাষ্ট হয়েছে । এখন আবুল যদি সার্টিফিকেট নিয়ে কোন কোম্পানীতে চাকরী করতে যায় তাকে শুরুতেই প্রশ্ন করবে আপনি কি কাজ জানেন ? আবুল বলবে আমি এখনে চাকরী করি নাই তাই কোন অভিজ্ঞতা নাই । কিন্তু আমি ফাষ্ট ক্লা……….. । কোম্পানীর দরকার কাজের লোক, দক্ষ লোক যে সরাসরি ফিল্ডে কাজ করতে পারবে । তাই স্বাভাবিকভাবে তারা আবুলকে রিজেক্ট করবে । এইভাবে লক্ষ লক্ষ বেকার ছেলে মেয়েরা পথে পথে খুরছে । 

 

৩. তাহলে কিভাবে সহজে চাকরী পাব কিভাবে অনেক বেশী টাকা ইনকাম করব ? 

পড়াশুনা শেষ করার পর বা পড়াশুনা চলাকালীন যে কোন একটি বা একাধিক আই.টি রিলেটেড কাজে স্কীল অর্জন করতে হবে । যেমন:

 

ডিজিটাল মার্কেটিং

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট

ই-কমার্স সাইট তৈরী ও মেইনটেন্স

শপিফাই

গ্রাফিকস ডিজাইন  ইত্যাদি । 

 

এখন যদি আপনি এই রকম কোন আই.টি বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করেন তাহলে খুব সহজেই বাংলাদেশেী যে কোন কোম্পানীতে আপনার চাকরী হবে । কারণ বার্তমানে দেশের প্রত্যেক কোম্পানীতে এমনকি একটি ছোট দোকানেও ডিজিটাল মার্কেটার প্রয়োজন হয় । লক্ষ লক্ষ চাকরীর অপরচুনিটি আছে এই সেক্টরে, লাখ লাখ পোষ্ট খালি আছে কিন্তু উপযুক্ত লোক পাওয়া যাচ্ছে না । কারণ বাংলাদেশের কোন স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটি এই স্কীলগুলো শিখায় না ।  শুধু এগুলো শিখে খুব সহজে যে কোন কোম্পানীতে ৩০ – ৫০ হাজার টাকার চাকরী পাওয়া যায় অতি সহজেই  কোন মামা চাচা ছাড়া  ।  কোন কম্পিটিশন ছাড়াই । আর সবচাইতে মজার বিষয় হল বাংলাদেশের কোন কোম্পানীতে ৮ ঘন্টা কাজ করে আপনি যদি ৩০,০০০ টাকা ইনকাম করতে পারেন তাহলে বিদেশী কোম্পানীতে কাজ করলে তার ৫ গুণ অর্থাৎ প্রায় দেড় লাখ টাকা বেতন পাওয়া যায় । 



বাংলাদেশে দুটি চিত্র দেখবেন:  একদিকে বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাষ্টার্স শেষ করে সার্টিফিকেট নিয়ে পথে পথে ঘুরছে আর আরেকদিকে খুব সামান্য পড়াশুনা করে, খুব খারাপ রেজাল্ট নিয়েও শুধুমাত্র ডিজিটাল স্কীল শিকে মাসে লাখ টাকার বেশী ইনকাম করছে আবার আরো দশজনকে চাকরীও দিচ্ছে । 

 

সুতরাং যারা স্টূডেন্ট আছেন তারা এখনই সিদ্ধান্ত নিন আপনি পড়াশুনা শেষ করে কোন কাতারে সামিল হবেন । 

 

ধন্যবাদ ।  

 

লেখক:

মো: জামাল উদ্দিন

ফাউন্ডার

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট

 

আমাদের সম্পূর্ণ ফ্রি কোর্স করে আপনি নিশ্চিতভাবে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ গুলো শিখে  প্রথম মাস থেকে ইনকাম শুরু করতে পারবেন । 

ফ্রি কোর্স লিংক:  https://outsourcinghelp.net/





কোনগুলো ফ্রিল্যান্সিং না ?



যে যে কাজগুলোকে মানুষ মনে করে ফ্রিল্যান্সিং কিন্তু এগুলো আসলে ফ্রিল্যান্সিং না । এগুলো বে-আইনী, অনৈতিক এবং ক্ষতিকর । আসুন আমরা বিষয়গুলো জানি যে ফ্রিল্যান্সিং এর নামে কি কি করলে আপনি বিপদে পড়তে পারেন । 


১. অনলাইন বেটিং সাইট: 

অনেকগুলো সাইট আছে যেখানে ক্রিকেট, ফুটবল বা যে কোন খেলে নিয়ে বাজী ধরা যায় । এটা সম্পূর্ণ বে-আইনী । 


২. অনলাইন ক্যাসিনো সাইট:

অনলাইনে সরাসরি জুয়ার সাইট । সরাসরি জুয়া খেলা আর অনলাইনে খেলা একই কথা । আপনি আপনি পরিচিত অনেক মানুষের কথা শুনবেন যে জুয়া খেলে বাড়ী গাড়ী বিক্রি করে নি:স্ব হয়েছে । কিন্তু জুয়া খেলে কেউ বাড়ী গাড়ী করতে পেরেছে কিনা খবর নিয়ে দেখুন । একজনও পাবেন না । সুতরাং আত্নহত্যা করার শখ থাকলে বিষ না খেয়ে জুয়া খেলুন । 


৩. ফরেক্স: 

প্রতি সেকেন্ডে সেকেন্ডে লাভ । লাভ আর লাভ । কয়েকদিনেই কোটিপতি । ফরেক্স কোম্পানীগুলো এইভাবেই প্রচার করে । কথা হল যেখানে অল্প সময়ে কোটিপতি হওয়ার সুযোগ আছে বলা হবে আপনি বুঝে নিবেন সেখানে গিয়ে ফকির হতে খুব বেশী সময় লাগবে না  ।


৪. সি.পি. এ মার্কেটিং:

এটি আসলে সত্যিকারের ফ্রিল্যান্সিং না । এটা স্প্যামিং । এখানে আপনিকে বিভিন্ন কোম্পানীর লিংকগুলো ফেসবুক সহ বিভিন্ন জায়গায় শেয়ার করতে হবে । প্রতি লিংক শেয়ারের জন্য তারা খুব সামান্য কিছু টাকা দেয় যেমন ৩/৫ টাকা । এইভাবে আপনি যদি সারাদিনও কাজ করেন ২০০ টাকাও ইনকাম করা যাবে না । আর কেউ যদি ৫ বছরও সি.পি. এ করে তার এই এক্সপেরিয়েন্স কোন কাজে লাগবে না । আরো একটি খারাপ বিষয় হল যে পর্ণ সাইট, মদের কোম্পানী ইত্যাদি ইলিগ্যাল ও আনইথিক্যাল কোম্পানীগুলো সি. পি. এ মার্কেটিং এর মাধ্যমে তাদের বিজনেসকে প্রমোট করায় যেটার ইনকাম সম্পূর্ণ হারাম । 



৫. ক্লিক ব্যাংকে ক্লিক করে আয়:

আপনি অনেককেই বলতে শুনবেন শুধুমাত্র ক্লিক করেই লাখ লাখ টাকা ইনকাম করা যায় । কিছুই শিখতে হবেনা । শুধু ক্লিক করলেই হবে । এই ক্লিকব্যাংক কোম্পানীগুলো প্রথমত প্রতারণা করে তাদের ক্লাইয়েন্টদের সাথে । ক্লায়েন্টকে দেখায় যে দেখ তোমার বিজ্ঞাপনে কত বেশী মানুষকে আমরা এনগেজ করেছি । আসলে যাদেরকে দিয়ে ক্লিক করিয়েছে তারাতো কেউ ওই কোম্পানীর ক্রেতা না । আরেকভাবে প্রতারণা করে যাদেরকে দিয়ে কাজ করাচ্ছে তাদের সাথে । মনে করুন আপাকে বলল ১০ হাজার ক্লিক করার পর আপনাকে ১০ ডলার দিবে । কিন্তু আপনাকে শর্ত দিবে যে ১০০০ হাজার ডলার না হলে আপনি পেমেন্ট উইথড্র করতে পারবেন না । আপনি কখনো এটা করতেও পারবেন না আর তাদেরকেও টাকা ‍দিতে হবে না  ।

শুধু ক্লিক করেই যদি টাকা ইনকাম করা যেত তাহলে বাংলাদেশের মানুষ আর কিছুই করত না । শুধু রাত দিন ক্লিক করত । 


৬. ইনভেষ্ট করে প্রতি মাসে ইনকাম:

আপনাকে কিছুই করতে হবে না । জাষ্ট ১০ লাখ ইনভেষ্ট করবেন আর প্রতি মাসে ১ লাখ করে লাভ পাবেন এইভাবে আজীবন পেতেই থাকবেন । খুব সহজেই কোটিপতি ।  আসলে কোটিপতি ঠিকই হওয়া যাবে কিন্তু আপনি না তারা হবে । সুতরাং যাদের কাছে টাকা হাতের ময়লা এবং রাতারাতি ফকির হতে চান তার ইনভেস্ট করুন আর স্বপ্ন দেখতে থাকুন । 



উপরোক্ত কাজগুলো করা মানে শুধু শুধু সময় নষ্ট । এগুলো কেন ক্যারিয়ার না, কোন পেশা না । এবং এই সবগুলোই অনৈতিক । 



তাহলে কোনগুলো আসল ফ্রিল্যান্সিং:

খুব সহজ । আপনাকে কাজ শিখতে হবে । তারপর কোন ক্লায়েন্ট আপাকে হায়ার করবে । আপনি তার জন্য কাজ করবেন, জমা দিবেন সে আপনার ব্যাংক একাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করে দিবে । 


কি কাজ শিখতে হবে: 

যে কোন এক বা একাধিক ডিজিটাল স্কীল শিখতে হবে যেমন

ডিজিটাল মার্কেটিং

গ্রাফিক ডিজাইন

ওয়েবসাইট তৈরী ইত্যাদি । 


আপনি ইউটিউব এবং ইন্টারনেটে সার্চ করে নিজে নিজে এগুলো শিখে ইনকাম শুরু করতে পারবেন । আসল ফ্রিল্যান্সিং করতে কোন ইনভেষ্ট করতে হয় না, কোন টাকা খরচ করতে হয় না । শুধু কষ্ট করে ৩ মাস কাজ শিখতে হয় । 




ধন্যবাদ ।  


লেখক:

মো: জামাল উদ্দিন

ফাউন্ডার

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট


আমাদের সম্পূর্ণ ফ্রি কোর্স করে আপনি নিশ্চিতভাবে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ গুলো শিখে  প্রথম মাস থেকে ইনকাম শুরু করতে পারবেন । 

ফ্রি কোর্স লিংক:  https://outsourcinghelp.net/





ফ্রিল্যান্সিং করতে কি রাত জাগতে হয় ?



আপনাকে হায়ার করার পর বায়ার আপনাকে কাজ বুঝিয়ে দিবে এবং একটা সময়সীমা দিবে যে আপনাকে আগামী ৩/৫/৭ দিনের মধ্যে কাজটি করে শেষ করতে হবে । 


এখন কাজটি নেয়ার পর আপনি আপনার সুবিধামত সময়ে কাজ করতে পারবেন ।  আপনি চাইলে দিনে করতে পারেন বা চাইলে রাতে করতে পারেন । যখন ইচ্ছা তখন করতে পারেন । করলেই হল । করার পর আপনি দিনে বা রাতে যে কোন সময় কাজটি জমা দিতে পারবেন । আর আপনি কাজ জমা দেয়ার পর বায়ার অনলাইনে যখন আসবে তখন আপনার কাজ চেক করবে এবং আপনাকে পেমেন্ট করবে । 


সহজ কথা হল কাজ করার জন্য কোন নির্দিষ্ট টাইম নাই । দিনে বা রাতে যখন ইচ্ছা তখন কাজ করতে পারবেন । বায়ারের কাজ দরকার আপনি কখন করেছেন সেটা তার জন্য কোন গুরুত্বপূর্ণ কিছু না । আর করার পর যখন ইচ্ছা তখন জমা দিতে পারবেন । 


তবে এখানে দুটি বিষয় আছে:


১. আমাদের বেশীরভাগ বায়ার আমেরিকান । তারা অফিসে আসে তাদের টাইমে সকাল ৯টায় । তারা অফিসে এসেই আগে হায়ার করে । সকাল ৯টা থেকে ১২ টা পর্য়ন্ত এই ৩ ঘন্টা তারা ফ্রিল্যান্সারের সাথে  ইন্টারভিউ করে  এবং  নিয়োগ দেয় । তাদের যখন সকাল ৯টা তখন আমাদের এখানে রাত ৯টা । সুতরাং বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা – ১২ টা এই টাইমটা ফ্রিল্যান্সিং কাজ পাওয়ার সবচাইতে ভাল সময় । এই সময়ে বায়ার আপনাকে নক করার সম্ভাবনা খুব বেশী । তো যখনই বায়ার আপনাকে মেসেজ করবে আপনি যদি সাথে সাথে রিপ্লাই করতে পারেন তাহলে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা সবচাইতে বেশী । 


আরেকটি মজার বিষয় হল যখন আপনার ২/৩ জন ফিক্সড বায়ার হয়ে যাবে তখন আর নতুন বায়ার খোঁজার প্রয়োজন হবে না । তখন আর রাত ১২ টা পর্যন্ত না জাগলেও চলবে । 


২.  কিছু কিছু কাজ আছে যেগুলো তাদের সময় মেনে করতে হয় সেগুলোর জন্য আপনাকে রাত জাগতে হবে । মনে করুন বিদেশী কোন কল সেন্টারের জব । আপনাকে তাদের অফিস টাইম অনুযায়ী কাজ করতে হবে । আর তাদের দিন মানে আমাদের রাত । তবে এই রকম চাকরী খুবই খুবই কম । এই রকম চাকরী আপনি করবেন না । তাহলে রাত জাগার আর কেনা প্রয়োজন হবে না । 



তাহলে কেন বেশীরভাগ ফ্রিল্যান্সার রাত জেগে কাজ করে ?


আসলে তাদেরকে কেউ বাধ্য করে না তারা তাদের মনের খুশিতে করে ।  হয়ত দিনের বেলায় অন্য কোন কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকে, অথবা রাতের নিরিবিলি পরিবেশে অনেক মনযোগ দিয়ে কাজ করতে পারে । 


যাহোক ফ্রিল্যান্সিং করতে আপনাকে কোন বায়ার রাতে কাজ করতে বাধ্য করবে না । ধন্যবাদ । 



ধন্যবাদ ।  




লেখক:

মো: জামাল উদ্দিন

ফাউন্ডার

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট


আমাদের সম্পূর্ণ ফ্রি কোর্স করে আপনি নিশ্চিতভাবে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ গুলো শিখে  প্রথম মাস থেকে ইনকাম শুরু করতে পারবেন । 

ফ্রি কোর্স লিংক:  https://outsourcinghelp.net/





আমি যদি শিক্ষামন্ত্রী হই ?



১. নৈতিক শিক্ষা নামে একটি সাবজেক্ট সকল ক্লাসে অন্তভুক্ত করব যেন শিক্ষিত দানব তৈরী না হয় । ন্যায় অন্যায় বোধ প্রবলভাবে সবার মধ্যে তৈরী করব ।

২. শিক্ষকদের বেতন এক লাখ  টাকা করব । সকল স্তরের শিক্ষক রা প্রজাতন্ত্রের সকল কর্মকর্তার চাইতে বেশী সেলারী পাবে যেন জাতির শ্রেষ্ট সন্তানরা শিক্ষকতা পেশাকেই বেছে নেয় ।  কথা হল মেধাবীরা যদি শিক্ষা না দেয় মেধাবী জাতি তৈরী হবে কিভাবে ?

৩. সরকারী বেসরকারী চাকরী করা কে নিরুৎসাহিত করে সবাইকে উদ্যোক্তা হতে উৎসাহিত করব ।  নতুন আইডিয়া লালন করব এবং উদ্যোক্তাদের সামাজিক মর্যাদা এবং সুরক্ষা নিশ্চিত করব ।

৪. সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে সাধারণ শিক্ষা বন্ধ করে দিয়ে শুধুমাত্র কর্মমূখী  শিক্ষা চালু করব ।  পড়াশুনা শেষ করে একটা ছেলেও বেকার থাকবে না ।

৫.  এডভান্সড লেভেল কম্পিউটার শিখা বাধ্যতামূলক করব ।

৬.  প্রত্যেক ক্লাসে নতুন উদ্যোক্তা হওয়ার কৌশল ও প্রসিডিউর সংক্রান্ত একটি সাবজেক্ট রাখব । ১ জন সফল উদ্যোক্তা = হাজার মানুষের কর্মসংস্থান ।

৭. দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি কৃষি না বরং শিল্প এই বোধ ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে জাগ্রত করব । করণ যে পরিমাণ জমিনে এক মণ ফসল পাওয়া যায় সেই পরিমাণ জমিতে শিল্প গড়লে তার চাইতে হাজারগুণ আয় হবে, এক্সপোর্ট বাড়বে, ইকোনোমি সমৃদ্ধ হবে ।

৮.  শিল্প করখাানার মালিক হওয়া, বড় ব্যাবসার মালিক হওয়া, বড় কিছু করার স্বপ্ন প্রত্যেক স্টূডেন্টদের মাথায় ঢুকিয়ে দিবে এবং সেগুলো লালন করব ।

৯.  সামাজিক দায়িত্ব ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব নামে দুটি সাবজেক্ট চালু করব যেগুলোতে প্রত্যেক স্টূডেন্ট সত্যিকারের ভাল ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে ।

১০. পরীক্ষা পদ্ধতি পুরোপুরে বাতিল করে প্র্যকটিক্যাল পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করব । যেমন -ব্যাসায় উদ্যোক্তা” সাবজেক্টের পাশের ভিত্তি হল তাকে একজন সত্যিকারের উদ্যোক্তা হয়ে দেখাতে হবে । মুখস্থ বিদ্যা সর্বস্থ নয় সত্যিকারের দক্ষতা সম্পন্ন শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলব ।

১১. সহন শীলতা, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ শিখাব এবং ভিন্নমতে সম্মান প্রদর্শন করতে শিখাব ।

১২. সর্বোপরি স্টূডেন্টদের মাথায় ঢুকিয়ে দিব – তুমি শুধু নিজের বাড়ী গাড়ী করার জন্য পড়াশুনা করছ না – তোমার পড়াশুনার উদ্দেশ্য দেশের সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করা । কারণ তুমি ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার যাই হও না কেন যেই বিষয়ে অনার্স মাষ্টার্স কর না কেন তা দেশের টাকায় । স্কূল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল খরচ সরকার বহন করে । আর সরকার মানে জনগণের ঘাম ও রক্ত মাখানো টাকা । দেশের মানুষ তোমাকে এই আশায় উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করছে যে একদিন তুমি তাদের জন্য কিছু করবে । দেশের সাধারণ মানুষ তোমার কাছ থেকে স্বার্থপরতা আশা করে না ।

আরো অনেক কথা বলার ছিল । কিন্তু লেখাটি অতিরিক্ত লম্বা হয়ে যাচ্ছে । যাহোক আমি শিক্ষামন্ত্রী হওয়া বা না হওয়াতে কিছুই যায় আসে না কিন্তু কামনা করি কেউ না কেউ অন্তর দিয়ে  অনুধাবন করে মনের সমস্ত ভালবাসা থেকে সমগ্র দেশের শিক্ষার দায়িত্ব নিবে । সত্যিকারের শিক্ষিত ও মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ = সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট । ভালবাসা সবার জন্য ।



লেখক:

মো: জামাল উদ্দিন

ফাউন্ডার

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট

 

আমাদের সম্পূর্ণ ফ্রি কোর্স করে আপনি নিশ্চিতভাবে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ গুলো শিখে  প্রথম মাস থেকে ইনকাম শুরু করতে পারবেন । 

ফ্রি কোর্স লিংক:  https://outsourcinghelp.net/

 

আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার এবং জামাল স্যারের জবাব ?



আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের জবাব: 

১. জামাল স্যার কিছু জানে না 

উত্তর:   সঠিক । আসলেই আমি কিছুই জানি না । ( মানে ফ্রিল্যান্সিং এর ”ফ” ও জানি না )

———————————————————————

২: আপনারা নিজেই বায়ার সেজে কাজ দেন । 

উত্তর:  শুধুমাত্র একটি প্রমাণ দেখাতে পারলে ১০ লাখ টাকা পুরষ্কার ।

———————————————————————

৩.  তাহলে আপনাদের স্টূডেন্টরা কিভাবে ভর্তির ১ মাসের মধ্যেই কাজ পায় ও ইনকাম শুরু করে যেখানে অন্যরা বছরের পর বছর চেষ্টা করে পারছে না । 

উত্তর: তাহলে হয়ত আমরা ভুয়া । আমাদেরকে নিয়ে গবেষণা করতে থাকুন । অথবা আমাদের দেখানো পথে হেঁটে অন্য সবার মত আপনিও এক মাসের মধ্যে সফল হোন, কোন এডমিশন হতে হবে না, টাকা খরচ করতে হবে না  ।  নিচে ফ্রি কোর্স এর লিংক দেয়া আছে ।

———————————————————————

৪. আপনারা বাটপার, প্রতারক

উত্তর: খুব ভাল কথা ।  কখন, কিভাবে কার সাথে প্রতারণা করেছি তার প্রমাণগুলো সোস্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল করুন । যদি প্রমাণ হয় যে গত ১০ বছরের মধ্যে কাউকে প্রতারিত করেছি তবে ইন্সটিটিউট বন্ধ করে দিব  এবং প্রতারণা প্রমাণকারীকে নগদ ১০ লাখ টাকা পুরষ্কার দেয়া দিব ।

———————————————————————

৫. আপনাদের কোর্স ফি বাংলাদেশে সবচাইতে বেশী । এটা তো ডাকাতি । 

উত্তর:  আপনাকে ভর্তি হতে কে বলেছে ? কেউ কি জোর করছে ?  আমাদের বিবেচনায় আমাদের কোর্স ফি ৩ লাখ টাকা হওয়া উচিত কারণ: আনলিমিটেড টাইমের জন্য প্রতিদিন ২ ঘন্টা  ক্লাস  প্রতিদিন ১৪ ঘন্টা  সাপোর্ট এবং  কোর্সের প্রথম মাস থেকে ইনকাম শুরু + অন্যান্য

———————————————————————

৬. অনেক ইচ্ছা কিন্তু ভর্তির টাকা নাই ।

উত্তর: আমাদের ওয়েব সাইট থেকে ফ্রি কোর্স করেই প্রতি মাসে ২০/ ৩০ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারবেন । এক টাকাও খরচ হবে না ।

ফ্রি কোর্স লিংক: https://www.outsourcinghelp.net/classnotes/

———————————————————————

৭. আপনারা ভালভাবে কাজ না শিখিয়ে মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট তৈরী করান । আপনারা খুব খারাপ । আপনারা মার্কেট নষ্ট করছেন ।

উত্তর: আসলেই,  আমরা এত খারাপ শিখায় যে আমাদের প্রত্যেকটা স্টূডেন্ট কাজ করে জমা দেয়ার পর বায়াররা সেলারী দেয়, ৫স্টার ফিডব্যাক দেয়, খুব ভাল কমেন্টস করে আর সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ হল এক্সট্রা বোনাস বা টিপস দেয় ।  তার চাইতে বড় কথা আমাদের স্টূডেন্ট রা ৩ মাস পর থেকে প্রতি মাসে ৩০ হাজার প্লাস এবং ৬ মাস পর থেকে ৫০ হাজার প্লাস স্থায়ীভাবে ইনকাম করে । প্রচুর স্টূডেন্ট আছে যারা প্রতি মাসে ২লাখ টাকার বেশী ইনকাম করে । ইউটিউবে আমাদের হাজার হাজার সাপোর্ট এর ভিডিও দেখুন, মিলিয়ে নিন । আগেই বলেছি কোনটি ভুয়া প্রমাণ করতে পারলে ১০ লাখ টাকা পুরষ্কার ।

———————————————————————

৯. আপনাদের কথা যদি সত্য হয় তাহলে বাংলাদেশের সবাই ফ্রিল্যান্সিং করছে না কেন ? চাকরী -বাকরী ব্যাবসা সবকিছু বাদ দিয়ে সবার ফ্রিল্যান্সিং এ আসার কথা । 

উত্তর:  ফ্রিল্যান্সিং করতে কম্পিউটারের প্রফেশনাল কাজ জানতে হয় যা স্কুল, কলেজ ইউনিভার্সিটি কোথাও শিখানো হয় না ।  তাই শিক্ষিত বেকার বা বড় ডিগ্রীধারীরা ফ্রিল্যান্সিং করতে পারে না । এটা করতে হলে অবশ্যই কম্পিউটার সংক্রান্ত প্রফেশনাল কাজগুলো শূণ্য থেকে শিখতে হবে । সুতরাং ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে বড় ডিগ্রী অর্থহীন, প্রয়োজন হল প্র্যাকটিক্যাল কাজে দক্ষতা । যে শিখবে সে পারবে আর যে শিখবে না সে পারবে না । সুতরাং বাংলাদেশে লাখ লাখ শিক্ষিত বেকার থাকলেও তারা ফ্রিল্যান্সিং করতে পারছে না ।

———————————————————————

১০. অনেককে দেখি ভর্তির ১২ দিনের মাথায় কাজ পায় । ১২ দিনে সে কি শিখল আর কি কাজ করবে ? 

> ফ্রিল্যান্সিং এ সফল হতে মাস লাগে না, বছর লাগে না, লাগে ঘন্টা ।  দৈনিক ২ঘন্টা করে কাজ করলে ২ মাসে ১২০ ঘন্টা । আর দৈনিক ১০ ঘন্টা করে পরিশ্রম করলে মাত্র ১২ দিনেই ১২০ ঘন্টা । বাকিটা আপনিই বুঝে নিন ।  আর একটি বিষয় হল বিদেশী বায়ার রা আসলে কি চায়, কোন কাজের কতটুকু অংশ চায় এটা বুঝতে হবে এবং ঠিক সেই কাজগুলো অনেক ডিপলী প্রফেশনাল লেভেলে শিখতে হবে । এই টোটাল লার্নিং এর জন্য ১২০ ঘন্টা অনেক সময় ।

কোন স্টূডেন্ট প্রতিদিন নিয়মিত ক্লাস ও হোমওয়ার্ক করে ও আমাদের গাইডলাইন অনুযায়ী সময় দিয়েও যদি  ১ম মাস থেকে ইনকাম শুরু করতে না পারে তবে তাকে প্রতি মাসে ১৫ হাজার টাকা ভাতা দেয়ার জন্য আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ।

———————————————————————

১১. আপনারা কি প্রতিদিনের ভিডিওগুলো লোভ দেখানোর জন্য দেন ? 

> এই ভিডিওগুলো আপলোড করা হয় শুধুমাত্র আমাদের ষ্টূডেন্টেদের প্র্যাকটিক্যা স্কীল এন্ড এক্সপেরিয়েন্স ডেভেলপ করার জন্য, সর্ব সাধারণের জন্য নয় । প্রতিদিন শত শত ষ্টূডেন্ট কাজ পায়, সারাদনি সাপোর্ট দেয়া হয় কিন্তু আপলোড করা হয় মাত্র ৪/৫টি ।

১১. আপনারা কোন গ্যারান্টি দিচ্ছেন কিনা ?

দুনিয়ার কারো পক্ষে আপনার সফলতার গ্যারান্টি দেয়া সম্ভব  না । কিন্তু আপনি যদি প্রতিদিন ক্লাস ও হোমওয়ার্ক  করেন এবং পর্যাপ্ত সময় দেন তবে তবে নিশ্চিতভাবে সফল হবেন আর না করলে নিশ্চিত ভাবে সফল হবেন না । তবে কেউ প্রতিদিন ক্লাস ও হোমওয়ার্ক  করার পরও সফল না হলে তবে তাকে আমরা প্রতি মাসে ১৫ হাজার টাকা উৎসাহ বোনাস দিই । যত মাস সফল হবে না তত মাস দিই ।  তবে এটা দাবী করার জন্য ঐ  মাসের ক্লাস হোমওয়ার্ক দেখাতে হবে ।

———————————————————————

১২.আপনারা কিভাবে বলেন যে ফ্রিল্যান্সিং করতে ইংলিশ লাগে না । 

> কখনোই বলি নাই যে ইংলিশ লাগে না ।  নরমাল ইংলিশ এক রকম আর ফ্রিল্যান্সিং ইংলিশ আরেক রকম । কমিউনিকেটিভ ইংলিশ, যেটা আমরা কোর্সে শিখাই । আমাদের হাজার হাজার স্টূডেন্ট আছে মাত্র ক্লাস এইট পাশ কিন্তু অনেক হাইলি সাকসেসফুল ।

———————————————————————

১৩. তাহলে অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে কাজ ১ বছরের কমে কাজ পায় না বা সফল হয় না কেন ? 

> সেটা তাদেরকেই  জিজ্ঞেস করুন ।

———————————————————————

আমরা সবসময় বলি যে আমাদের এখানে ভর্তি হওয়ার দরকার নাই ফ্রি’তে শিখুন । গত ১০ বছর ধরে প্রতিদিনের সকল ক্লাস রেকর্ড ইউটিউব ও ওয়েবসাইটে পাবেন । এগুলো দেখেই ভর্তি না হয়ে কোন টাকা খরচ না করে হাজার হাজার মানুষ শিখছে । 

 

লেখক:

মো: জামাল উদ্দিন

ফাউন্ডার

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট

 

আমাদের সম্পূর্ণ ফ্রি কোর্স করে আপনি নিশ্চিতভাবে ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ গুলো শিখে  প্রথম মাস থেকে ইনকাম শুরু করতে পারবেন । 

ফ্রি কোর্স লিংক:  https://outsourcinghelp.net/





 

 

আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার কারা করে ? কেন করে ?



অন্যান্য ফ্রিল্যান্সিং ট্রেনিং সেন্টারগুলোর কাছে আমরা সীমার বাইরে খারাপ যেটা বলে বুঝানোর মত না । কারণ আমাদের ফ্রি কোর্সের কারণে হয়ত তাদের ঐখানে স্টূডেন্ট ভর্তি হচ্ছে না । আমাদের উপর তাদের সীমাহীন ক্ষোভ ।  যেভাবেই হোক আমাদেরকে থামাতেই হবে । 

 

তারা অনেকজন পারমানান্ট এমপ্লয়ী রাখে শুধুমাত্র আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করার জন্য । তাদের এক এক জন এমপ্লয়ী ১৫/২০ টা ফেসবুক ফেইক একাউন্ট খুলে এবং  একই কমেন্টস কপি করে  আমাদের প্রত্যেক পোষ্টের নিচে দিতে থাকে । 

 

কিন্তু তাদের জন্য আমাদের মায়া হয় । বেচারারা সামান্য বেতনের জন্য কি কঠিন পরিশ্রমটাই না করছে । তাদের মত এত ডেডিকেটেড কর্মচারী যে কোন কোম্পানীর জন্য সম্পদ । 

 

তারা প্রতিদিন এত কষ্ট করে এত যত্ন করে আমাদের অপপ্রচার করে যে তাদের কাজগুলো নষ্ট করতে আমাদের ইচ্ছা করে না । আর যদি আমরা তাদেরকে আমাদের গ্রুপ থেকে ব্যান করে দিই বা কমেন্টসগুলো মুছে দিই তাহলে হয়ত তাদের চাকরী থাকবে না । কি দরকার শুধু শুধু কিছু মানুষের জীবীকা নষ্ট করার । তাদের সাথে তো আমাদের ব্যাক্তিগত কোন শত্রুতা নাই । তারা আমাদের সম্পর্কে তেমন কিছু জানেও না । তাদেরকে যা করতে বলা হয়েছে তারা শুধু তাই করছে । কর বাবা কর । খুব মনযোগ দিয়ে কর । 

 

যদিও বা তারা যেই কাজ টা করছে এটা অন্যায় । তারা যদি নীতিবান হত তবে তাদের নিয়োগকর্তাকে প্রশ্ন করত যেই মানুষটার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছি তার পেছনে প্রমাণ গুলো কি ? কোন প্রমাণ ছাড়া কারো বিরুদ্ধে রিউমার ছড়ানো নৈতিকভাবে এবং দেশের প্রচলিত আইন অনুয়ায়ী অপরাধ । তাদের  নিয়োগকর্তাদের বলব দয়া করে তাদেরকে প্রমাণ দিয়ে হেল্প করবেন । তারা যেন আইনের আওতায় না পড়ে । 

 

যদিওবা আমরা কখনো কারো বিরুদ্ধে কথা বলি না বা কারো বিরুদ্ধে মনে কোন হিংসা পোষণ করি না । হিংসুকরা নিজ হিংসার আগুনেই ধ্বংস হবে। এটাই শ্বাশত । 

 

আরেকটি কথা হল আমি কাজটি করি সম্পূর্ণ মনের ভালবাসা থেকে । ভালবাসা না থাকলে গত এক যুগ ধরে প্রতিদিন খুব যত্ন সহকারে ক্লাস নেয়া এবং সাপোর্ট দেয়া সম্ভব হত না । তো এটাই আমার ভাল লাগার কাজ, ভালবাসার কাজ । আমি এটাই করব । কে কি বলল তাতে আমার কিছুই যায় আসে না । 

যদি এটাকে আমি ব্যবসা মনে করতাম তাহলে লাভ লস চিন্তা করতাম যে কেউ যদি অপপ্রচার করে তাহলে আমার ভর্তি কমে যাবে । আমার সেই চিন্তা নেই । আল্লাহ আমাকে অনেক সম্পদ দিয়েছেন ।  কেউ ভর্তি হোক না না হোক আমি মনের আনন্দে কাজ করে যাব ইনশাল্লাহ । 

 

তবে সবচাইতে মজার বিষয় হল মানুষ এত বোকা না যে জাষ্ট অপপ্রচার দেখেই আমাদেরকে খারাপ মনে করবে । তারা জাষ্টিফাই করে । অনেক প্রতিষ্ঠানের সাথে আমাদেরকে যাচাই করে, তুলনা করে । তারপর তারা আমাদের এইখানে ভর্তি হয় । আল্লাহর রহমতে আমাদের স্টূডেন্ট সংখ্যাই বাংলাদেরশের সবচাইতে বেশী । ফাইভার আপওয়ার্কের বেশীরভাগ ফ্রিল্যান্সারই আমাদের স্টূডেন্ট । 

 

ধন্যবাদ

মো: জামাল উদ্দিন

ফাউন্ডার

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট

 

আমাদের ফ্রি ও পেইড কোর্স লিংক:  https://outsourcinghelp.net/

 



আমারা কেন এত খারাপ  ?



অমরা এত খারাপ, এত খারাপ, এতই খারাপ যে এটা বলে বুঝানোর মত না । তাই কেউ বুঝানোর চেষ্টাও করে না । শুধু বলে আমরা প্রতারক, বাটপার । কিন্তু কেন প্রতারক বা কেন বাটপার সেটা কেউ বলে না । কেউ কোন প্রমাণ দিয়ে বুঝাই না । আমরা সবসময় বলি যে কেউ যদি শুধুমাত্র একটি প্রতারণার প্রমাণ দিতে পারে তাকে ১০ লাখ টাকা পুরষ্কার দিব । কেউ কেউ প্রমাণ দেয় না । 

 

যাহোক কি আর করা । তাই আজ নিজেই প্রমাণ দিব কেন আমরা এত খারাপ !

 

১. আমাদের কারণে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের স্টূডেন্ট ভর্তি কমে গিয়েছে তাই তাদের কাছে আমরা জঘন্য খারাপ । 

 

২. আমাদের ফ্রি কোর্সের কারণে এখন স্টূডেন্টরা কোন খরচ না করেই ফ্রিল্যান্সিং শিখছে এবং ভালভাবে ইনকাম করছে । এতে তাদের বহু দিনের লিংক বিক্রির ব্যাবসা মানে তাবিজ বিক্রি বন্ধ হয়ে গিয়েছে । 

 

৩. অনেক টাকা দিয়ে তাদের তাবিজ কিনে মানুষ যা পায় তার চাইতে আমাদের ফ্রি কোর্সে অনেক বেশী পায় । 

 

৪.  আমাদের ফ্রি সাপোর্ট এর ফলে স্টূডেন্টরা বিনামূল্যেই আমাদের কাছ থেকে সাপোর্ট নিচ্ছে তাই তাদের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন হচ্ছে না তাই তাদের ব্যবসায় ভাটা পড়েছে । 

 

৫. আমাদের স্টূডেন্টেদের সাকসেস রেইট সবচাইতে বেশী । 

 

৬.  ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য যত ফ্রি সফটয়্যার ও রিসোর্স লাগে তার সবকিছু আমরা বিনামূল্যে দিচ্ছি  আমাদের ওয়েব সাইটে । 

 

৭. আমাদের পেইড কোর্সের সকল ক্লাস পরিপূর্ণভাবে ইউটিউবে আপলোড করা হয় প্রতিদিন যার ফলে যারা টাকার কারণে ভর্তি হতে পারে নাই তারাও প্রতিদিনের ক্লাস ভিডিওগুলো দেখে শিখতে পারে । 

যাহোক এইরকম আরো অনেক কিছুই বলা যায় । আর বলতে চাই না । আর তাদের কষ্ট বাড়াতে চাই না । তারা বরং আমাদেরকে চিটিং বাটপার বলে মনে মনে একটু সুখ পাক । 




ধন্যবাদ

মো: জামাল উদ্দিন

ফাউন্ডার

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট

 

আমাদের ফ্রি ও পেইড কোর্স লিংক:  https://outsourcinghelp.net/

 

আমাদের ফ্রি সাপোর্ট কিভাবে পাবেন ? 

 

কখন সাপোর্ট হয়:

প্রতি শনিবার রাত ৮টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত ফ্রি সাপোর্ট দেয়া হয় । 


কে সাপোর্ট দেয়:

সরাসরি জামাল স্যার এই সাপোর্ট দিয়ে থাকে । 


ফ্রি সাপোর্ট এর জুম লিংক কোথায় এবং কখন পাবেন:

জাষ্ট ৮ টায় আমাদের ফেসবুক পেইজ, গ্রুপ ও ইউটিউব চ্যানেলে আমাদের ফ্রি সাপোর্ট লাইভ হবে । ঐ লাইভের নিচে ডেসক্রিপশন বক্সে লিংক  এবং পাসকোড পাবেন । ঐ লিংকে ক্লিক করে সরাসরি সাপোর্ট ক্লাসে সংযুক্ত হতে পারবেন । 

 

কাদের জন্য প্রযোয্য:

আমাদের ফ্রি স্টূডেন্টরা কাজ করার সময় যত প্রবলেম ফেস করে তা আমরা সরারসরি সমাধান দেয়া হয়  এই ফ্রি সাপোর্টে । এছাড়া যে কোন আগ্রহী ব্যাক্তি এই ফ্রি সাপোর্টে জয়েন হয়ে যে কোন প্রশ্ন করতে পারবেন এবং যে কোন সাপোর্ট পাবেন । 

 

কিভাবে সাপোর্ট দেয়া হয় :

আপনি জুুমের মাধ্যমে আমাদেরকে দেখবেন, আমরাও আপনাকে দেখব, আপনি আমাদের কথা শুনবেন এবং আমরাও আপনাকে শুনব । এবং আপনি চাইলে জুমের মাধ্যমে আমরা সরাসরি আপনার কম্পিউটারে ঢুকে আপনার সামনেই প্র্যাকটিক্যালি সেই প্রবলেগুলো সলভ করা হবে । 

 

জুম সফটওয়্যার কিভাবে ব্যাবহার করবেন:

আপনাদের জন্য আমরা একটি ভিডিও তৈরী করেছি এটা দেখে আপনি খুব সহজে বুঝতে পারবেন কিভাবে জুম সফটওয়্যার ইন্সটল করবেন এবং কিভাবে এটি দিয়ে আমাদের ক্লাসে জয়েন করবেন । ভিডিওটি পেতে ইউটিউবে সার্চ করুন: Zoom By Jamal sir


জুম টিউটোরিয়াল ভিডিও: https://www.youtube.com/watch?v=3B_MvuAqU7E

 

 

কি কি বিষয়ে সাপোর্ট দেয়া হয় : 

১. কাজ পাওয়া

২. বায়ারের সাথে ইন্টারভিউ করা 

৩. কাজ পাওয়ার পর কাজটি স্টেপ বাই স্টেপ করা

৪. কাজ জমা দেয়া

৫.  যে কোন সফটওয়্যার ও রিসোর্স সম্পূর্ণ ফ্রিতে প্রদান

৬.  প্রফেশনাল মানের স্যাম্পল তৈরী করা

৭. ফাইবার প্রোফাইল ও গিগ চেক ও কারেকশন করা

৯. ফ্রিল্যান্সিং সংক্রান্ত যে কোন হেল্প সাপোর্ট  


—————————————————————————————


আমাদের ফ্রি কোর্স কিভাবে করবেন:

ফ্রি কোর্স করতে জাষ্ট এই লিংকে ক্লিক করে লাইন বাই লাইন পড়ুন । এইখানে ফ্রি কোর্স + ফ্রি সাপোর্ট + ফ্রি রিসোর্স + সকল টিউটোরিয়াল সবকিছুই পাবেন । জাষ্ট আমাদের ভিজিট করুন । সবকিছু পানির মত সহজ করে বুঝতে পারবেন । 


ফ্রি কোর্স লিংক:  https://outsourcinghelp.net/freecourse/



 

ধন্যবাদ:

মো: জামাল উদ্দিন

ফাউন্ডার,

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট

ওয়েবসাইট: https://outsourcinghelp.net/




আমাদের ফ্রি সাপোর্ট কিভাবে পাবেন ? 

 

প্রতি শনিবার রাত ৮টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত ফ্রি সাপোর্ট দেয়া হয় । সরাসরি আমি ( মো: জামাল উদ্দিন ) এই সাপোর্ট দিয়ে থাকি । 

 

কাদের জন্য প্রযোয্য:

আমাদের ফ্রি স্টূডেন্টরা কাজ করার সময় যত প্রবলেম ফেস করে তা আমরা সরারসরি সমাধান দেয়া হয়  এই ফ্রি সাপোর্টে । এছাড়া যে কোন আগ্রহী ব্যাক্তি এই ফ্রি সাপোর্টে জয়েন হয়ে যে কোন প্রশ্ন করতে পারবেন এবং যে কোন সাপোর্ট পাবেন । 

 

কিভাবে সাপোর্ট দেয়া হয় :

আপনি জুুমের মাধ্যমে আমাদেরকে দেখবেন, আমরাও আপনাকে দেখব, আপনি আমাদের কথা শুনবেন এবং আমরাও আপনাকে শুনব । এবং আপনি চাইলে জুমের মাধ্যমে আমরা সরাসরি আপনার কম্পিউটারে ঢুকে আপনার সামনেই প্র্যাকটিক্যালি সেই প্রবলেগুলো সলভ করা হবে । 

 

জুম সফটওয়্যার কিভাবে ব্যাবহার করবেন:

আপনাদের জন্য আমরা একটি ভিডিও তৈরী করেছি এটা দেখে আপনি খুব সহজে বুঝতে পারবেন কিভাবে জুম সফটওয়্যার ইন্সটল করবেন এবং কিভাবে এটি দিয়ে আমাদের ক্লাসে জয়েন করবেন । ভিডিওটি পেতে ইউটিউবে সার্চ করুন: Zoom By Jamal sir

 

জুম টিউটোরিয়াল ভিডিও: https://www.youtube.com/watch?v=3B_MvuAqU7E

 

 

কি কি বিষয়ে সাপোর্ট দেয়া হয় : 

১. কাজ পাওয়া

২. বায়ারের সাথে ইন্টারভিউ করা 

৩. কাজ পাওয়ার পর কাজটি স্টেপ বাই স্টেপ করা

৪. কাজ জমা দেয়া

৫.  যে কোন সফটওয়্যার ও রিসোর্স সম্পূর্ণ ফ্রিতে প্রদান

৬.  প্রফেশনাল মানের স্যাম্পল তৈরী করা

৭. ফাইবার প্রোফাইল ও গিগ চেক ও কারেকশন করা

৯. ফ্রিল্যান্সিং সংক্রান্ত যে কোন হেল্প সাপোর্ট  

 

—————————————————————————————

 

আমাদের ফ্রি কোর্স কিভাবে করবেন:

ফ্রি কোর্স করতে জাষ্ট এই লিংকে ক্লিক করে লাইন বাই লাইন পড়ুন । এইখানে ফ্রি কোর্স + ফ্রি সাপোর্ট + ফ্রি রিসোর্স + সকল টিউটোরিয়াল সবকিছুই পাবেন । জাষ্ট আমাদের ভিজিট করুন । সবকিছু পানির মত সহজ করে বুঝতে পারবেন । 

 

ফ্রি কোর্স লিংক:  https://outsourcinghelp.net/freecourse/



 

ধন্যবাদ:

মো: জামাল উদ্দিন

ফাউন্ডার,

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট

ওয়েবসাইট: https://outsourcinghelp.net/

 

যারা ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে নেগেটিভ মন্তব্য করে তাদেরকে কিভাবে জবাব দিবেন ? 

 

মনে করুন খুব আগ্রহ নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং শিখছেন । মনে মনে দৃঢ় প্রত্যয় নিলেন যে আপনি সফল হবেনই হবেন । এমন সময় দেখবেন আপনার কিছু পরিচিত মানুষ আপনার মন ভেংগে দিতে চাইবে  । 

 

যেমন কেউ কেউ বলবে:

এগুলো আসলে ভুয়া

কাজ পাওয়া এত সহজ না

তুমি শুধু শুধু সময় নষ্ট করছ

 

এই রকম অনেক কথা বলে আপনার মন বিষিয়ে তুলবে । শেষ পর্যন্ত হয়ত আপনি ডিমোটিভেটেড হয়ে ফ্রিল্যান্সিং ছেড়েই দিবেন এবং তারা ঠিক এটাই চাই । আপনি তাদের চাইতে এগিয়ে যাবেন এটা তাদের কোনভাবেই সহ্য হবে না ।

 

এখন এই রকম পরিস্থিতিতে মানসিকভাবে দুর্বলরা ফ্রিল্যান্সিং ছেড়ে দেয় বা যেই আগ্রহ উদ্দীপনা নিয়ে শুরু করেছিল সেই উদ্যম আর থাকে না । আর উদ্যম না থাকা মানে আপনার সফল হওয়ার চন্স খুবই কম । 

 

আর যারা মানসিকভাবে শক্তিশালী তাদের জেদ আরো বেড়ে যায় । তার মানে মনে অনেক অনেক শক্ত হয়ে যায় । চিন্তা করে আমাকে এটা করে দেখাতেই হবে । যারা ফলে তারা আরো বেশী কাজে মনযোগী হয় এবং নির্দিষ্ট সময়ের আগেই সফলতা পায় । 

 

যারা মানসিকভাবে দুর্বল তাদের জন্য আমার কোন পরামর্শ নাই কিন্তু যারা মেন্টালি শক্তিশালী তাদেরকে বলব আপনি একটা মধুর প্রতিশোধের স্বপ্ন দেখুন । যেদিন আপনি প্রথম ফ্রিল্যান্সিং এর টাকা পাবেন সেদিন ১০ কেজি মিষ্টি কিনে তাদেরকে বেশী বেশী করে খাওয়াবেন যারা আপনাকে বাধা দিয়েছিল । কাজ শিখতে শিখতে যখন ক্লান্ত হয়ে যাবেন তখন এই দিনটির স্বপ্ন দেখুন । 



ধন্যবাদ

 

লেখক:

মো: জামাল উদ্দিন

ফাউন্ডার,

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট

ওয়েবসাইট: https://outsourcinghelp.net/

ফ্রি কোর্স লিংক:  https://outsourcinghelp.net/freecourse/




ইনভেষ্ট করে ফ্রিল্যান্সিং  ইনকাম করা যায় কিনা  ? 

 

আপনি হয়ত শুনে থাকবেন যে বিভিন্ন কোম্পানীর  ওয়েব সাইটে বা এপসে মাত্র সামান্য টাকা ইনভেষ্ট করলে আপনাকে রাতারাতি লাখপতি কোটিপতি বানিয়ে দিবে । আপনাকে তেমন কিছুই করতে হবে না । শুধু মাধে মধ্যে তাদের ওয়েবসাইট খুলে দুই একটা ক্লিক করতে হবে । 


এখন জাষ্ট একটু লজিক্যালি চিন্তা করে দেখুন । ব্যংকগুলো শতকোটি টাকা নিয়ে বসে আছে লোন দেয়ার জন্য । তাছাড়া দেশে অসংখ্য ইনভেষ্টর আছে যারা লাভজনক ব্যবসাতে ইনভেষ্ট প্রস্তুত । 


কেউ যদি এমন কোন ব্যবসা তৈরী করতে পারে যেখানে ইনভেষ্ট করলে এক বছরেই দ্বিগুণ হয় তাহলে তারা মাত্র কয়েকদিনেই কয়েকশত কোটি টাকা কালেকশন করতে পারত । মানুষ নিজেই তাদেরকে খুঁজে খুঁজে টাকা দিত । আসলে পৃথিবীতে এমন কোন ব্যবসা নাই যেটাতে ইনভেষ্ট করে আপনি 

নিশ্চিতভাবে টাকা ইনকাম করতে পারবেন । 


তবে আপনি অবশ্যই ইনভেষ্ট করবেন সেটা হল নিজের জন্য , নিজেকে ডেভেলপ করার জন্য, নিজেকে স্কিল্ড করার জন্য ।  আপনি যোগ্য হলে আপনাকে টাকার পিছনে দৌড়াতে হবে না – টাকাই আপনার পিছনে দৌড়াবে । 


এখন এই ইনভেষ্ট মানে কোন টাকা ইনভেষ্ট নয়। জাষ্ট আপনাকে সময় ইনভেষ্ট করতে হবে । আপনি ইউটিউব থেকেই সকল টিউটোরিয়াল ফ্রি’তে পাবেন । শুধুমাত্র শেখার জন্য সময় দিতে হবে, এবং পরিশ্রম করতে হবে কারণ কোন কিছু শিখা যথেষ্ঠ কষ্টকর কাজ । শিখতে কষ্ট হয় কিন্তু একবার কষ্ট করে শিখে ফেলতে পারলে আর সারাজীবন কাজ করতে কষ্ট নাই ।


তাই আপনি কোন কোম্পানীতে টাকা ইনভেষ্ট করলে সেই কোম্পানী আপনাকে রাতারাতি কোটিপতি বানিয়ে দিবে এটা বিশ্বাস না করে জাষ্ট নিজেকে বিশ্বাস করুন । নিজের পিছনে টাকা নয় শুধুমাত্র সময় ইনভেষ্ট করুন । ইনশাল্লাহ আপনি লাইফের কোথাও ঠেকবেন না  


ধন্যবাদ


লেখক:

মো: জামাল উদ্দিন

ফাউন্ডার,

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট

ওয়েবসাইট: https://outsourcinghelp.net/

ফ্রি কোর্স লিংক:  https://outsourcinghelp.net/freecourse/




কিভাবে সহজে কোটিপতি হবেন ?

 

সহজে বলতে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে না । সঠিক স্কীল ডেভেলপ করে, কিভাবে খুব কম সময়ে সফলতার পিকে পৌঁছাবেন সেটাই আজ বলব । যারা কোন প্ররিশ্রম না করে বড়লোক হতে চান তার নিচের লিখাগুলো পড়বেন না প্লিজ । 

 

ধরে নিচ্ছি আপনি খুব বেশী পড়শুনা করেন নাই । রেজাল্ট ও মোটামোটি । ইংলিশ এবং কম্পিউটার নলেজও একদম বেসিক । এখন আপনি চান খুব দ্রুত কোটিপতি হতে । ইনশাল্লাহ অবশ্যই পারবেন । আপনার এলাকায় যে সকল কোটিপতি পাবেন দেখন কারো রেজাল্ট ভাল নাই, ইংলিশ কম্পিউটার ইত্যাদিও ভালভাবে পারে না,   ইভেন অনেকে শিক্ষিতও না । তো তারা যদি কোটিপতি হতে পারে আপনি পারবেন না কেন ? মনকে শক্ত করুন । স্টিয়ারিং শক্ত করে ধরুন । সিটবেল্ট বাঁধুন – আসেন কোটিপতি হওয়ার জার্নি শুরু করি । 

 

আগে বিশ্লেষণ করি তার কিভাবে কোটিপতি হয়েছে । প্রথমত তারা একটা ব্যবসা বা কাজ খুব ভালভাবে শিখেছে । এবং ঐ কাজেই সম্পূর্ণ ফোকাস দিয়েছে । যার ফলে সে তার ব্যবসা বা সার্ভিস উন্নত করতে পেরেছে, মানুষের গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে, ভালবাসা পেয়েছে তার ব্যবসা বড় হয়েছে এবং সে স্বাভাবিকভাবেই কোটিপতি হয়েছে । এক কথায় তারা তাদের কাজকে ভালবেসেছে এবং পরম মমতা দিয়ে নিজের কাজটি করেছে । 

 

তারা কখনো কোটিপতি হওয়ার চেষ্টা করেনাই । কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখে নাই । শুধুমাত্র কাজকে ভালবাসার কারণেই তাদের আজ টাকা-পয়সা, সামাজিক সম্মান, প্রতিপত্তি সবকিছুই আছে । 

 

এখন আপনি কি কাজ করবেন আর কিভাবে কাজকে ভালবাসবেন ?

 

১. আপনার যে বিষয়ে আগ্রহ আছে সেটাকেই আপনার পেশা বানিয়ে ফেলুন । যেমন আপনি ছবি আঁকতে পছন্দ করেন তাহলে ইউটিউব দেখে গ্রাফিক ডিজািইন শিখুন । 

 

এখন এই গ্রাফিক ডিজাইন শিখে কিভাবে কোটিপতি হওয়া সম্ভব ? জাষ্ট এক্সপান্ড ইউর ইমাজিনেশন । আপনি একটি ফার্ম তৈরী করুন । সেখানে ৫ জন লোক নিয়োগ দিন । এর পর বড় বড় কোম্পানীগুলোর সাথে চুক্তি করুন যাদের প্রতিদিন হাজার হাজার গ্রাফিক ডিজাইন করাতে হয় যেমন: ইকমার্স সাইট । এই রকম ২/৩ টি কোম্পানীর কাজ পেলে আপনি কাজ করে শেষ করতে পারবেন না । কমপক্ষে আপনি মাসে ১০ লাখ টাকা ইনকাম করতে পারবেন । বড়জোড় ১ লাখ টাকা খরচ হবে । ক্যালকুলেশন করুন কোটিপতি হতে কয়দিন লাগবে । 

 

বুদ্ধিমানরা নিশ্চই বুঝতে পেরেছেন ”গ্রাফিক ডিজাইন” একটি উদাহরণমাত্র এটি যে কোন কাজ হতে পারে । 

 

আসুন এইবার আলুর ব্যাবসা করে কোটিপতি হই । আলু ? হ্যা আলু ।  এক টাকাও ইনভেষ্ট করতে হবে না । আপনি একটি ওয়েব সাইট তৈরী করুন যেখানে সর্বপ্রকার আলু পাওয়া যাবে, যেমন গোল আলু, লাল আলু, ঠান্ড আলু, দেশী, বিদেশী ইত্যাদি । সবগুলোর সুন্দর ছবি ডেসক্রিপশন, গুণাগুণ এবং দাম লিখুন । তারপর আপনার ওয়েবসাইটে এস. ই.ও করে লাখ লাখ মানুষকে দেখান । অনেক আলুর অর্ডার আপনি পাবেন । কিন্তু আপনার কাছে তো প্রোডাক্ট নাই । কোন সমস্যা নাই । বাংলাদেশের অনেক জায়গা আছে যেখানে কৃষকরা দাম না পেয়ে আলু ফেলে দেয় । অনলাইনের মাধ্যমে তাদেরকে খুঁজে বের করুন । তারাই ঐখানে থেকে আলু ডেলিভারী দিবে । আর আপনি এইখান থেকে অর্ডার নিবেন । আপনি ২০ টাকায় আলু বিক্রি করলে কৃষককে ১৫ টাকা দেয়ার পরও আপনার ৫ টাকা লাখ থাকবে । বাংলাদেশের সকল রেষ্টুরেন্টে কম দামে ফ্রেস আলু সাপ্লাই দিতে পারবেন । ব্যবসা  আরো বড় করলে আপনি দেশের বাইরেও ওয়েবসাইটের প্রচার করে আলু রপ্তানী করতে পারবেন । 

 

মজার বিষয় হচ্ছে আপনার কোন খরচ নাই, রিস্ক নাই , ইনভেষ্ট নাই । ইনভেষ্ট শুধু আপনার ব্রেইন । এখানে আমি জাষ্ট দুইটা উদাহরণ দিলাম । এমন না যে আপনি আলুর ব্যবসা করবেন । আমি জাষ্ট আপনাকে ভাবনার পথ দেখিয়ে দিলাম । দুনিয়াতে এই রকম হাজারো ব্যাবসা বা পেশা আছে । 

 

এত সহজ ?  না এত সহজ না । আমি আপনাকে হিমালয় পর্বতের চূড়া দেখিয়ে দিলাম । এখন আপনাকে হাঁটতে হবে । চলতে চলতে আপনার পা রক্তাক্ত হয়ে যাবে । সেই রক্তাত্ত পা  নিয়ে আপনাকে দিনের পর দিন হাঁটতে হবে একা একা  ।  সাহস আছে ?  যাদের এই সাহস আছে তারাই কোটিপতি হওয়ার যোগ্য । 



ধন্যবাদ

 

লেখক:

মো: জামাল উদ্দিন

ফাউন্ডার,

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট

ওয়েবসাইট: https://outsourcinghelp.net/

ফ্রি কোর্স লিংক:  https://outsourcinghelp.net/freecourse/




আপনি কি চাকরী খুঁজতে খুঁজতে ক্লান্ত  ?  তাহলে এই লিখাটি পড়ুন । নিশ্চিতভাবে আপনি চাকরী পাবেন ।

 

পড়াশুনা শেষ করার পর চাকরীতে এপ্লাই করতে করতে হতাশ হতে হয় বাংলাদেশের ৯৯% ছেলে-মেয়েকে । সুতরাং সমস্যাটা আপনার একার না। এখন কিভাবে এই দুষ্টচক্র থেকে খুব দ্রুত মুক্তি পাবেন সেটাই বলব ।

খুব দ্রুত চাকরী পাওয়ার জন্য আপনাকে ভিড়ের মধ্যে ইউনিক হতে হবে । এখন সবাই ইউনিক হওয়ার চেষ্টা করে ”ভাল রেজাল্ট দিয়ে” । তাদের ধারণা খুব ভাল  একাডেমিক রেজাল্ট, জি.পি. এ ফাইভ, ইত্যাদি দেখালে নিয়োগকর্তারা তাদেরকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চাকরী দিবে । – এটাই হল সবচাইতে বড় ভুল  ।  হয়ত ২০ বছর আগে এইভাবে রেজাল্ট দেখে চাকরী দিত । কিন্তু এখন চাকরী দেয় স্কীল দেখে । চাকরী পাওয়ার জন্য আপনার রেজাল্টের গুরুত্ব হল মাত্র ১০% আর ৯০% হল আপনার স্কীলের উপর । এখন যদি আপনার স্কীল শূণ্য হয় তাহলে সারাজীবন এপ্লাই করলেও চাকরী পাওয়া যাবে না ।

কারণ আপনার ভাল রেজাল্ট কোম্পানীর কোন কাজে লাগবে না । তারা চাইবে এমন কি প্র্যাকটিক্যাল কাজ পারেন যেটা তাদের কোম্পানীকে ইমপ্রুভ করবে । যেমন আপনি

ডিজিটাল মার্কেটিং পারেন বা

গ্রাফিকস ডিজাইন পারেন

ভিডিও এডিটিং

আর্টিকেল রাইটিং

সুন্দর করে কথা বলা

লিডারশীপ কোয়ালিটি

এই রকম আরো অনেক কিছু হতে পারে ।

এখন আপনার এই রকম কোন গুণাবলী থাকলে আপনি ভিড়ের মধ্যে নিজেকে আলাদা করতে পারবেন এবং খুব সহজেই চাকরী পাবেন ।

চাকরীতে এপ্লাই করার সময় শুধুমাত্র সিভি সাবমিট করবেন না । সবচাইতে গুরুত্ব দিয়ে আপনার স্কীলগুলো ফোকাস করতে এবং এগুলোর মাধ্যমে কিভাবে আপনি ঐ কোম্পানীকে বেনিফিটেড করতে পারবেন তা লিখবেন । সবচাইতে ভাল হয় আপনার ফাইলে সবার উপরে একটা “প্রস্তাবপ্রত্র” লিখতে পারেন । এখানে সুন্দর করে গুছিয়ে লিখবেন আপনার স্কীলগুলো দিয়ে কিভাবে আপনি তাদেরকে হেল্প করতে পারবেন এবং তাদের বর্তমান সিষ্টেমগুলোকে উন্নত করতে পারবেন ।

মনে করুন আপনি কোন একটা ই-কমার্স সাইটে এপ্লাই করবেন । এখন প্রথমে আপনি তাদের ওয়েবসাইটে একদিন খুব ভালভাবে স্টাডি করুন । তাদের প্রবলেম গুলো খুঁজে বের করুন । আপনি দেখলেন যে তাদের প্রোডাক্ট ডেসক্রিপশনটা ঠিকভাবে লিখা হয় নাই এবং প্রোডাক্ট ফটোও ঠিকভাবে ক্লিপিং পাথ করা হয় নাই । এবার আপনি তাদেরকে এই সমস্যাগুলো লিখুন এবং কিভাবে আপনি এগুলো সমাধান করবেন তা বিস্তারিত ব্যাখ্যা করুন ।

ব্যাস নিশ্চিত থাকুন আপনার চাকরী কনফার্ম । কোম্পানী যখন দেখেছে যে আপনি তাদের জন্য চিন্তা করেছেন এটাই তাদেরকে মুগ্ধ করবে । ভাল সেলারীতে টিম লিডার হিসেবে আপনার চাকরী হবে ।

একটা কথা মনে রাখবেন কোন কোম্পানী চাকরী দেয় না । তারা তাদের প্রবলেম সলভ করতে চায় । আপনি চাকরী না পেয়ে যতটুকু হতাশ কোম্পানীগুলো সঠিক স্কিলের লোক না পেয়ে তার চাইতে বেশী হতাশ । আপনার সমস্যা হল হাজার টাকার আর তাদের সমস্যা হল কোটি টাকার ।

সুতরাং আজ থেকে চাকরী খোঁজা বাদ দিয়ে প্রথমত যে কোন ক্যাটগরীতে নিজের স্কিল ডেভেলপ করুন । ৩ মাসই যথেষ্ঠ । তারপর খুব ভালভাবে ঐ কাজ শিখার পর আপনি বিভিন্ন কোম্পানীতে “প্রস্তাবপত্র পাঠাবেন” । ইভেন কোন কোম্পানী যদি এই মুহুর্তে লোক নেয়ার প্রয়োজনবোধ নাও করে তবুও তারা আপনার চিঠি পেয়ে তাদের ভুলগুলো দেখে লোক নেয়ার প্রয়োজনীতা গভীরভাবে অনুধাবন করবে ।

এখন আপনার সিদ্ধান্ত আপনি কি শুধুমাত্র সার্টিফিকেট নিয়ে – ”দয়া করিয়া আমাকে একটি চাকুরী দিন”  এই লাইনে দাঁড়াবেন নাকি কনফিডেন্টলি কোম্পানীকে প্রস্তাব দিবেন- ” আমি তোমাকে বেনিফিটেড করে দিতে পারি । আমাকে এক লাখ টাকা বেতন দিলে আমি তোমাকে ১০ লাখ টাকার লাভ করে দিতে পারি” ।

আপনার কি ধারণা ? কোন প্রতিষ্ঠান কার প্রতি আগ্রহী হবে ?

ধন্যবাদ

লেখক:

মো: জামাল উদ্দিন

ফাউন্ডার,

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট

ওয়েবসাইট: https://outsourcinghelp.net/

ফ্রি কোর্স লিংক:  https://outsourcinghelp.net/freecourse/



পরিশ্রম করে কখনোই সফল হওয়া যায় না ! কেন ? তাহলে সফলতার সূত্র কি ? 

 

আচ্ছা পরিশ্রম করেই যদি সবাই বড়লোক হয়ে যেতে পারত তাহলে কৃষক, দিনমজুর, তারা কেন হচ্ছে না । বাংলাদেশে অসংখ্য মানুষ পাবেন যারা প্রতিদিন ১৫ /১৬ ঘন্টা কঠিন পরিশ্রম করে যাচ্ছে তো তারা কেন কোটিপতি হচ্ছে না । 

 

তাই পরিশ্রম কখনোই সফলতার চাবিকাঠি হতে পারে না । সফলতার মূলমন্ত্র কি ?  এক কথায় বললে – ”নেশা” । হায় হায় নেশা তো খারাপ জিনিস । না সব নেশা খারাপ না । আপনি যদি নেশাগ্রস্থ হতে পারেন, পুরোপুরি এডিক্টেট হতে পারেন তবে আপনার সফলতা কেউ আটকাতে পারবে না । ট্রাষ্ট মি প্রত্যেকটা সফল মানুষই এডিক্টেড ।  ভুল বুঝবেন না । আমি মাদক আশক্তির কথা বলছি না । 

 

তাহলে কিসের সেই নেশা ? সেটা হল কাজের নেশা ? কিছু মানুষের জীবনই কাজ । কাজই জীবন । তাদের বিনোদন ভাল লাগে না, ছুটি ভাল লাগে না, নাটক, সিনেমা, আড্ডা, বেড়ানো কিছুই ভাল লাগে না । শুধু কাজই ভাল লাগে । সারাদিন নিজের মত কাজ করে  । এটাই তাদের ভালবাসা এটাই তাদের বিনোদন । কখনো কাজ থেকে তাকে বিরত রাখলে সে মানসিকভাবে বিপর্যন্ত হয়ে পড়ে । 

 

পাশাপাশি তার সকল চিন্তা-ভাবনা কাজকে নিয়ে, কিভাবে আরো ইমপ্রুভ করবে । তার স্বপ্ন কিভাবে সে আরো বেটার সার্ভিস দিবে । তার মানে তার জীবনে, ভিতরে- বাহিরে- অন্তরে-অন্তরে শুধু কাজ, কোয়ালিটি, আইডিয়া শুধু এগুলোই ঘুরপাক খায় । 

 

এখন অনেকেই বলবেন লোকটাতো স্বাভাবিক না । সে তো পাগল ! সত্যি কথা বলতে কোন স্বাভাবিক মানুষ খুব বেশী সফল হতে পারে না । পাগলরাই পৃথিবী বদলে দেয়, পাগলরাই হাাজার হাজর মানুষের চাকরীর ক্ষেত্র তৈরী করে । পাগলরাই সম্পদশালী হয় , সকল স্বাভাবিক মানুষ একদিন এই পাগলদেরই স্তুতি করে । সহজ কথায় সফল বা সম্পদশালী হতে হলে আপনাকে নেশাগ্রস্থ এবং পাগল হতে হবে । 

 

এখন আপনার মনে হবে আহারে লোকটা কত কষ্ট করে । কিন্তু তাকে প্রশ্ন করুন তার কষ্ট হয় কিনা ? সে বলবে এটাই তার সখ । সে কোন টাকা না আসলেও এটাই করত । এটাই তার ভাল লাগা বা ভালবাসা । 

 

এখন এত ভালবাসা তৈরী হল কিভাবে ? সেই রহস্যটাই বলছি । 

সে  ঐ কাজের এত গভীরে প্রবেশ করেছে যে সেটার সৌন্দর্য সে দেখতে পেয়েছে । ঐটার মধ্যেই সে অনেক মজার একটা জগত পেয়েছে । যার ফলে বাহ্যিকভাবে দেখলে আপনার মনে হবে সে কাজ করছে আসলে তা না সে আনন্দের সাগরে ঢুবে আছে । 

 

উপসংহারে বলি সফল হতে হতে আপনি যে বিষয়ে আগ্রহী সেই রিলেটেড একটি কাজ শিখতে হবে । তারপর দিনের পর দিন সেই কাজ নিয়ে পড়ে থাকতে হবে । বিষয়বস্তুর গভীর থেকে গভীরে যেতে হবে । প্রথমদিকে বিরক্ত লাগবে । বেশীক্ষণ সময় দিতে ইচ্ছা করবে না । কিন্তু আপনি কনটিনিউ করে যাবেন । একটা সময় দেখবেন আপনি আনন্দ পেতে শুরু করেছেন । তার মানে আপনি নেশাগ্রস্থ হতে শুরু করেছেন, এখন পাগল হওয়া শুধু সময়ের বাকী । 

পাগলের রাজ্যে আপনাকে অভিন্দন । পৃথিবীর সকল কাজ পাগলদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালবাসা । 

পাগল হতে রাজী থাকলে হাত তুলুন

 

 

 ধন্যবাদ

লেখক:

মো: জামাল উদ্দিন

ফাউন্ডার,

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট

ওয়েবসাইট: https://outsourcinghelp.net/

ফ্রি কোর্স লিংক:  https://outsourcinghelp.net/freecourse/



আসুন কোন  টাকা ছাড়াই মিলিয়ন ডলারের বিজনেস করি । 

 

ব্যবসা ! ও ও ও । এটা আমাকে ‍দিয়ে হবে না ।  এটা খুব কঠিন জিনিস । আবার ব্যবসা করতে অনেক টাকা লাগবে, কোথায় পাব এত টাকা ? কে দিবে ? আবার এটি খুব রিস্ক, যদি লস করি তাহলে তো সব শেষ উল্টো ঋণে জর্জরিত হয়ে যাব । থাক বাবা দরকার নাই ব্যবসার ! তার চাইতে একটা চাকরীই ভাল । বেতন কম হলেও টেনশন মুক্ত লাইফ লিড করা যাবে । 

মোটামোটি ব্যাবসা নিয়ে এভারেজ চিন্তা-ভাবনা এই রকম । এগুলো জাষ্ট এজামশন । কোনটিই সত্য নয় । সত্য হল

ব্যবসা করতে টাকা লাগে না

ব্যবসা মোটেও কঠিন জিনিস না 

ব্যবসাতে তুলনামূলক রিস্ক কম

 

অনেকেই বলবে এই রকম ব্যবসা শুধুমাত্র স্বপ্নেই সম্ভব বাস্তবে না । কথা দিচ্ছি শেষ পর্যন্ত পড়লে আপনার জীবনবোধ পাল্টে যাবে এবং নিশ্চিতভাবেই আপনি মিলিয়ন ডলারের ব্যবসায়ী হবেন ইনশাল্লাহ । 

 

টাকা:

আপনার এলাকার বড় বড় ব্যবসায়ীদের জিজ্ঞেস করুন তারা কত টাকা দিয়ে শুরু করেছিল । বেশীরভাগই বলবে “শূণ্য” থেকে । সুতরাং আপনার পকেটও যদি এখন ”শূণ্য” থাকে তাহলে কোটিপতি ব্যবসায়ী হওয়ার প্রথম পরীক্ষায় আপনি পাশ করে গেলেন । আপনাকে অভিনন্দন । ওকে আমরা কোন টাকা ছাড়াই বড় ব্যবসায়ী হব । 

রিস্ক:

টাকা যদি ইভেষ্ট নাই করি তাহলে রিস্ক কিসের ? 

 

এখন আমি আপনাকে একজন কোটিপতি ফুড বিজনেসম্যান বানাব । আসুন আমার সাথে –

 

১. আপনার স্বপ্ন যে ঢাকা শহরে আপনার ২০/৩০ টা অভিজাত রেষ্টুরেন্ট থাকবে । মিনিমাম ৭০/৮০ কোটি টাকার মামলা । কিন্তু আপনার কাছে পুঁজি নাই । নো প্রবলেম । এখন আপনি প্রথমত মনকে শক্ত করুন যে আপনি পারবেন । ঠান্ডা মাথায় কঠিন পরিশ্রম করার শপথ নিন । 

 

২. আপনি ইউটিউব থেকে দেখে দেখে কিছু রেসিপি রান্না খুব ভালভাবে শিখে নিন । যেমন বিরিয়ানী, কাচ্চি, খিচুরী, শর্মা ইত্যাদি যে কোন জাষ্ট একটি আইটেম হলেই হবে । ধরলাম আপনি বিরিয়ানী বেছে নিলেন । এখন এক মাস এটা নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করুন । ইউটিউবে হাজারো বিরিয়ানী রেসিপি পাবেন । ইন্ডিয়ান, থাই, পাকিস্থান, আফগান, ইরাম প্রত্যেক দেশে ডিফারেন্ট রেসিপিতে রান্না হয় । এই সবগুলো কমবাইন্ড করে আপনি এমন একটা রেসিপি তৈরী করুন যেটা আনকমন এবং যেটার স্বাদ সবচাইতে বেশী । 

ফেসবুক এবং লিংকড ইনে বিভিন্ন দেশের বিখ্যাত শেফ দের সাথে বন্ধুত্ব তৈরী করুন । অনেক আন্তরিক সহযোগীতা ও পরামর্শ তাদের কাছ থেকে পাবেন কারণ আপনি তাদের কমপিটিটর না  

 

৩. এবার এই বিরিয়ানীর একটা ব্যান্ড নেইম দিন যেমন : জব্বারের বিরিয়ানী । 

 

৪. এটির জন্য জন্য স্পেশাল ইনগ্রিডিয়েন্টসগুলো নেট থেকে সার্চ করুন । এমন এমন মশালা ব্যবহার করুন যেটা আনকমন এবং যেটা এই দেশে আগে কেউ ব্যবহার করে নাই এবং যেটা আপনার খাবরের স্বাদ বাড়িয়ে দিবে বহুগুণ ।   ইন্টানেটে ডুব দিলে সব পাবেন । বাংলাদেশে আনার সিষ্টেমও পাবেন । খুব বেশী টাকা লাগবে না । 

 

৫. এবার পরিশেন পদ্ধতি নিয়ে ভাবুন । খুব আনকম একটি পদ্ধতি যেটা মানুষ পছন্দ করবে ।  বিভিন্ন রেষ্টুরেন্টে ছোট তামার বালতিতে করে বিরিয়ানী পরিবেশন করে । আবার পর্দা বিরিয়ানী বা দম বিরিয়ানীতে একটা ময়দার লেয়ার দেয়া হয় । যাহোক আপনি ইউটিউব ঘেঁটে এই রকম স্পেশাল পরিশেন পদ্ধতি পাবেন । 

 

৬. এরপর এটার সাথে যে সালাদটা দিবেন সেটা নিয়ে স্টাডি করুন । আনকম, সুস্বাদু এবং গ্রহণযোগ্য যেন হয় । এইভাবে বিরিয়ানীর সাথে সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকটি খুঁটিনাটি জিনিস নিয়ে ভাবুন । দেখুন । সার্চ করুন । আইডিয়া নিন । 

 উপরের কাজগুলো করতে আপনার তেমন কোন টাকাই খরচ হবে না । কিন্তু আপনার বিজনেসের খুবই স্ট্রং ফাউন্ডেশন তৈরী হয়ে গেল । 

 

৭. এবার আপনি ইউটিউব দেখে ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেইজ এবং ইউটিউব চ্যানেল তৈরী শিখুন । কোন টাকা লাগবে না । তারপর আপনার বিরিয়ানীর জন্য খুব সুন্দর একটা পোষ্ট লিখুন ছবি সহ । পোষ্টে বুঝাবেন কেন আপনার বিরিয়ানী বাংলাদেশে সবার চাইতে সেরা ।  কোন রেসিপি, কোন ইনগ্রিডিয়েন্টস, হাইজিন, ফুড ভ্যালু, স্বাদ ইত্যাদি খুব ভালভাবে  এক্সপ্লেইন করুন । আপনি যেহেতু এটা নিয়ে প্রচুর পড়াশুনা করেছেন তাই আপনার চাইতে ভাল কেউ লিখতে পারবে না ।  জাষ্ট নরমারি পোষ্ট করুন । তারপর বিভিন্ন ফুড রিভিউ গ্রুপে শেয়ার করে দিন । কোন বুষ্টিং করতে হবে না । টাকা খরচ করতে হবে না । 

 

৮.  আপনার অল্প-স্বল্প অর্ডার আসা শুরু হবে । নিজের রান্নাঘরে নিজে খাবার তৈরী করে নিজেই ডেলিভারী দিন । অর্ডার বেশী আসলে ডেলীভারী বয় এবং অন্যান্য কর্মচারী নিয়োগ দিন । দিনে ১০,০০০ টাকা বিক্রি হলে ৫ হাজার টাকাই লাভ থাকবে সব খরচ বাদ দিয়ে । এইভাবে আস্তে আস্তে আপনার পুঁজি বাড়তে থাকবে, ব্যবসা বড় হতে থাকবে, আপনার ব্রান্ডিং চলতে থাকবে এবং সুনাম বাড়তে থাকবে । 

 

৯. একসময় এত বেশী অর্ডার আসবে যে আপনি সামলাতে পারছেন না । মানুষ কোয়ালিটি, হাইজিন এবং মজাদার  ফুড চাই । যদি খুব স্ট্রিক্টলি এগুলো মেনটেইন করেন নিশ্চিত থাকুন আপনার সুনাম বাড়তেই থাকবে । বিভিন্ন গ্রুপে আপনাকে নিয়ে আলোচনা হবে । আপনার ভিন্ন স্বাদের বিরিয়ানী খেতে মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়বে । 

 

৮. এর পর আপনি যদি শহরের এককোণায় একটি খালি জমিতে সামিয়ানা টাঙ্গিয়ে রেষ্টুডেন্ট খোলেন তাহলে মানুষ অনেক দূর থেকে আসবে, প্রয়োজনে দাঁড়িয়ে খাবার খাবে । আমরা রেষ্টুরেন্টে ভাল খাবার খেতে যায়, এসির বাতাস বা ডেকোরেশন না  । অবশ্যই আপনাকে কঠোন মান ধরে রাখতে হবে । 

কাষ্টমারের প্রতি এতই আন্তরিক হবেন যে প্রত্যেক কাষ্টমার যেন ফিল করে তারা আত্নীয়ের বাড়ীতে দাওয়াত খেতে এসেছে । এতে আপনার সুনাম ও গ্রহণযোগ্যতা মুখে মুখে ছড়িয়ে যাবে । 

ইনশাল্লাহ এত পরিমাণ বিক্রি হবে আপনার কল্পণার বাইরে হবে ।  

 

৯. এই ভাবে অল্পদিনেই আপনার ভাল এমাউন্টের পুঁজি যোগাড় হবে । সেটা দিয়ে শহরের প্রাণকেন্দ্রে খুবই জাঁকজমক একটা রেষ্টুরেন্ট খুলুন । আপনারতো কাষ্টমার রেডি আছে । এখন তাদেরকে আরো ভাল পরিবেশে খাওয়াতে পারবেন । 

 

১০. এখন মজার কান্ডটি ঘটবে । বিভিন্ন ইনভেষ্টর এবং ব্যংক আপনার কাছে এসে টাকা ইনভেষ্ট করার অফার দিবে । আপনি না চাইতেই কল্পণার বাইরে টাকা আপনি পাবেন যেটা দিয়ে আপনি আরো অনেকগুলো আউটলেট খুলতে পারবেন । 

১১. এখন সুনাম বিক্রির পালা ।  আপনি আরো অনেকগুলো অফার পাবেন যে বিভিন্ন ব্যাক্তি আপনার প্রতিষ্ঠানের নামে রেষ্টুরেন্ট খুলবে এবং বিনিময়ে জাষ্ট ঐ নামটা ব্যবাহার করার জন্য আপনাকে প্রতি মাসে ২ লাখ টাকা কর দিবে । এতে আপনার কোন খরচ নাই । এই ভাবে শহরে জাব্বার রিরিয়ানী হাউস নামে অনেকগুলো শাখা ওপেন হয়ে যাবে এবং সবগুলো থেকে আপনি মাসে মাসে রয়্যালিটি ইনকম পাবেন । 

আপানার ভবিষ্যৎ বংশধররা শুধুমাত্র এই সুনাম বিক্রি করে করে সারা জীবন চলে যেতে পারবে । 

 

আবারে বলি এটা একটা উদহরণ মাত্র । আপনি যে কোন ব্যবসার ক্ষেত্রে এটা এপ্লাই করতে পারবেন । জাষ্ট এক্সপান্ড ইউর থিংকিং । 

 

আশাকরি বাস্তবসম্মতভাবে বুঝতে পেরেছেন কিভাবে শুণ্য পকেট নিয়ে বিলিওনার হওয়া যায় । 

 

 ধন্যবাদ

লেখক:

মো: জামাল উদ্দিন

ফাউন্ডার,

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট

ওয়েবসাইট: https://outsourcinghelp.net/

 

ফ্রি কোর্স লিংক:  https://outsourcinghelp.net/freecourse/

 



কোন ইনভেষ্ট না করে কিভাবে শিল্পপতি হবেন ? কল্পনায় না বাস্তবে  । 

 

ব্যবসা শুরু করতে কখনোই টাকা লাগে না । শুধু শিখতে হয় । আপনি যদি ছোট-খাট একটা লাভজনক ব্যবসা দাঁড় করাতে পারেন চারপাশ থেকে ইনভেষ্টররা ইনভেষ্ট করবে । 

আসুন আমরা শূণ্য পকেটে ২ বছরের মধ্যে ১০ কোটি টাকার একটি বিজনেস তৈরী করি । 

 

১. ধরে নিলাম আপনি একটা জুতার ফ্যাক্টরী দিবেন । এখন আপনার এই বিষয়ে বিন্দুমাত্র ধারণা নাই । কখনো আপনি কোন জুতার ফ্যাক্টরিতে যান নাই । কখনো দেখেন নাই এবং এই রকম কারো সাথে আপনার পরিচয় নাই । কিচ্ছু লাগবে না জাষ্ট আপনার চেষ্টা এবং আল্লাহর রহমতের উপর বিশ্বাস করুন । 

 

২.  এখন আপনি ইন্টারনেটে পড়াশুনা শুরু করুন । গুগলে সার্চ করুন, ইউটিউবে প্রচুর ভিডিও দেখুন কিভাবে জুতা বানাতে হয় । কোন কাঁচামাল কোথায় পাওয়া যায় । কোন মেশিন কোথায় পাওয়া যায় । প্রথম দিকে শুরু করার জন্য ছোটখাট কি মেশিন পাওয়া যায় । কাঁচামাল দিলে কিভাবে স্টেপ বাই স্টেপ প্রসেস করতে হয় । দেখুন আর দেখুন, শিখুন আর শিখুন ।  এক মাস রাত দিন পড়াশুনা করুন । 

আমাদের জন্য সবচাইতে বড় আশীর্বাদ হল ইন্টারন্টে । খুব সহজেই আমরা সবকিছু শিখতে পারি । আপনার বাবা বা দাদা এতটা সৌভাগ্যবান ছিল না । উনারা যদি এই রকম একটি বিজনেস স্টার্ট করতে চাইত তাহলে ৫ বছর ঐ রকম ফ্যাক্টরীতে চাকরী করা লাগত । তারপও সবকিছু শিখতে পারত না । কারণ এক ফ্যাক্টরীতে সকল রকম কাজ হয় না ।

আপনি ইন্টারনেটের মাধ্যমে কোন কিছু বানানো শিখতে পারবেন এবং সেটা  বিক্রিও করতে পারবেন । যেটা আগের জেনারেশনের কেউ কল্পণাও করতে পারে নাই ।  দেখুন আপনি কত ভাগ্যবান । 

 

৩.  ফেসবুক এবং লিংকড ইনে জুতা প্রোকশন এবং মার্কেটিং সংক্রান্ত বিভিন্ন গ্রুপে যুক্ত হোন । এই বিষয়ে অভিজ্ঞ, দক্ষ এবং সফলদের সাথে বন্ধুত্ব তৈরী করুন । 

 

৪. এদের মাধ্যমেই আপনি কাঁচামাল এবং ছোট মেশিন সোর্সিং করুন ।  মেশিন সেকেন্ড হ্যান্ড হলেই হবে বা মেশিন ভাড়াতেও পাওয়া যায় যেটা আপনি ব্যবসা করে করে শোধ করতে পারেন । 

৫.  জুতার ফ্যাক্টরীতে অনেকদিন কাজ করেছে এই রকম কাউকে সাথে রাখুন । জুতার উৎপাদান শুরু করন । খুব ছোট মেশিন দিয়ে খুব অল্প পরিমান উৎপাদন করুন । 

 

৬. এখন বিক্রির পালা । আপনি ইউটিউব দেখে ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেইজ ও ইউটিউব চ্যানেল খুলুন । খুব সুন্দরভাবে ছবি তুলে প্রোডাক্টের বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে পোষ্ট করতে থাকুন । নিশ্চিতভাবে আপনার বিক্রি শুরু হবে । কাষ্টমার আস্তে আস্তে বাড়তে থাকবে লাভও বাড়তে থাকবে । 

 

৭.  যত বেশী বিক্রি হবে তত আপনার পুঁজি বাড়তে থাকবে । তারপর সেই পুঁজি দিয়ে আপনি বড় বড় মেশিন ইন্সটল করুন, আরো দক্ষ লোকবল নিয়োগ দিন । অনলাইনে পেইড বুষ্টিং করে ব্যাপকভাবে প্রচার করুন ।  আপনার ব্রন্ডের সুনাম ছড়িয়ে যাবে এবংগ্রহণযোগ্যতা বাড়তে থাকবে । 

৮. যখন মানুষ দেখবে যে আপনি লাভজনক ব্যবসা করছেন এবং আপনি সৎ ও পরিশ্রমী তখন বিভিন্ন ইনভেষ্টর এবং ব্যাংক আপনার বিজনেসে টাকা ইনভেষ্ট করতে চাইবে । যার ফলে ব্যবসা আরো বড় হবে । 

 

তবে জিনিসটি এত সহজ হবে না । আপনাকে অবশ্যই প্রোডাক্টের কোয়ালিটি মেনটেইন করতে হবে । যদি আপনার প্রোডাক্ট আসলেই ভাল হয় তাহলে আপনাকে আর পিছনে তাকাতে হবে না  । 

 

আশা করি বুঝতে পেরেছেন যে কোন ব্যবসার শুরু করতে কোন টাকা লাগবে না । আর আপনি নিজ চেষ্টায় ছোটখাট একটা বিজনেস দাঁড় করাতে পারলে ইনভেষ্টের কোন অভাব হবে না ।  আশা করি বিষয়টি বাস্তবসম্মতভাবে বুঝতে পেরেছেন । 

 

 

 ধন্যবাদ

লেখক:

মো: জামাল উদ্দিন

ফাউন্ডার,

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট

ওয়েবসাইট: https://outsourcinghelp.net/

 

ফ্রি কোর্স লিংক:  https://outsourcinghelp.net/freecourse/

 



দেখুন  আপনি কত ভাগ্যবান ? কেন সফল হওয়া আপনার জন্য অতি সহজ ?

 

আপনার আগের জেনারেশন অর্থাৎ আপনার বাবা বা দাদর চাইতে আপনি অনেক বেশী সৌভাগ্যবান । আপনি বর্তমানে অনেক বড় কিছু করতে পারেন যেটা তারা কল্পণাও করে নাই । আপনি চাইলেই কোটি টাকার মালিক হতে পারেন খুব সহজে এবং কম সময়ে । শুধুমাত্র উপলব্ধি না করার কারণে আপনি হীণমণ্যতা এবং হতাশায় ভুগছেন ।  বুঝিয়ে দিচ্ছি । সেটাই বুঝাব যেটা এতদিন আপনাকে কেউ বুঝিয়ে দেয়নি ।  ইনশাল্লাহ আপনি নতুন উদ্দীপনায় জেগে উঠবেন । আর সফলতা সময়ের ব্যাপার মাত্র । 

১. আপনার জীবনে সবচাইতে বড় আশীর্বাদ হল আপনার ইন্টারনেট আছে । তো এটা  আর এমন কি ? সবার মোবাইলেই আছে । হ্যাঁ আছে কিন্তু সবাই এটাকে শুধু এনটারটেইনমেন্ট পারপাস ইউজ করে । এটা দিয়ে জীবন পরিবর্তন হতে পারে এটা ভাবেও না বুঝেও না । বুঝার সময় কই – ফেইসবুক, টিকটক, ফ্রি ফায়ার ইত্যাদিতে ঢুবে থেকে  জীবনের মূল্যবান সময়গুলোর অপচয় করছে । 

এটা আসলে তাদেরও দোষ না । তাদেরকে স্কুল বা কলেজে কোথাও ইন্টারনেটের ভাল ব্যবহার শিখানো হয় না । শিখানো হয় না কিভাবে এটা দিয়ে সে নিজের জীবন পরিবর্তন করতে পারে এবং কিভাবে সমাজ ও রাষ্ট্রে সমৃদ্ধি আনাতে পারে । 

 

২. একজন স্কুল টীচার বড়জোড় সারা জীবনে ৩/৪ হাজার ছেলে-মেয়েকে পড়াতে পারে কিন্তু আপনি  অনলাইনে ক্লাস নিয়ে  লক্ষ লক্ষ মানুষকে শিখাতে পারেন । 

 

৩.  আগের যুগে টিউশন করলে জাষ্ট নিজের এলায় পড়াত । কিন্তু বর্তমানে আপনি অনলাইনের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশে এমনকি দেশের বাইরে ও টিউশন করতে পারেন এবং দশগুণ বেশী টাকা কামাতে পারেন । 

 

৪.  বাপ-দাদারা ব্যবসা করতে চাইলে শুধুমাত্র ব্যবসা শিখার জন্য বছরের পর বছর সেই রকম প্রতিষ্ঠানে চাকরী করতে হত কিন্তু এখন আপনি ইন্টারনে বসেই শিখে ফেলতে পারেন কিভাবে ব্যাগ বানাতে হয় বা যে কোন কিছু বানাতে হয় । 

 

৫. আগে প্রোডাক্ট বিক্রি করার জন্য সবার দোকানে দোকনে যেতে হত । এত পরিশ্রম করার পরও খুব অল্প প্রোডাক্ট বিক্রি হত । কিন্তু বর্তমানে আমরা ঘরে বসেই এস.ই.ও  করে কোন প্রোডাক্ট লাখ লাখ মানুষকে দেখাতে পারি, বিক্রি করতে পারি এবং পার্সেল করে ডেলীভারী দিতে পারি । আগে সারাদিন রাস্তায় রাস্তায় কঠোর পরিশ্রম করে যা আয় হত এখন ঘরে বসে কম্পিউটারের সামনে বসে থেকেই হাজার গুণ বেশী ইনকাম করা যায় । 

 

৬. আগে কাউকে যদি জিজ্ঞেস করা হত : ‍উগন্ডার প্রেসিডেন্টের নাম কি ? উত্তর হত জানি না বা সম্ভবত অমুক । কিন্তু এখন “জানি না” শব্দটি আপনার ডিকশনারীতে নেই । জানা এবং না জানার পার্থক্য মোবাইলটা পকেট থেকে বের করা পর্যন্ত । 

 

৭. আগে ব্যবসা বলতে বুঝাত দোকান দিতে হবে, সালামী এডভান্স ইত্যাদি অনেক খরচ এবং লং প্রসিডিউর কিন্তু এখন ব্যবসা আপনার মোবাইলেই । জাষ্ট ফেসুবকে পেইজ খুলুন । আপলোড করুন । ব্যবসা শুরু হয়ে গেলে । আপনি নিজের চেহারা না দেখিও খুব ভাল ব্যবসা করতে পারবেন । 

 

৮. বড় রাজনৈতিক নেতা হতে হলে আগে জনসভার বকৃতা দিতে হত । তাও সবাই শুনতে পেত না । এখন আপনি ঘরের এক কোণে বসে কোন বকৃতা দিলে সারা দেশের মানুষ দেখতে পায় ।  এখন পলিটিক্যাল ফিগাররা অনলাইনের মাধ্যমে যত দ্রুত সারাধান মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারি আগে সেটা কখনো সম্ভব ছিল না । 

 

৯. কৃষকদের কাছে কোন তথ্য ছিল না । আধুনিক কৃষির টেকনিক তারা জানত না । কিন্তু আপনি যদি কৃষিকাজ করেন তবে ইন্টারনেটে  উন্নত জাতের বীজ সংগ্রহ করতে পারবেন, আনকমন ফল বা ফসল চাষ করতে পারবেন, নতুন চাষাবাদ পদ্ধতি শিখতে পারবেন । এগুলো শিখে একজন ট্রেডিশনাল কৃষকের চাইতে দশগুণ বেশী উৎপাদন করতে পারবেন । 

 

১০.  আগে মানুষ চাকরী খুঁজত শুধুমাত্র দেশের মধ্যে । কিন্তু এখন আপনি অনেক স্মার্ট এখন ইন্টারনেটে আপনি সারা পৃথিবীর যে কোন দেশে অনলাইনে চাকরী করতে পারেন এবং বাংলাদেশের সেলারী স্কেলের চাইতে ১০ গুণ বেশী টাকা ইনকাম করতে পারেন ঘরে বসেই । 

 

এই রকম আরে অনেক অনেক কিছু বলা যাবে । কিন্তু এই ইন্টারনেট নামক আলাউদ্দিনের দৈত্য থাকার পরও কেন আপনি সেই পাওয়ার টা ফিল করছেন না । কেন আপনি অসহায় । কারণ আপনি জানেন না কিভাবে সেই চেরাগে ঘষা দিয়ে সেই দৈত্যটাকে বের করতে হবে ।  কোনদিকে কিভাবে চেরাগে ঘষা দিতে হবে সেটাও ইন্টানেটে পাবেন । শুধুমাত্র আপনার আগ্রহ থাকতে হবে । 

 

 ধন্যবাদ

লেখক:

মো: জামাল উদ্দিন

ফাউন্ডার,

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট

ওয়েবসাইট: https://outsourcinghelp.net/

 

ফ্রি কোর্স লিংক:  https://outsourcinghelp.net/freecourse/

 



যদি ফাইভার বা আপওয়ার্ক কখনো বন্ধ হয়ে যায় তাহলে কি ফ্রিল্যান্সিং বন্ধ হয়ে যাবে ?

 

কখনোই না ।  এই সকল মার্কেটপ্লেস ছাড়াও খুব ভালভাবেই ফ্রিল্যান্সিং চলবে । এখানে কাজ দেয় বায়ার, সেলারীও  দেয় বায়ার । প্রবলেম হল বায়াররা সরাসরি আমাদেরকে খুঁজে পায় না । এই সমস্যা সমাধান করে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলো । যেমন: ফাইভার, আপওয়ার্ক ইত্যাদি । ফ্রিল্যান্সাররা মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট তৈরী করে এবং বায়াররা এসে তাদের প্রোফাইল ‍গিগ যাচাই করে তাদেরকে হায়ার করে । 

 

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস হল জাষ্ট একটা বাজার । এখন যদি কোন কারণে এই সবগুলো মার্কেটপ্লেস বন্ধ হয়ে যায় তখন কি হবে ? 

একটু ভিন্নভাবে বিষয়টি চিন্তা করি । মনে করুন বাংলাদেশে সবগুলো হাট-বাজার বন্ধ হয়ে গেল । এখন কি মানুষের কেনাকাটা বন্ধ হয়ে যাবে ? মানুষ কি না খেয়ে মরে যাবে । একদমই না । হাট বন্ধ হলেও হাটের বাইরেই জিনিসপত্র বেচাকেনা হবে । বিক্রেতা যদি বিক্রি করতে চায় সে হাট-বাজার ছাড়াই বেচতে পারবে আর ক্রেতা যদি কিনতে চায় তাহলে যে কোনভাবেই সে কিনতে পারবে । 

 

ঠিক তেমনি সকল ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস বন্ধ হয়ে গেলেও ফ্রিল্যান্সিং সেক্টরের বিন্দুমাত্র ক্ষতি হবে না । ফ্রিল্যান্সিং চলছে চলবে । 

 

বর্তমানে বেশীরভাগ বায়াররা মার্কেটপ্লেস পছন্দ করে না কারণ তাদের অনেকগুলো স্ট্রিক্ট রুলস মানতে হয় । কাজ বুঝে পাওয়ার আগে পেমেন্ট করতে হয় আবার মার্কেটপ্লেসকে ফি দিতে হয় । এই রকম আরো অনেক অসুবিধা আছে । তাই বায়ারা বেশী প্রিফার করে ফেসবুক, টুইটার, ইন্সটাগ্রাম এবং লিংকডইন থেকে ফ্রিল্যান্সার হায়ার করতে । এখানে আপনি প্রচুর গ্রুপ পাবেন যেখান থেকে বায়াররা সরাসরি ফ্রিল্যান্সার নিয়োগ দেয় । বর্তমানে প্রায় ৮০% বায়ার শুধুমাত্র সোস্যাল মিডিয়া থেকেই হায়ার করে এবং সরাসরি ফ্রিল্যান্সারের ব্যাংক একাউন্টে টাকা সেন্ড করে । 

 

এটার বাইরে ট্রেডিশনাল জব সাইট থেকেও ফ্রিল্যান্সিং কাজ পাওয়া যায় । মানে করুন বাংলাদেশের bdjobs একটি ট্রেডিশনাল জব সাইট । আপনি এখানে প্রচুর ডিজিটাল মার্কেটিং এর জব পাবেন যেটা আপনি ঘরে বসেই করতে পারবেন । এই রকম সারা পৃথিবীতে প্রত্যেক দেশের একাধিন জব সাইট আছে যেগুলোর মাধ্যমে আপনি সারা বিশ্বের যে কোন দেশে কাজ পাবেন । যেমন আপনি সার্চ করুন Job site in Italy. তাহলে আপনি ইতালির জব সাইটগুলো খুজে পাবেন এবং সেখানে খুব সহজেই ডিজিটাল মার্কেটিং বা আপনার পছন্দমত চাকরী পাবেন যেটা আপনি ঘরে বসে করতে পারবেন । সুতরাং এখন সারা পৃথিবী আপনার । 

 

আমাদের ম্যক্সিমাম কাজ আসে আমেরিকা থেকে আর তাদের সবচাইতে বড় ট্রেডিশনাল চাকরীদাতা সাইট হল Carigslist. আপনি ক্রেইগলিষ্টের জব অপশনে দেখুন লক্ষ লক্ষ  ফ্রিল্যান্সিং চাকরী । যেখান থেকে আপনি সরাসরি বায়ারের হোয়াটস এপ নাম্বার এবং ইমেইল পাবেন এবং সরাসরি বায়ারের সাথে কথা বলে চাকরী নিতে পারবেন । 

 

আপনি নিজের জন্য একটি ওয়েবসাইট তৈরী করে সেই ওয়েবসাইটকে এস.ই.ও করানোর মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ বায়ারকে দেখাতে পারবেন এবং এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমেই অনেক বড় বড় কন্টাক্ট পাবেন । 

 

তাছাড়া আপনি বিভিন্ন বিদেশী ছোট বড় কোম্পনীর ফেসবুক, ইউটিউব চ্যনেল এবং ওয়েবসাইটে আপনার সিভি এবং কভার লেটার সাবমিট করতে পারবেন এবং তারা আপনার অনলাইনে ইন্টারভিউ নিয়ে হায়ার করবে । মনে রাখবেন উন্নত দেশে চাকরী বেশী কিন্তু চাকরী প্রার্থী খুবই কম । 

তবে এটা নিশ্চত যে আজ থেকে ৫ বছর পর হোক বা ১০ বছর পর হোক সরাসরি অফিসে বসে কাজ করার সিষ্টেমটাই উঠে যাবে । সকল চাকরী হবে অনলাইনে অর্থাৎ ওয়ার্ক ফ্রম হোম । তখন আমরাই পৃথিবীতে রাজত্ব করব । ইনশাল্লাহ । 

 

 ধন্যবাদ

লেখক:

মো: জামাল উদ্দিন

ফাউন্ডার,

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট

ওয়েবসাইট: https://outsourcinghelp.net/

 

ফ্রি কোর্স লিংক:  https://outsourcinghelp.net/freecourse/

 



ফাইভার বায়ার রিকোয়েষ্ট বন্ধ করে দেয়াতে আমাদের জন্য ভাল নাকি খারাপ হল ?

 

যারা ভালভাবে কাজ শিখে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবে তাদের জন্য খুবই ভাল হয়েছে । তারা এখন আগের চাইতে বেশী বেশী অর্ডার পাবে । আর যারা কোন কাজ না শিখেই সরাসরি ফাইভারে একাউন্ট তৈরী করে এপ্লাই করতে থাকে তাদের রাস্তা বন্ধ হল । এটা আরো অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল । 

 

বায়ার রিকোয়েষ্ট জিনিসটা আসলে কি ?

মনে করুন কোন বায়ার ফেসবুক মার্কেটিং এর কাজ করাবে । এখন ঐ বায়ার তার নিজের প্রোফাইলে একটা জব পোষ্ট করল যে “ I need a Facebook Marketer for my Compay” . এখন ফাইভার তার এই পোষ্ট টা সেই সকল ফ্রিল্যান্সারের প্রোফাইলে পাঠাত যারা ফেসবুক মার্কেটিং নিয়ে –  গিগ তৈরী করেছে বা গিগের মধ্যে ফেসবুক মার্কেটিং ট্যাগ দিয়েছে ।  পাশাপাশি যারা  প্রোফাইল ডেসক্রিপশন বা প্রোফাইল স্কীলে যে কোন ভাবে ফেসবুক মার্কেটিং লিখেছে । তাদের সবার একাউন্টে বায়ারের ঐ পোষ্ট টা বায়ার রিকোয়েষ্ট হিসেবে চলে যাবে ।  আসলে কিন্তু বায়ার নিজে সবার কাছে পাঠাই নাই সে জাষ্ট তার প্রোফাইলে পোষ্ট করেছিল কিন্তু ফাইভার বায়ারের এই মেসেজটা বেশ কিছু ফেসবুক মার্কেটারের প্রোফাইলে পাঠিয়ে দিবে । তার মাসে সরাসরি বায়ার আপনাকে চিনেও না আপনাকে কোন রিকোয়েষ্ট ও পাঠাই নাই । এটা হল জাষ্ট ফাইভারের রিকমেন্ডেশন । 

 

এখন যারা এই রকম বায়ার রিকোয়েষ্ট পেত তারা খুব সহজেই বায়ারকে রিপ্লাই করতে পারত । রিপ্লাই পছন্দ হলে বায়ার ফাইভার ইনবক্সে মেসেজ পাঠাত , লিখে লিখে কিছু চ্যাট হত এবং বায়ার সন্তুষ্ট হলে সে হায়ার করত । এইভাবেই নতুন ফ্রিল্যান্সাররা সহজে কাজ পেত । 

 

কিন্তু এটাতে একটা বড় সমস্যা ছিল সেটা হল- বায়াররা সহজে বুঝতে পারতনা কে এক্সপার্ট আর কে কাজ জানে না । অনেকসময় বায়ার ফ্রিল্যান্সার হায়ার করার পর বুঝতে পারে এটা মাকাল ফল । তখন বায়ারের সময়ও নষ্ট হয় টাকাও নষ্ট হয় । আর অন্যদিকে যারা খুব ভালভাবে কাজ শিখে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেছে তারা অনেকসময় প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ পেত না । 

 

এখন ফাইভার এবং বায়াররা চাই যারা ভালভাবে কাজ শিখেছে শুধুমাত্র তারারই যেন কাজ পায় । তাই তারা বায়ার রিকোয়েষ্ট সিষ্টেম বন্ধ করে দিয়েছে । খুবই ভাল একটা কাজ হয়েছে । এখন বায়াররা কাজ দিতে আসলে সরাসরি আপনার গিগ এবং প্রোফাইল খুব ভালভাবে চেক করবে এবং বুঝার চেষ্টা করবে আপনি কি আসলে কাজ শিখে এসেছেন নাকি না শিখেই এপ্লাই করেছেন ? যখন সে নিশ্চিত হবে যে আপনি খুব ভালভাবে কাজ শিখেছেন তখনই সে আপনাকে সরাসরি ফাইভার ইনবক্সে মেসেজ দিবে, আপনার সাথে চ্যাট করবে এবং হায়ার করবে । 

 

এটাতে যারা কাজ জানে তারা আগের চাইতে অনেক বেশী বেশী কাজ পাবে আর যার কাজ জানে না তারা কাজ পাবে না । এখন আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং করতে চান তাহের আপনাকে অনেক ভালভাবে প্রফেশনাল লেভেলে কাজ শিখতে হবে । 

 কাজ শিখার পর  আপনি যে আসলেই কাজ পারেন এটা বায়ারকে কিভাবে বুঝাবেন ?

 

১. খুব ভালমানের কিছু স্যাম্পল তৈরী করে গিগের গ্যলারীতে রাখতে হবে । 

২. খুব ভাল মানের এবং প্রফেশনাল লেভেলের গিগ তৈরী করতে হবে । প্রোফাইল ব্যানার, ডেসক্রিপশন, ট্যাগ, প্যাকেজ ইত্যাদি প্রত্যেকটি খুব ভালভাবে করতে হবে । 

 

৩.  প্রোফাইলটা খুব সুন্দর করে সাজাতে হবে । টাইটেল, প্রোফাইল ডেসক্রিপশন এবং স্কীলগুলো অনেক সময় নিয়ে খুব সুন্দরভাবে এবং নির্ভুলভাবে লিখতে হবে । 

 

৪. বায়ার যখন আপনার সাথে চ্যাট করবে তখন তাকে আপনার কাজের কোয়ালিটি ‍বুঝিয়ে এবং কোয়ালিটি স্যাম্পল দেয়ে ইমপ্রেস করতে হবে  । 

 

৫.  ফ্রিল্যান্সিং এ মাত্র ২০% কাজ আসে ফাইভারের মত মার্কেটপ্লেস থেকে আর ৮০% ক্ষেত্রে বায়াররা সরাসরি সোস্যাল মিডিয়া থেকে হায়ার করে যেমন : ফেসবুক, টুইটার, ইন্সটাগ্রম, পিন্টারেষ্ট এবং লিংকডইন । লিংকডইনকে বলা হয় বায়ারের খনি । এখান থেকে অনেক বড় বড় বায়ার এবং ভাল বেতনে স্থায়ী চাকরী পাওয়া যায় । সুতরাং আপনি সোস্যাল মিডিয়াতে আপনার সার্ভিসটি শেয়ার করবেন । অনেক বায়ার আপনার সাথে চ্যাট করবে এবং সে যদি আপনাকে হায়ার করতে চায় তখন জাষ্ট তাকে আপনার ফাইভারের প্রোফাইল লিংকটি দিবেন । সেই বায়ার সাথে সাথে আপনার ফাইভারে এসে আপনাকে হায়ার করতে পারবে । আপনি চাইলে বায়ারকে ফাইভারে না এনে সরাসরি তার সাথে কাজ করতে পারেন এবং ব্যাংকে পেমেন্ট নিতে পারেন । কিন্তু নতুন অবস্থায় ফাইভাবে আনলেই ভাল হবে কাজ ফাইভার থেকে আপনি পেমেন্টের নিশ্চয়তা পাবেন । 

 

উপসংহারে এটাই বলব এই রকম আরো অনেক অনেক চেইঞ্জ আসবে । কিন্তু আপনি যদি সিরিয়াসলি কাজ শিখেন তবে এই রকম প্রত্যেকটি পরিবর্তন আপনাকে লাভবান করবে । 

Happy Freelancing

 

 ধন্যবাদ

লেখক:

মো: জামাল উদ্দিন

ফাউন্ডার,

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট

ওয়েবসাইট: https://outsourcinghelp.net/

 

ফ্রি কোর্স লিংক:  https://outsourcinghelp.net/freecourse/

 



ফুড রিভিউ চ্যানেল খুলে কিভাবে ইউটিউব থেকে মাসে লাখ টাকার বেশী আয় করবেন ?

 

এটি করার জন্য আপনার একটি যোগ্যতাই লাগবে সেটি হল: “খাওয়া” । আপনি শুধু মজা করে খেতে পারলেই হবে । আরো মজার বিষয় হল নিজের পকেটের টাকা দিয়েও খেতে হবে না । রেষ্টুরেন্টগুলো আপনাকে দাওয়াত দিয়ে জামাই আদর করে খাওয়াবে এবং খুব ভাল ভাল অংকের সম্মানীও দিবে । পাশাপাশি ইউটিউব থেকে আপনার ইনকাম তো হবেই । 

 

আইডিয়া নিন:

প্রথমত বাংলাদেশী এবং বিদেশী বিভিন্ন ফুড রিভিউ চ্যনেল দেখুন । তাদের ভিডিও গুলো দেখুন এবং আইডিয়া নিন । 

 

কি কি ইন্সট্রূমেন্ট লাগবে:

প্রথমদিকে জাষ্ট আপনার হাতের মোবাইলটাই যথেষ্ঠ । চাইলে একটা ছোট মেবাইল মাইক্রোফোন কিনতে পারেন । তারপর যখন আপনার ভাল ইনকাম হতে থাকবে তখন সেই টাকা দিয়েই DSLR Camera, ভাল মাইক্রোফোন সবকিছুই কিনতে পারবেন । 

 

বিখ্যাত বা আনকমন আইটেম:

এমন ফুড আইটেম খুঁজে বের করুন যেটা হয়ত খুবই বিখ্যাত খাবার বা খুবই আনকমন কোন আইটেম । যেসকল দোকান পুরো দেশে পরিচিত সেখানে গিয়ে খান, রিভিউ দিন প্রচুর ভিউ পাবেন । 

 

ভিউয়ারের জন্য পর্যাপ্ত ইনফরমেশন:

এমনভাবে বলবেন যেন আপনার খাওয়ার দেখলেই দর্শকদের খাওয়া হয়ে যায়, আপনার বর্ণনা শুনেই তারা যে খাবারের স্বাদ পায় ।  এর পর কিভাবে সেই দোকানে বা লোকেশনে যাবে তার বিস্তারিত বিবরণ । সুবিধা, অসুবিধা । যেটা ভাল সেটার প্রশংসা করবেন যেটা আপনার কাছে খারাপ লেগেছে সেটার সমালোচনা করবেন । 

 

ফুড ব্রান্ডগুলোর সাথে যোগাযোগ:

ইউটিউবে ১০/১২ টি ভিডিও আপলোড করার পর আপনি বিভিন্ন ফুড ব্রান্ড বা দোকানের সাথে ফেসবুকে যোগাযোগ করবেন । আপনার চ্যানেল দেখাবেন । তখন তারা আপনার প্রতি আগ্রহী হবে । যদি আপনার প্রচুর ভিউয়ার থাকে তবে সেই ব্রান্ডগুলো আপনার খাওয়ার জন্য হায়ার করবে। রাজার মত খাওয়াবে এবং সম্মানী ভাতাও দিবে । কারণ আপনাকে যত বেশী খাওয়াতে পারে ততই তাদের লাভ !

 

ভিডিও এডিটিং, গ্রাফিকস এবং ইউটিউব চ্যানেল এস.ই.ও:

Camtasia, Filmora বা Adobe premier দিয়ে ভিডিও এডিটিং শিখে নিতে হবে । নিজের ভিডিও নিজেই এডিট করবেন । ফটোশপ শিখে খুব সুন্দর ভিডিও থাম্বনেইল বানাবেন  এবং ইউটিউব এস.ই.ও শিখে নিজের ভিডিওগুলোকে লাক্ষ কোটি মানুষকে দেখাতে পারবেন ।

 

বাংলাদেশে এই রকম প্রচুর ফুড রিভিউ চ্যানেল আছে যারা মাসে ২লাখ টাকার বেশী আয় করে শুধুমাত্র ইউটিউব থেকে । সরাসরি ব্রান্ড থেকে কত পায় সেটাতো হিসেবের বাইরে । 

 

 ধন্যবাদ

লেখক:

মো: জামাল উদ্দিন

ফাউন্ডার,

আউটসোর্সিং ইন্সটিটিউট

ওয়েবসাইট: https://outsourcinghelp.net/

 

ফ্রি কোর্স লিংক:  https://outsourcinghelp.net/freecourse/

 



  • Leave a Reply

    Your email address will not be published.